স্ট্র্যাটেজি প্ল্যানার
রিয়াদ খন্দকার এবং সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
প্রকাশ : ২০ এপ্রিল ২০১৪, ১৯:৩৮
যেকোনো প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও কৌশলগত কার্যক্রমের কার্যকর বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ওই প্রতিষ্ঠানের স্ট্র্যাটেজি প্ল্যান। কেননা প্রতিটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কিছু ব্যবসায়িক কৌশলগত দিক রয়েছে। এই কৌশল ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্ব প্রদানকারীর ভূমিকা অনেক, যিনি একটি সুনির্দিষ্ট স্ট্র্যাটেজি ম্যাপের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কার্যগত পরিধি নিয়ন্ত্রণ করেন। এজন্য প্রয়োজন মেধা ও সৃজনশীল মনন, যার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের এই গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনাগুলো তৈরি করা সম্ভব হয়। এই প্রজন্মের তেমনই কয়েকজন মেধাবী ও সফল স্ট্র্যাটেজি প্ল্যানারদের নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজন। আয়োজনটি গ্রন্থনা এবং সম্পাদনা করেছেন রিয়াদ খন্দকার এবং সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
আহমেদ সাকীব
জেনারেল ম্যানেজার, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ইনসাইটস অ্যান্ড হাই ভ্যালু সেগমেন্ট, মার্কেটিং ডিপার্টমেন্ট, গ্রামীণ ফোন
মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটিতে পড়াশোনা করেছেন সাকীব। সেখানে থেকে স্নাতক শেষ করেই দেশে ফিরে এলেন। শুরুতেই যোগ দিলেন ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোতে। সেখানে টেরিটরি অফিসার হিসেবে কাজ করেন তিনি। নিজের যোগ্যতাতেই সাকীব একসময় সেখানে মার্কেট রিসার্চ ডিভিশনের প্রধান হন। ব্রিটিশ আমেরিকান ট্যোবাকোর হয়ে শ্রীলংকা ও পাকিস্তানে তাদের মার্কেটিং স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাজ করার সুযোগ হয় তার। নানামুখী এই কাজের সুযোগ, তার অভিজ্ঞতার ঝুলিটা বাড়াতে থাকে। এরপর তো চলে এলেন গ্রামীণফোনে। দেশের শীর্ষ এই মোবাইল অপারেটরের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়ে তার দায়িত্ববোধটাও যেন বেড়ে যায়। তাদের সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রমের পরিকল্পনা প্রণয়ন ও তা বাস্তবায়নের লক্ষ্য নিয়েই কাজ করতে হয় সাকীব ও তার বাহিনীকে। কেমন উপভোগ করেন এই ক্ষেত্রে কাজ করে? সাকীব জানালেন, কিছুটা চ্যালেঞ্জিং একই সাথে বহুমাত্রিকতা থাকায় দারুণ উপভোগ করেন তিনি এই কাজ। তাছাড়া টেলিকম সেক্টর এই যুগে যে দারুণ পরিবর্তন এনেছে আমাদের জীবনে, এর সাথে সম্পৃক্ত থাকতে পেরে তার ভালোই লাগে। তাছাড়া আগের কাজের অভিজ্ঞতা তো আছেই, সব মিলিয়ে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিংয়ের কাজটা তার জন্য স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণই। আহমেদ সাকীব মনে করেন, পেশা হিসেবে আমাদের দেশে দিনকে দিন এটা আরও উপযোগী হচ্ছে। বিশ্বায়নের সাথে এগিয়ে যাচ্ছি আমরা, সেই সাথে বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর সাথে কাজের সুযোগ ও ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে সঠিক কর্মপরিল্পনা একান্তই জরুরি লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য।
এখানে নতুনদের অনেক কাজের সুযোগ উল্লেখ করে আহমেদ সাকীব বলেন, ‘এই পেশায় অভিজ্ঞতাটা জরুরি। যেহেতু একটি প্রতিষ্ঠানের হয়ে আপনাকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে, কাজেই কিছুটা অভিজ্ঞতা দরকার। আর এই অভিজ্ঞতাটা আসবে কাজ করতে করতেই, সেটা বিভিন্ন সেক্টরে হতে পারে। ট্রেড মার্কেটিং, মার্কেটিং রিসার্চ থেকে শুরু করে ব্র্যান্ডিং, প্রতিটি বিষয়েই সম্যক অভিজ্ঞতা থাকলেই প্ল্যানিং ডিভিশনে কাজের সুযোগটা বেশি থাকে।’ কাজেই সাকীবের পরামর্শ হলো, আগ্রহ ও উত্সাহ নিয়ে কাজ করতে হবে, তাহলেই দেখা মিলবে সাফল্যের। আর এটাও তিনি মনে করিয়ে দেন, সাফল্যের কোনো শর্টকাট রাস্তা নেই।
প্রজন্মের মেধাবী এই স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানারের জন্ম বাংলাদেশে হলেও অনেকটা সময় কেটেছে দেশের বাইরে। অনেক দেশের অনেক অভিজ্ঞতা তাই তার ঝুলিতে। বাবা ছিলেন সরকারি কর্মকর্তা, এখনও কর্মরত একটি বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে। মা ছিলেন স্কুলশিক্ষিকা। তাদের সহায়তা না থাকলে এত দূর আসা হতো না বলে জানান সাকীব। দুই ভাই-বোনের মাঝে তিনিই ছোট। স্ত্রী তারান্নুম আহমেদ আর একমাত্র সন্তান ফারদিন আহমেদ তার সবকিছুর অনুপ্রেরণা এখন।
সামনের দিনগুলোতে এই ক্ষেত্রেই কাজ করতে চান তিনি। গ্লোবাল ব্র্যান্ডগুলোর সাথেও কাজের ইচ্ছা আছে। সাকীব তার স্বপ্নের হাত ধরে এগিয়ে যাবেন অনেকটা পথ, সেই শুভকামনা।
আহমদ সাকীব
ডাকনাম :সাকীব
জন্মতারিখ ও স্থান :২৪ জানুয়ারি, চট্টগ্রাম
মায়ের নাম :নার্গিস সামাদ
বাবার নাম :এম এ এস তালুকদার
প্রথম স্কুল :মাশরুরুল হক মেমোরিয়াল হাই স্কুল, কাতার
প্রিয় মানুষ :আমার বাবা-মা
প্রিয় পোশাক :জিন্স ও টি-শার্ট
অবসর কাটে যেভাবে :মুভি দেখে, ভ্রমণ করে অথবা পরিবারের সাথে
সাফল্যের সংজ্ঞা :পরিশ্রম আর উচ্চাকাঙ্ক্ষার সমন্বয়েই সফলতা আসে।
==
ফারুক শামস
হেড অব স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ইউনিট, বিটপী
প্রায় একযুগ আগে, এশিয়াটিকের একটা বিজ্ঞাপন দেখে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানার পদের জন্য পরীক্ষায় বসলেন তিনি। পরীক্ষা যেমনই হোক, ডাক পড়ল তার এশিয়াটিকের চেয়ারম্যান আলি যাকের কক্ষে। গম্ভীর হয়ে জিজ্ঞেস করলেন, স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং সম্পর্কে কিছু জানেন কী না। উত্তর এল না, তাতেই আলী যাকের বললেন, যারা কিছুই জানে না বলে মনে করে, তাদের জন্য কপিরাইটিং, তুমি বরং সেখানেই জয়েন কর। ব্যস, সেদিনের সেই সাক্ষাত্কারের মধ্য দিয়েই যাত্রা শুরু অ্যাডফার্মে, কপিরাইটার হিসেবে, যদিও এর কিছুদিন বাদেই তার ডাক পড়ে স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং ডিভিশনে।
বিজ্ঞাপনী সংস্থার একজন স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানার হিসেবে তাকে তাদের গ্রাহকদের পণ্য কীভাবেই বা সাধারণের মাঝে পৌঁছাবে সেটার কর্মপরিকল্পনা করতে হয়। এখন তো টিভির বাইরে আরও অনেক মাধ্যম, সেভাবেই কতটা সফলভাবে একটি পণ্যের প্রচার করা যায়, যার মাধ্যমে গ্রাহকের উদ্দেশ্য সফল হবে, সেটা নিয়েই ফারুকদের কাজ। মূলত সাধারণ মানুষগুলোর সাথে প্রতিষ্ঠানের একটা যোগসূত্র কীভাবে বুনন হবে, সেটা নকশা করাই একজন স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানারের দায়িত্ব।
কতটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন এই পেশায়? ফারুক শামস বলেন, বিজ্ঞাপন মাধ্যমটাই অনেক বেশি সৃজনশীল কাজেই একঘেয়েমি নেই কোনো। প্রতিদিন এ রকম হাজারো নতুন নতুন বিষয় নিয়ে কাজ করতে তার ভালোই লাগে। আর নতুন নতুন আইডিয়া বের করার কাজটাও তো অনেক মজার। আর আমাদের দেশে বিজ্ঞাপনী মাধ্যম প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও এখন বেশ ভালোভাবে এগোচ্ছে। অনেক অনেক কাজের সুযোগ তাই আমাদের সামনে। শুধু বুঝতে হবে আসলে বিজ্ঞাপনী সংস্থাগুলোর কাজের ক্ষেত্রেটা আসলে কেমন। শুধুই পণ্যের বিক্রি নয়, তার পসার ও সুনামটাও যে বৃদ্ধি পায় এর মধ্য দিয়ে।
বিজ্ঞাপনী মাধ্যমে নতুনদেরই জয়জয়কার উল্লেখ করে ফারুক বলেন, ‘তারা অনেক বেশি উদ্যমী আর দূরদর্শী। কাজের প্রতি স্পৃহা আছে অনেক, শুধু লেগে থাকতে হবে। তাদের নতুন দিনের নতুন সব ভাবনা আমাদের বিজ্ঞাপনকে নিয়ে যাবে অনেক দূর।’ তাদের জন্য পরামর্শ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিজের মধ্যে একটা দৃঢ়তা তৈরি করতে হবে, উচ্চাকাঙ্ক্ষা থাকতে হবে, ঝেড়ে ফেলতে হবে ইগোকে। আর প্রতিদিনের কাজ থেকেই শিখতে হবে।’ এখনও তিনি প্রতিদিন নতুন নতুন কাজের মধ্য দিয়ে শিখে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেন।
ফারুক শামসের বাবা কর্মসূত্রে ছিলেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, কাজেই নানা দেশের নানা সংস্কৃতির মাঝে বেড়ে ওঠেছেন তিনি।
সম্প্র্রতি বন্ধুকে নিয়ে শুরু করেছেন একটি প্রোডাকশন হাউস। এখন স্বপ্ন দেখেন এটাকেই কীভাবে সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। প্রজন্মের এই স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানারের জন্য শুভকামনা।
ফারুক শামস
জন্মতারিখ :১৯ ফেব্রুয়ারি
মায়ের নাম :সুরাইয়া আমজাদ
বাবার নাম :আমজাদুল হক
প্রথম স্কুল :ব্রিটিশ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল, ওমান
প্রিয় মানুষ :সব পাঠকেরা, যারা এই লেখা পড়ছেন।
প্রিয় পোশাক :স্বাচ্ছন্দ্যময় যেকোনো পোশাক
অবসর কাটে যেভাবে :বই পড়ে আর মুভি দেখে।
সাফল্যের সংজ্ঞা :সবসমইয় নিজের ভেতরের স্বত্তাটাকে জানার চেষ্টা করুন।
===
সাব্বির রহমান তানিম
চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার, উইন্ডমিল্ড অ্যাডভ্যার্টাইজিং লিমিটেড
ছোটবেলা থেকেই স্বপ্ন ছিল ব্যবসায়ী হওয়ার। বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ধরনের ব্যবসা নিয়ে পরিকল্পনা তার চিন্তা জগতে খেলা করত। এর মধ্যে এক বন্ধুর কাছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা সম্পর্কে জানতে পারেন। তখন এ বিষয়টা এখনকার মতো এত পরিচিত ছিল না। এ সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে গিয়ে দেখেন ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট শুধুমাত্র বিটিএল মার্কেটিংয়ের একটি পার্ট। এরপর বিটিএল নিয়ে যত পড়াশোনা করেন তত তার আগ্রহ বেড়ে যায়। মূলত বিভিন্ন ধরনের ক্যাম্পেইনের বিটিএল স্ট্র্যাটেজি ডেভেলপ করার সুযোগটা তাকে সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট করে। সেই ধারাবাহিকতায় ২০০৩ সালে বিটিএল শুরু করেন উইন্ডমিল্ড অ্যাডভ্যার্টাইজিং লিমিটেডের চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার সাব্বির রহমান তানিম। সাব্বির রহমান তানিমের ছেলেবেলা কেটেছে নানা বাড়িতে যৌথ পরিবারের সঙ্গে। তার বড় মামা একজন আর্টিস্ট ছিলেন। ছোটবেলা থেকেই মামার সঙ্গ খুব পছন্দ করতেন তিনি। মা শিক্ষকতা পেশার সাথে যুক্ত ছিলেন। তার কাছে পৃথিবীর সেরা দুজন মানুষ হলেন মা ও মামা। দুজনই আজ পৃথিবীতে নেই। আর প্রিয় ব্যক্তিত্ব তার নানী। তারা দুই ভাই এবং এক বোন বলতে গেলে তার কাছেই মানুষ। বরাবরের প্রেরণার উত্স হয়ে থাকা তার স্ত্রী একটি এনজিওর সাথে সম্পৃক্ত।
সফলতার পাশাপাশি এই পেশায় কতটা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন জানতে চাইলে সাব্বির রহমান তানিম বলেন, ‘অবশ্যই অনেক স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কেননা এখন উইল্ডমিল্ড অ্যাডভার্টাইজিং লিমিটেড বাংলাদেশের লিডিং বিটিএল এজেন্সি। এই প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন লিডিং এবং আপকামিং এমএনসি এবং লোকাল প্রতিষ্ঠানের বিটিএল স্ট্র্যাটেজি নিয়ে কাজ করে থাকে। তাদের প্রত্যেকটি প্রজেক্টই অন্যেদের চেয়ে ভিন্ন। একেক প্রজেক্টে একেক ধরনের চ্যালেঞ্জ থাকে, যার কারণে কখনও একঘেয়েমি লাগে না।’ একজন সিইও হিসেবে সাব্বির রহমান তানিমকে পুরো প্রতিষ্ঠানের স্ট্যাটেজি নিয়েও কাজ করতে হয়। এই ব্যাপারটিও তিনি প্রচণ্ড উপভোগ করেন। এই প্রজন্মের কাছে এই পেশার চাহিদা কতটুকু বলে আপনি মনে করেন? জবাবে সাব্বির রহমান তানিম বলেন, ‘আমার মনে হয় স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং সবচেয়ে ডিমান্ডিং পোস্ট। আমরা যখন এই পোস্টের জন্য সারকুলেশন দিই তখন প্রচুর রেসপন্স পাই। বর্তমান প্রজন্মের প্রচণ্ড আগ্রহ আছে এই পজিশনটির প্রতি।’ আর এই প্রজন্ম সম্পর্কে তার মূল্যায়ন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই প্রজন্ম ভয়হীন এবং নিত্য নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে খুবই আগ্রহী। যা একজন স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানারের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর ইন্টারনেটের যুগে সারা বিশ্ব এখন হাতের মুঠোয়, বর্তমান প্রজন্ম খুবই টেকনোলজি ফ্রেন্ডলি, এটা খুবই প্লাস পয়েন্ট।’
সবশেষে তার ভবিষ্যত্ স্বপ্ন নিয়ে জানালেন, খুব তাড়াতাড়ি কাজ থেকে অবসর নেবেন, দূর প্রত্যন্ত অঞ্চলে তার একটা র্যাঞ্চ (আধুনিক খামার বাড়ি) থাকবে। যেখানে জীবনের বাকি দিনগুলো অতিবাহিত করবেন।
সাব্বির রহমান তানিম
ডাকনাম :তানিম
জন্মতারিখ ও স্থান :১০ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রাম।
মায়ের নাম :সৈয়দা তালাত পারভীন
বাবার নাম :সাইফুর রহমান
প্রথম স্কুল :ধানমন্ডি টিউটোরিয়াল
প্রিয় মানুষ :আমার নানী
প্রিয় উক্তি :The richest man is not who has the most but he who needs the least.
প্রিয় পোশাক :পাঞ্জাবি-পায়জামা
অবসর কাটে যেভাবে :আড্ডা মেরে, মুভি দেখে, বই পড়ে।
সাফল্যের সংজ্ঞা :If most of the people around you are proud and happy for you.