ফুড পয়জনিং হলে উপসর্গ অনুযায়ী চিকিত্সা দেয়া উচিত

ফুড পয়জনিং বা খাদ্যে বিষক্রিয়া হলে এর চিকিত্সা নিয়ে নানা মতভেদ আছে। অনেকে ফুড পয়জনিং এর উপসর্গ অনুযায়ী চিকিত্সা দিয়ে থাকেন। আর অনেকে জীবাণু নাশক বা এন্টিবায়োটিক দেন। এব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) এর মতে ফুড পয়জনিং চিকিত্সায় অতি সামান্যই উন্নতি হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যে দেখা গেছে, ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ফুড পয়জনিং এর আক্রান্তের হার ছিল ১৩ শতাংশ এবং ২০১৩ সালে এটা ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। সাধারণত: ডেয়ারি প্রডাক্ট, প্রক্রিয়াজাত চিকেন ইত্যাদি খাবার থেকে ফুড পয়জনিং বেশি হয়। তবে বাংলাদেশের ক্ষেত্রে পচা-বাশি খাবার, খোলা খাবার, কেমিক্যাল যুক্ত খাবার ইত্যাদি ফুড পয়জনিং-এর অন্যতম কারণ। এছাড়া বিশ্বব্যাপী সালমোনেলা ও ভিবরিও কলেরি নামক জীবাণু দিয়েও ব্যাপক সংখ্যক ফুড পয়জনিং হয়। তাই ফুড পয়জনিং প্রতিরোধে ঝুঁকিপূর্ণ খাবার, কেমিক্যাল যুক্ত খাবার ও প্রক্রিয়াজাত খাবার পরিহার করা উচিত। আর যাদের ফুড পয়জনিং হয়েছে তাদের উপসর্গ অনুযায়ী চিকিত্সা নিতে হবে। চিকিত্সকের পরামর্শ ব্যতীত এন্টিবায়োটিক সেবন করা উচিত নয়। লেখক : চুলপড়া, এলার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ