গোল করলো শুধু বিদেশিরাই
প্রকাশ : ২৪ এপ্রিল ২০১৪, ২২:১১
বিজেএমসির বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্রের ৪-২ গোলের জয়ে মনে হতেই পারে দুই দলের মধ্যে একটা ভালো লড়াই হয়েছে। বাস্তবে ঘটেছে উল্টো, মুক্তিযোদ্ধা সহজ জয় পেয়েছে, লড়াই হয়নি। তবে খেলায় সবগুলো গোলই বিদেশিদের।
মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে বিজেএমসির ছন্ন ছাড়া ফুটবলটাই সবার চোখে পড়েছে। যেভাবে বল নিয়ে গেছেন মুক্তিযোদ্ধার কিংসলে, এলিটা, সানডে, রনি, জিতুরা বিপদ ঘটিয়ে ফিরেছেন তারা। বিজেএমসি সবদিক থেকে দুর্বল ছিল। গোল করেছে দুটি। কিন্তু সেটির একটি পেনাল্টি থেকে। ম্যাচ জিতে মুক্তিযোদ্ধার কোচ সফিকুল ইসলাম মানিক তো মহা খুশি। কারণ দেশের অন্যতম সেরা এই কোচ একটা জয়ের অপেক্ষায় সময় পার করছিলেন।
তার দল লিগে টানা চার ম্যাচে ৭ পয়েন্ট হারিয়েছে। সে জন্য একটা জয় খেলোয়াড়দের খুবই দরকার ছিল। সেটি পেয়েছেন তিনি। আগের ম্যাচে লালকার্ড পাওয়ায় মাঝমাঠে ছিলেন না অধিনায়ক মারুফ আহমেদ। তার অনুপস্থিতিতে দলের একটা পাশ শূন্য ছিল। চাপ ছিল রক্ষণভাগে। বিজেএমসির খেলোয়াড়দের অনুশীলন হয় বলে মনে হলো না। দলীয় একতা নেই। অপেশাদারী মনোভাব নিয়ে যেন নিছক খেলার জন্যই খেলছে এই দলটি। তারপরও খুশি দলের কোচ আলী আজগর নাসির, ‘আগের ম্যাচের তুলনায় এই ম্যাচে আমরা ভালো খেলেছি। সুযোগ পেয়েছিল। কিন্তু গোল করতে পারেনি।’ খুশি হয়েছেন সফিকুল ইসলাম মানিক। তিনি রেফারির উপরও খুশি। কারণ রেফারিও ভালো খেলা পরিচালনা করেছেন। রেফারি জসিমউদ্দনকে সাধুবাদ দিয়ে বলেছেন, ‘আমার বিরুদ্ধে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দিয়েছেন। সেটা ঠিকই ছিল।’
কোচ মানিকের দল প্রথমার্ধেই ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল। ২৩ মিনিটে এনকোয়াচ কিংসলে (১-০), ৪২ মিনিটে এলিটা কিংসলে গোল করেন (২-০)। ৫৬ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন এনকোয়াচা (৩-১)। এর চার মিনিট পর বিজেএমসির সামসন ইলিয়াসু ব্যবধান কমান ১-৩। মুক্তিযোদ্ধার স্ট্রাইকার সানডে চিজোবা দুর্দান্ত বাঁক খায়ানো শটে গোল করেন ৪-১ ৭৯ মিনিটে পেনাল্টি থেকে হারের ব্যবধান কমিয়েছেন বিজেএমসির ইসমাইল বাঙ্গুরা ২-৪।
১১ খেলায় ১২ পয়েন্ট নিয়ে বিজেএমসি আছে ৭ নম্বরে। মুক্তিযোদ্ধা ১১ খেলায় ১৮ পয়েন্ট নিয়ে ৪ নম্বরে আছে।