প্রজন্মের পরামর্শ
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০১৪, ২০:১২
হর্টিকালচার
দেশের উর্বর মাটি এবং মেধাবী কৃষিবিদদের নিরলস প্রচেষ্টা দেশকে খাদ্যনিরাপত্তা দিয়েছে, কৃষির হাত ধরেই তো আজ এই আধুনিক সভ্যতা দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। কৃষি নিয়ে গবষণার একটি উল্লেখ্যযোগ্য অংশ উদ্যান তত্ত্ব বা হর্টিকালচার। পেশা হিসেবে এই প্রজন্মের কাছে অনেক গ্রহণযোগ্য এটি। তাই এবার শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম জানিয়েছেন এই পেশায় সফল হতে কিছু পরামর্শ
উদ্যানতত্ত্বে কাজের সম্ভাবনা প্রচুর। কিন্তু সুযোগটা খুঁজে নিতে হবে, সেই সাথে নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যেতে হবে। বাইরের দেশগুলোতে হর্টিকালচারিস্টের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। এ বিষয়ে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার গড়তে বহির্বিশ্বের শিক্ষার্থীদের তুমুল আগ্রহ দেখা যায়। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, হর্টিকালচার স্কিলস অস্ট্রেলিয়া ইনস্টিটিউটে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের শতকরা ৯৫ ভাগই বিদেশি। কৃষিভিত্তিক দেশ বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদেরও সেখানে শিক্ষা লাভ করে এ বিভাগে সাফল্য অর্জন ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে। এ পেশায় আসতে অবশ্যই উদ্ভিদ এবং বাগান বিষয়ে নিজস্ব ভালো লাগা এবং জ্ঞান থাকা আবশ্যক। একজন উদ্যানবিজ্ঞানী শিল্পাঞ্চল, সরকারি বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অথবা ব্যক্তি মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে পারেন। এ বিষয়ে শিক্ষিত অনেক তরুণ কৃষি খামার গড়ে তুলে একে পেশা হিসেবে নিচ্ছেন। কৃষি পেশার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা কৃষিবিদদের পেতে দেশি-বিদেশি সংস্থাগুলোর প্রতিযোগিতা করে থাকে।
০০০
মনোবিজ্ঞান
মানুষের মনোজগতে কী চিন্তা চলে, কোন আচরণটা মানুষ কখন করে, কেন করে, বুঝে করে, না অবচেতনভাবে করে? বিচিত্র অনুভূতি, প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি হাজারও প্রশ্ন ও কথা নিয়ে আলোচনা করে মনোবিজ্ঞান বা সাইকোলজি। মানুষে মনের খোঁজখবর নিয়ে নিজের ক্যারিয়ার সাজাতে বর্তমান প্রজন্মের অনেকেই আগ্রহী। তাই জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক, ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ জানিয়ে এই পেশা ক্যারিয়ার সাজাতে তার নিজস্ব মতামত
মনোবিজ্ঞান বিষয়ের গুরুত্বটা আমাদের দেশে আগে ছিল না বললেই চলে। যদিও আমাদের দেশে সাইকোলজি নিয়ে পড়াশোনা অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে। কিন্তু সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে এখন এই বিভাগটির ব্যাপক চাহিদা। ইচ্ছা করলে মানসিক চিকিত্সক হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করতে পারেন। চারপাশে প্রতিদিনই মানুষের আবেগ ও আচরণগত সমস্যাগুলোও বাড়ছে যা পরবর্তীতে সামাজিক অপরাধ বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। অথচ এত বিপুল পরিমাণ মানসিক রোগীর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ মানসিক চিকিত্সক আমাদের দেশে নেই। তাই এই সম্ভাবনাময় কর্মক্ষেত্রে নতুন প্রজন্ম নিজেকে নিযুক্ত করতে পারেন। তার জন্য আপনাকে অবশ্যই ক্লিনিকাল সাইকোলজি নিয়ে পড়তে হবে। তাছাড়া বর্তমানে বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, তাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য সাইকোলজিস্ট নিয়োগ করে থাকে। আমাদের দেশে বেশির ভাগ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে সাইকোলজি পড়ার সুযোগ রয়েছে।