পেকুয়ায় দা বাহিনীর অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০১৪, ২১:১৬
পেকুয়ায় দা বাহিনীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে এলাকার নিরীহ মানুষ। এই বাহিনীর বিরুদ্ধে খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও বন আইনে পেকুয়া, বাঁশখালীসহ দেশের বিভিন্ন থানায় কয়েক ডজন মামলা রয়েছে। ২০ জন ভয়ংকর ও দাগী অপরাধী নিয়ে গঠিত এই বাহিনীর নেতৃত্বে রয়েছে ডাকাত নাছির।
দা বাহিনীর চিহ্নিত ২০ জন দাগী অপরাধীর মধ্যে বর্তমানে মাত্র একজন কারাগারে রয়েছে। আরেকজন গত কয়েক মাস ধরে এলাকা ছাড়া। কিন্তু বাকি ১৮ জন সন্ত্রাসী মিলে দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আরো অপরাধী জড়ো করে পেকুয়া-বাঁশখালীতে রীতিমত এক ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। এই বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে খুন ডাকাতি ছাড়াও জমি জবরদখল, অপহরণ ও জিম্মি করে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।
এই বাহিনীর কমান্ডার টইটং এর নাছিরউদ্দিন প্রকাশ ডাকাত নাছিরের (৩২) বিরুদ্ধে পেকুয়া ও বাঁশখালী থানায় খুন, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও বন আইনে বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত দেড় ডজন মামলা রয়েছে।
এই বাহিনীর সেকেন্ড কমান্ড জয়নাল আবেদীন প্রকাশ চম্বাইয়া ডাকাত (২৭) এর বিরুদ্ধেও সন্ত্রাস, বনজ সম্পদ লুটসহ বিভিন্ন অপরাধে পেকুয়া থানায় অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে। সম্প্রতি তার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে এলাকার মানুষ তাকে ঘেরাও করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে। এরপর থেকে কারাগারে রয়েছে চম্বাইয়া ডাকাত। অন্য সদস্যরা হলো কালো ডাকাত, আমিরুল কবির প্রকাশ মোলংগ্যা, নাছিরউদ্দিন প্রকাশ দুই নম্বর নাছির, আবদুল হামিদ, সাকের, আবদুল মালেক, আবদুল খালেক, সাইফুল্লাহ, মামুন, মফিজ, ফিরোজ, মানিক, নুরুল আমিন, আকতার আহমদ, রুবেল, মনছুর ও ছৈয়দ আহমদ। এদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। এসব সন্ত্রাসীকে শীঘ্রই গ্রেফতারের দাবি জানিয়ে সম্প্রতি টইটং-এর চেয়ারম্যান মোছলেমউদ্দিন এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবরে আবেদন করেছেন।