শেষ হলো ‘সাফল্য কোচের’ পাঠশালা

গতকাল বাংলাদেশ মহিলা দলের খেলোয়াড়দের নিয়ে কাজ করার ভেতর দিয়ে আপাতত শেষ হল ‘লাইফ সাকসেস কোচ’ আলী আজাহারের বাংলাদেশ পর্ব। এই পর্বে একটা ব্যাপার অন্তত পরিষ্কার হয়েছেন আলী আজহার, নানারকম চাপই খেলোয়াড়ই দুর্বল করে তুলেছে। আর খেলোয়াড়রা বলছেন, তারা এই চাপ সামলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্র আতস্থ করছেন। আলী আজাহার বলছিলেন, খেলোয়াড়দের তিনি যে কাজ করিয়েছেন এর বাইরে একটা পরিকল্পনাও দিয়ে যাচ্ছেন, ‘সবার লক্ষ্য এক নয়। প্রত্যেকের আলাদা লক্ষ্য। সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে হলে যে পরিকল্পনা হবে সেটা নিয়ে আমি কাজ করছি। স্কিলে উন্নতি করার একটা পরিকল্পনা আছে। সেভাবে আমি তাদের রুটিন ওয়ার্ক করেছি। পুরো জিনিসটাকে ১ বছর ৬ মাস ও ৩ মাসে ভাগ করে আমি একটা পরিকল্পনা দিয়ে যাচ্ছি ওনাদের। প্রতিদিন কিংবা সপ্তাহে ৫ দিন তারা কিভাবে এ জিনিসগুলো ফলো করবে। সে বিষয়গুলোর একটা পরিকল্পনা করে দিচ্ছি আমি। যদি কোন ক্রিকেটার কিছু কিছু বিষয়ে ওভারকাম করতে পারছে না তখন তাদের সঙ্গে আমি ফোনে কথা বলবো।’ তিনি বেশ বুঝতে পেরেছেন, খেলোয়াড়দের ওপর চাপটা কতোখানি প্রভাব ফেলছে, ‘এ প্রশ্নটা বার বার আমাকে করা হয়েছে। বেশিরভাগ ক্রিকেটারই মানসিক চাপের কথা বলেছেন। যখনই আমাদের চাপটা বেশি থাকছে না তখনই আমাদের পারফর্মমেন্স অনেক ভালো। কিন্তু আমরা যখন চাপে পড়ে যাচ্ছি তখন আমাদের পারফর্মম্যান্সে ভালে হচ্ছে না। বাইরের চাপ সেটা ভক্তদের প্রত্যাশা হতে পারে , বাদ পড়ে যাওয়ার চাপ, কারো সমস্যা আর্থিক। কারো রয়েছে পারিবারিক, কারো মিডিয়ার চাপ অনেকে নিতে পারছে না। এসব চাপে খেলার মাঠে সমস্যা হচ্ছে ক্রিকেটারদের।’ খেলোয়াড়দের মধ্যে এনামুল হক জুনিয়র শেষ দিনের সেশন শেষে বললেন, তাদের মানসিকভাবে এই প্রক্রিয়াটা সহায়তা করবে, ‘এ বিষয়গুলো আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমি মনে করি যারা জুনিয়ার তাদের জন্য আরো বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কেননা ছোট থেকেই তারা এ বিষয়গুলো নিয়ে ভাবছে খেলার মাঠে ইতিবাচক প্রভাব পড়ার সুযোগ রয়েছে। ভাল পারফর্ম করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ মানসিকভাবেও এগিয়ে থাকা। মানসিকভাবে এগিয়ে থাকার জন্য এ প্রক্রিয়া ভালো কাজ দেবে।’