[ আ ন্ত র্জা তি ক ]
হামাস-ফাতাহ্’র মৈত্রীচুক্তি এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০১৪, ২১:২৩
ফিলিস্তিনের প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী হামাস ও ফাতাহ্ অবশেষে গত ২৩ এপ্রিল একটি নজিরবিহীন ঐক্যচুক্তি স্বাক্ষর করেছে। চুক্তি স্বাক্ষরের দিন হতে পরবর্তী পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে পিএলও এবং হামাস নেতৃবৃন্দ একটি জাতীয় ঐকমত্যের সরকার গঠন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের আঞ্চলিক রাজনীতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত পশ্চিম ইউরোপীয় বৃহত্ শক্তিবর্গের অসন্তুষ্টি সত্ত্বেও ফিলিস্তিনের প্রতিদ্বন্দ্বী গোষ্ঠীদ্বয়ের সাম্প্রতিক ঐক্যবন্ধন নিঃসন্দেহে ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হবে।
এ মতের সাথে যাঁরা দ্বিমত পোষণ করেন, তাঁদের যুক্তি হলো সুদূরপ্রসারী লক্ষ্যে দীর্ঘ পরিকল্পনার মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে ইসরাইলী রাষ্ট্র সৃষ্টি করে মধ্যপ্রাচ্যে যে মহাবিভীষিকা তৈরিতে যুক্তরাষ্ট্র ও পাশ্চাত্য রাষ্ট্রসমূহ প্রত্যক্ষ ভূমিকা রেখেছে তাদের সমর্থন ছাড়া ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানের কোন সম্ভাবনা নেই। নিঃসন্দেহে এ বক্তব্য অত্যন্ত শক্তিশালী এবং বাস্তবসম্মত। ফিলিস্তিনী সমস্যাকে অন্যান্য আন্তর্জাতিক ইস্যুগুলোর সাথে একই দৃষ্টি, একই বৈশিষ্ট্য এবং একই মানদণ্ডে বিচার করলে এমন মতামত দেয়া ছাড়া আর কোন উপায়ই নেই। ফিলিস্তিন সমস্যাটি এ কারণে অন্যান্য আন্তর্জাতিক ঘটনার সাথে পৃথক যে, এর নেপথ্যে রয়েছে একটি জাতি ও দেশের জনগণের ‘আদি বসতি’ ও ‘ভিটা-বাড়ি’ থেকে তাদেরকে উচ্ছেদ করে, ঐ জনগণকে হত্যা বা বিতাড়িত বা আহত করে, তাদের ভূমি দখল করে পৃথিবীর একটি ভবঘুরে বিচ্ছিন্ন, আশ্রয়-বঞ্চিত ভাসমান জাতি-গোষ্ঠীর জন্য নির্বিঘ্ন আবাস ভূমি গঠন এবং সেই আবাসভূমিকে আধুনিক জাতি-রাষ্ট্রের সকল বৈশিষ্ট্য কৃত্রিমভাবে যুক্ত করে ঐ ভাসমান জাতির জন্য একটি রাষ্ট্রগঠন প্রক্রিয়া।
পৃথিবীর জাতি-রাষ্ট্রের ইতিহাস বেশিদিনের নয়। ১৬১৮ সালে শুরু হওয়া ৩০ বছর ব্যাপী ইউরোপের খ্রীষ্টান রাজা-বাদশাহ, রাজকুমার-রাজকুমারীদের প্রাসাদ সংঘর্ষের জের ধরে ১৬৪৮ সালে যে ‘ওয়েস্টফালীয় চুক্তি’ হয় তার পর থেকে আধুনিক আন্তর্জাতিক সম্পর্কে জাতি-রাষ্ট্রের ধারণার জন্ম হয়। ধারণাটি নিরেট ইউরোপীয়, পাশ্চাত্য বৈশিষ্ট্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দুর্ভাগ্যবশত পরবর্তীকালে ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ও ঔপনিবেশবাদের কারণে এ ইউরোপীয় রাষ্ট্র-তত্ত্বটি কোন রকম বিচার বিশ্লেষণ ছাড়া অ-ইউরোপের উপর চাপিয়ে দেয়া হয়। সমকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি সাড়া জাগানো তাত্ত্বিক কার্ল মার্ক্স নানা কারণে রাষ্ট্রের এ ইউরোপীয় ধারণা প্রত্যাখ্যান করে ‘রাষ্ট্র-ধারণা উঠে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়বে’ (States will wither away) বলে তাঁর থিসিস উপস্থাপন করেছিলেন। ইউরোপীয় রাষ্ট্র-ধারণার নানা অনিয়ম, সীমাবদ্ধতা ও অপ্রযোজ্যতা সত্ত্বেও ইউরোপীয় সাম্রাজ্যবাদী ও ঔপনিবেশবাদীরা সাম্রাজ্যবাদ ও ঔপনিবেশবাদের জোরে সেই অপ্রযোজ্য রাষ্ট্র-ধারণায় আন্তর্জাতিকতা ও বিশ্বজনীনতার বৈশিষ্ট্য নির্বিঘ্নে যুক্ত করে অ-ইউরোপীয় ভূখণ্ডেও সেই ধারণা চাপিয়ে দিতে সক্ষম হয়েছেন। ধন্যবাদ ইউরোপীয় রাষ্ট্রতাত্ত্বিক, লেখক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, রাষ্ট্র পরিচালক ও রাজনীতিবিদদেরকে, যারা অ-ইউরোপীয় রাষ্ট্রতাত্ত্বিক, লেখক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী, রাষ্ট্রপরিচালক ও রাজনীতিবিদদেরকেও সেই ধারণা গলাধঃকরণে বশ করতে সক্ষম হয়েছেন। অ-ইউরোপে কৌটিল্য, কনফুসীয়, বৌদ্ধীয়, ইসলামীয় নানা সমৃদ্ধ, উন্নত, প্রগতিশীল রাষ্ট্র-ধারণা মাত্র এক-দু’ শতাব্দীর মধ্যে ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল, আফ্রো-এশিয়ায় শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্রব্যবস্থাসমূহ সাম্রাজ্যবাদের আঘাতে জর্জরিত হলো, রাষ্ট্রিক-সামাজিক স্থাপনাসমূহ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেল!
আফ্রো-এশিয়ার আরব-ভূখণ্ডে যে পরিশীলিত, স্বস্তিময়, সমৃদ্ধিময় ও শান্তিময় রাষ্ট্র, সমাজ ও রাষ্ট্রিক ব্যবস্থা বিরাজিত ছিল, সাম্রাজ্যবাদের ছোবলে তা নিঃশেষিত হয় এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর ইউরোপীয় মডেলে রচিত বিশ্বব্যবস্থা প্রণয়নের মাধ্যমে আফ্রো-এশিয়ায় সেই সুখময়, সমৃদ্ধিময় রাষ্ট্রিক ব্যবস্থার মূলোত্পাটন হয়।
ফিলিস্তিন সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে সাম্রাজ্যবাদী, ঔপনিবেশবাদী ইউরোপীয়দের যুদ্ধোত্তর প্রজন্ম, যাঁরা হব্স, মেকিয়েভেলী, থুসিডা ইডস-এর ক্ষমতাকেন্দ্রিক শাসনতত্ত্ব, স্বার্থান্ধ ধান্দাবাজতত্ত্ব দ্বারা পরিচালিত। সেই উপনিবেশবাদী কর্তৃত্বগিরির ধারক ও বাহক ইউরোপীয়দের মুকুটমনি ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত স্যার হেনরী ম্যাকমোহন এবং মক্কার মীরজাফর শেরীফ হোসেনের মধ্যে সম্পাদিত গোপন চুক্তির ফলে প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর আরব রাজনীতির মানচিত্র তৈরি হয়। অপরদিকে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ইহুদীদের মুকুটমনি ডক্টর থিওজোর হারজেল ইহুদী ধর্মের (Judaism) সাথে ইউরোপীয় স্বার্থান্ধ ধান্দাবাজতত্ত্ব যুক্ত করে ইহুদীবাদের রাজনৈতিক সংস্করণ (Jionism) প্রণয়ন করেন। এ জাতীয় আরো অন্যান্য কর্তৃত্ববাদী কৌশল অবলম্বন করে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালে ঐ মহাযুদ্ধে ব্রিটিশ ও মিত্র পক্ষকে অর্থনৈতিক, প্রযুক্তি ও ধারণাগত সহযোগিতা প্রদান করে বিশ্বের ইহুদীরা বর্তমান ইসরাইল রাষ্ট্র গঠনের গোপন চুক্তিসমূহ সম্পাদন করে।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে সাম্রাজ্যবাদীরা যে বিশ্বব্যবস্থা তৈরি করে বিশ্বশান্তি রক্ষার পরিকল্পনা করে, তা এতোই বৈষম্যমূলক ও অশান্তিময় ছিল যে, মাত্র দুদশক পার না হতেই আবার দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। বিখ্যাত বাস্তববাদী তাত্ত্বিক ই, এইচ, কার (carr) এ দুদশককে তাই যুদ্ধবিরতি (armistice) হিসেবে অভিহিত করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হলে সাম্রাজ্যবাদীরা পুনরায় তাঁদের মন মত অনুযায়ী যুদ্ধোত্তর বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলে।
এ প্রক্রিয়ার পাশাপাশি নতুন বিশ্বব্যবস্থায় সাম্রাজ্যবাদীদের সাথে ইহুদীবাদীদের (Zionists) গোপন চুক্তি অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যে তাদের সুদূরপ্রসারী স্বার্থ ও লক্ষ্য বাস্তবায়নে ইহুদীদের আবাসভূমি হিসেবে ইসরাইল রাষ্ট্রের সূত্রপাত করে। অদ্যাবধি সেই ইসরাইল রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, শক্তিময়তা, স্থায়িত্বের জন্য সাম্রাজ্যবাদীদের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রজন্ম, যাঁরা মর্গেনথু, (Morgenthau) কার, (carr) ওয়ালজ (waltz) গিলপিন (Gilpin) প্রমুখ বাস্তববাদী রাষ্ট্রতাত্ত্বিকদের (realists) অনুসারী, তাঁরা সার্বিক সহযোগিতা সরবরাহ করে আসছে। বাস্তববাদী পাশ্চাত্য শক্তিসমূহ কোনভাবেই মধ্যপ্রাচ্যে তাদের স্বার্থরক্ষাকারী ইসরাইলকে দুর্বল করার বা নিরাপত্তাহীন করার পরিবেশে নিক্ষেপ করবে না। পাশ্চাত্য শক্তির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ও লালিত-পালিত ইসরাইল রাষ্ট্র তাই সর্বদাই পাশ্চাত্যের সহযোগিতা পাবে— এটাই ঐতিহাসিক সত্য।
উপরিউক্ত ঐতিহাসিকতার চুলচেরা বিশ্লেষণ করলে আমরা বুঝতে পারি, ফিলিস্তিন সমস্যা সমাধানে পাশ্চাত্য কখনো অকপট হবে না, অস্থির হবে না। ফিলিস্তিন সমস্যা জীবিত থাকলেই তাঁদের লাভ। একটি স্থিতিশীল ফিলিস্তিনী রাষ্ট্র ইসরাইলের ভূ-রাজনৈতিক শত্রু। সে কারণে ইসরাইলকে শক্তিশালী করতে কেবল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকে রুখতে চাইবে সাম্রাজ্যবাদীরা।
এমতাবস্থায় ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের জন্য প্রয়োজন ফিলিস্তিনের শিশা-ঢালা জাতীয় ঐক্যের। একমাত্র নির্ভেজাল জাতীয় ঐক্যই কেবল ফিলিস্তিনকে স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশে অবদান রাখবে। দুর্ভাগ্যবশতঃ শোষিত-বঞ্চিত ফিলিস্তিনীরা বেশ দ্বিধাবিভক্ত। তাদের মধ্যে রয়েছে সাম্রাজ্যবাদের সাথে যোগ-সাজশের মাধ্যমে ‘স্বাধীনতার উপঢৌকন’ অর্জনের খায়েশীরা, রয়েছে বামপন্থী তাত্ত্বিকেরা, রয়েছে স্বাধিকার আন্দোলনের অকুতোভয় বিপ্লবীরা। এরা মূলত দ্বিধারায় বিভক্ত— হামাস ও ফাতাহ্। ফাতাহ্ এর অনুসারীরা বেশ কৌশল করে পাশ্চাত্যের সাথে তাল মেরে ফিলিস্তিনী রাষ্ট্র গঠনে চেষ্টা করেছে। কিন্তু তারা যে কত ‘ঘুমের ঘোরে’, তা হয়ত সম্প্রতি তারা ঠাওর করেছে। তবে হামাস সর্বদা ফিলিস্তিনী জাতীয়তা, জাতীয়তাবাদ, আরববাদ ও ফিলিস্তিনী সামাজিক-সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে স্বাধীন-সার্বভৌম ফিলিস্তিনের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করে আসছে। তাদের প্রতি পাশ্চাত্য খুব নাখোশ। হামাসকে তাই পাশ্চাত্যরা ‘সন্ত্রাসী’ হিসেবে অভিহিত করে আসছে।
মাঝে-মধ্যে হামাস ও ফাতাহ্ ঐক্য গড়ার প্রত্যয় জানিয়েছে, এক সুরে গানও গেয়েছে। কিন্তু জাতীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বহুমুখী ষড়যন্ত্রের মুখে হামাস-ফাতাহ্্ এর ঐক্য প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বারবার। সবশেষে গত ২৩ এপ্রিল তারা যে ঐক্যের সরকার (government of unity) গঠনে মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষর করেছে, তার ভবিষ্যত্ কে, এ মুহূর্তে তা বলা মুশকিল। তবে এতোটুকু বলা যায় যে, অন্তত ফিলিস্তিনের প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষগুলো ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেছে। যদি এ ঐক্যের চেতনা সুদৃঢ় হয়, তাহলে আমি নিশ্চিত যে ফিলিস্তিন অচিরেই তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌম রাষ্ট্র গঠনে সক্ষম হবে। পারস্য আরবের অবিসংবাদিত জননেতা মরহুম আয়াতুল্লাহ খোমেনী একবার আরব নেতাদের বলেছিলেন: ‘তোমরা প্রত্যেকে এক বালতি পানি এনে ইসরাইলের উপর ঢেলে দাও, ইসরাইল ডুবে যাবে।’ আমি নিশ্চিত এ মহান রাষ্ট্রনায়ক রাষ্ট্রচিন্তক, আরব-পারসিক নেতা আরব-ঐক্যের কথা বলেছিলেন। দুর্ভাগ্যবশত ফিলিস্তিনকে ঘিরে আরব রাষ্ট্রগুলো বহুধাবিভক্ত। স্বয়ং ফিলিস্তিনীরাও কয়েক ধারায় বিভক্ত।
ইতিহাস এ ক্ষণে ফিলিস্তিনের ওপর যে গুরু দায়িত্ব চাপিয়ে দিচ্ছে, তা হলো তাদের ইস্পাত-কঠিন জাতীয় ঐক্য। সেই সাথে আরব রাষ্ট্রগুলোও নিশ্চয়ই ফিলিস্তিনের সাথে সাথে ফিলিস্তিন সংক্রান্ত বিষয়ে আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দ্বিমতগুলো কমিয়ে আনবে। পারস্পরিক দ্বন্দ্ব-সংঘাত স্তিমিত হলেই কেবল ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব। ইতিমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বাস্তববাদী ওবামা ‘হামাস-ফাতাহ্’-এর ঐক্য চুক্তির খবরে খুব কষ্ট পেয়েছেন। ইসরাইল তো চলমান শান্তি প্রক্রিয়া প্রত্যাখ্যান করার স্পর্ধা দেখিয়েছে। সকল বৈরিতাকে জয় করতে হবে ফিলিস্তিনীদের। তাদের ঐক্যসুরে বিশ্বকে জানাতে হবে ইসরাইলের অবৈধতার কথা, ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রগঠনের আন্তর্জাতিক ও বাধ্যবাধকতার কথা। কেবল তাদের ঐক্যসুরই তাদের স্বাধীনতা এনে দেবে, পাশ্চাত্যের উপহার হিসেবে কখনো সে স্বাধীনতা অর্জিত হবে না।
লেখক:অধ্যাপক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়
mramin68@yahoo.com