গিগসে গার্দিওলার ছায়া দেখছেন লিন্ডেগার্ড

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তীকালীন কোচ রায়ান গিগসের মধ্যে পেপ গার্দিওলা হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন আন্দ্রেস লিন্ডেগার্ড। বার্সেলোনার কোচ হিসাবে সাফল্যের চরম শিখরে পৌঁছে যাওয়া গার্দিওলার মতো গিগসও ইউনাইটেডকে আবারো সেরার মর্যাদায় আসীন করবে বলেও জানিয়েছেন এই রেড ডেভিল গোলরক্ষক। মঙ্গলবার বিবিসি স্পোর্টসকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে লিন্ডেগার্ড বলেন, ‘অনেকে এটিকে অবিবেচিত সরল উক্তি বলে উল্লে¬খ করতে পারেন। তবে এটিই আমার ব্যক্তিগত অভিমত। আমরা নতুন এক গার্দিওলার সঙ্গে কাজ করছি।’ গত সপ্তাহে আমরা যা দেখেছি তা আশারও অতীত একটি কাজ। যেটি স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের কাজের সঙ্গে মিল রয়েছে। আর এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয় ইতিহাসের সবচেয়ে শ্রদ্ধাভাজন ওই ফুটবল কোচের কাছ থেকে রায়ান গিগস যে কিছু শিখেছেন। এটিই হচ্ছে তার প্রমাণ। মাত্র ১০ মাস কোচের দায়িত্ব পালনের পর ডেভিড ময়েসকে কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়ার পর ইউনাইটেডের অন্তর্বর্তীকালীন কোচের দায়িত্ব গ্রহণ করেন ক্লাবটির হয়ে সর্বাধিক ম্যাচে অংশগ্রহণের রেকর্ডধারী ফুটবল তারকা গিগস। ওই দায়িত্ব নিয়ে প্রথম ম্যাচেই বাজিমাত করেন গিগস। নিজেদের মাঠে আতিথেয়তা দিয়ে প্রিমিয়ার লীগের ম্যাচ খেলতে আসা নরউইচ সিটিকে ৪-০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত করে গিগসের ইউনাইটেড। লিন্ডেগার্ড মনে করেন, ৪০ বছর বয়সী এই মিডফিল্ডার তার এক সময়ের সতীর্থদের মধ্যে দারুণ অনুপ্রেরণার সৃষ্টি করেছেন। লিন্ডেগার্ড বলেন, ‘যখন কেউ জিজ্ঞেস করে খেলোয়াড়ী জীবন শেষ করে আমি কোচ হতে চাই কি-না তখন সে ব্যাপারে আমার অন্যরকম একটি পছন্দ আছে। কিন্তু গিগসের বিষয়টি ভিন্ন। নরউইচের বিপক্ষে খেলতে যাওয়ার আগে তার একটি উক্তি আমার কানে এখনো লেগে আছে। তিনি বলেছেন, আমি যেটুকু শিখেছি, যেটুকু অভিজ্ঞতা তার সবটুকুই স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের কাছ থেকে পাওয়া। সমর্থকদের হতাশ করবো না।’