সহজে বিশ্বাসে জয় নাকি ভরাডুবি?
প্রকাশ : ০৯ মে ২০১৪, ১৯:৩৭
মানুষকে বিশ্বাস করা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। কিন্তু খুব তাড়াতাড়ি কাউকে বিশ্বাস করে ঠকাটা মোটেও কাজের কথা নয়। আপনি কি মাঝেমধ্যেই এই ভুলটা করেন? তরুণকণ্ঠ’র এই আয়োজন থেকে আপনি জেনে নিতে পারেন আপনি কত তাড়াতাড়ি অন্যকে বিশ্বাস করেন।
১. কলেজে প্রথমদিন কারও সাথে আলাপ হলো। তিনি আপনার ব্যক্তিগত কথা জানতে চাইলেন। আপনি তখন—
ক. সঙ্গে সঙ্গে তাকে সবকথা খুলে বলবেন।
খ. একটু ভাববেন, প্রথম দিন বলা উচিত কিনা।
গ. কোনো ব্যক্তিগত কথা বলবেন না।
২. অল্প পরিচিত কেউ এসে টাকা ধার চাইলো। আপনি তখন—
ক. কিছু না ভেবেই টাকা দিবেন।
খ. ভেবে-চিন্তে তাকে টাকা দিবেন।
গ. ভালোভাবে না চেনার কারণে টাকা ধার দেবার প্রশ্নই ওঠে না।
৩. কোনো বন্ধুর ওপর রাগ করলেও কাউকে বলতে পারছেন না। এ সময় আরেক বন্ধু রাগের কারণ জানতে চাইলে। আপনি তখন—
ক. রাগের কারণটা বলবেন।
খ. একটু ভেবে তারপর বলবেন।
গ. কিছুতেই রাগের কারণ বলবেন না।
৪. উচ্চশিক্ষার জন্য বিদেশ যাওয়ার সুযোগ পাওয়ায় আপনি খুশিতে আটখানা। আপনি তখন—
ক. একটু চিন্তা করে কোনো বন্ধুকে খবরটা জানাবেন।
খ. সঙ্গে সঙ্গে আনন্দের খবরটা ক্লাসের বন্ধুদের জানাবেন।
গ. আনন্দের খবর কখনও বন্ধুদের জানাবেন না।
৫. বিশেষ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য প্রচুর পরিশ্রম করে নোট্স তৈরি করেছেন। কোনো বন্ধু এসে তা চাইলো। আপনি তখন—
ক. কিছুতেই তাকে নোট্স দেবেন না।
খ. একটু ভেবে তারপর দেবেন।
গ. বন্ধু বলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে নোট্স দেবেন।
আপনার অবস্থান কোথায়
০-১৫ :আপনি সহজেই কাউকে বিশ্বাস করেন না। কেউ কিছু জানতে চাইলে গভীর চিন্তা-ভাবনা করেন। খুব তাড়াতাড়ি যেমন মানুষকে বিশ্বাস করাটা উচিত নয়, তেমনই সবাইকে সবসময় অবিশ্বাস করলেও তো বিপদ, তাই না!
২০-৩৫ :আপনি মানুষকে বিশ্বাস করেন ঠিকই, তবে তাকে যাচাই না করে নয়। ব্যাপারটা একদিক দিয়ে ভালো, কারণ সেক্ষেত্রে বিশ্বাস করে ঠকবার সুযোগটা অনেক কম। এরকম মানসিকতা নিয়ে সারাজীবন চললে অনেক সমস্যাই সহজে কাটিয়ে উঠতে পারবেন।
৪০-৫০ :পরিচিত অপরিচিত সবাইকেই আপনি বিশ্বাস করেন। এটা নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনার মতো। কাজেই যাকে-তাকে বিশ্বাস করার আগে একটু সাবধান হওয়াই ভালো।
আপনার স্কোর
ক খ গ
১. ১০ ৫ ০
২. ১০ ৫ ০
৩. ১০ ৫ ০
৪. ৫ ১০ ০
৫. ০ ৫ ১০