আপ্তবাক্য দ্বারা এই বর্বরতা বন্ধ করা যাবে না
প্রকাশ : ১০ মে ২০১৪, ২০:৫৮
নারায়ণগঞ্জের সাত হত্যাকাণ্ড নিয়ে আমাদের সুশীল সমাজ খুব চঞ্চল হয়েছেন। চঞ্চল হওয়ারই কথা। এতোবড় বর্বর হত্যাকাণ্ড কোনো সভ্য সমাজে ঘটতে দেওয়া উচিত নয়; ঘটলে সকল মহলেরই তার প্রতিকারের জন্য সরব ও সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন। নারায়ণগঞ্জের হত্যাকাণ্ডে সুশীল সমাজের মুখচেনা নেতারা সরব হয়েছেন ভালো কথা। কিন্তু এই হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে প্রতিবাদের নামে কিছু আপ্তবাক্য উচ্চারণ করে এবং সরকারকে সকল কিছুর জন্য দোষারোপ করেই কি তারা দায়িত্ব শেষ করবেন, না এর প্রতিকারের পন্থা নির্দেশ করবেন এবং তা বাস্তবায়নের জন্য সক্রিয় কর্মসূচি নেবেন?
দেশ সন্ত্রাসে ভরে গেছে। ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনের আগে ছিল রাজনৈতিক সন্ত্রাস; নির্বাচনের পর এখন চলছে সোস্যাল ক্রাইম বা সামাজিক অপরাধের দাপট। সরকার রাজনৈতিক সন্ত্রাস দমনে অনেকটাই সাফল্যের পরিচয় দিয়েছেন। কিন্তু সামাজিক অপরাধ দমনে সাফল্যের পরিচয় দিতে পারছেন না। তার কারণ, এই সন্ত্রাসের দানব সরকারের দল এবং প্রশাসনের মধ্যেই নয়, সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে আস্তানা গেড়েছে। সুশীল সমাজের একশ্রেণীর নেতা ক্রমাগত বাঘ বাঘ বলে চিত্কার করছেন। কিন্তু এই বাঘটির অবস্থান আসলে যে কোথায় সে সম্পর্কে নীরব।
নারায়ণগঞ্জের সাত হত্যাকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে সিনিয়র আইনজীবী চন্দন সরকারও রয়েছেন। এই হত্যার প্রতিবাদে অনুষ্ঠিত আইনজীবীদের এক সভায় দেশের প্রবীণ আইনজীবী ড. কামাল হোসেন আবার হুঙ্কার ছেড়েছেন। বলেছেন, “বিচার ভিক্ষা চাওয়ার বিষয় নয়। এটা আমাদের নৈতিক অধিকার। অনেক সময় আমরা গুম হওয়ার ভয়ে চুপ করে থাকতাম। এখন আর আমরা চুপ করে থাকবো না। চন্দন সরকার জীবন দিয়ে আমাদের জাগ্রত করে গেছেন।”
শুধু এই কথাগুলো বলেই প্রবীণ আইনজীবী ক্ষান্ত হননি। বলেছেন, “চন্দন সরকারসহ সাত হত্যাকাণ্ড এখন আর শুধু নারায়ণগঞ্জের বিষয় নয়, এটা সারা বাংলাদেশের ষোল কোটি মানুষের বিষয়। আমাদের এই প্রতিবাদ সমাজের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে। বিচারের জন্য আমরা ২৫-৩০ বছর অপেক্ষা করতে পারবো না।”
খুবই চমত্কার কথা। “বিচার ভিক্ষা চাওয়ার বিষয় নয়” এটা সংবাদপত্রে খবরের চমত্কার শিরোনাম। পাঠক চমত্কৃত হবে। বক্তাকে বাহবা দেবে। কিন্তু যে বিচার ভিক্ষার বিষয় নয়, আমাদের নৈতিক অধিকার, তা প্রতিষ্ঠার জন্য সুশীল সমাজ ও সমাজপতিদের করণীয়টা কি? কেবল চিরাচরিত কালোব্যাজ ধারণ, মানববন্ধন, ক্যাজুয়াল বিক্ষোভ মিছিল, কয়েক ঘণ্টার অনশন এসবই কি? এগুলোতো কিবরিয়া হত্যা থেকে সাগর-রুনি হত্যা পর্যন্ত সকল হত্যাকাণ্ডেই পালিত হতে দেখা গেছে। সাবেক অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া হত্যাকাণ্ডে সারা দেশব্যাপী বিক্ষোভ দেখা দিয়েছিল। কিবরিয়ার পত্নী বেগম আসমা কিবরিয়ার নেতৃত্বে শুধু ঢাকায় নয়, ওয়াশিংটন ডি-সিতেও হত্যাকারীদের বিচার দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে। তাতে হয়েছেটা কি? নদীতে তরঙ্গ উঠে যেমন মিলিয়ে যায়, তেমনি বাংলাদেশেও এক-একটি ভয়াবহ সন্ত্রাসী ঘটনায় বড় তরঙ্গ সৃষ্টি হয়, তা আবার মিলিয়ে যায়। সুশীল সমাজ যথারীতি বক্তৃতা করে, টিভির টক শোতে গলাবাজি করে বাহবা কুড়ান।
ছোট-বড় কোনো অপরাধেরই বিচার চাওয়া অবশ্যই ভিক্ষার বিষয় নয়, তা নাগরিক অধিকার এবং তাদের নৈতিক অধিকারও। কিন্তু এ অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যও লড়াই করতে হয়। নইলে সাংবাদিক সভায় বা প্রতিবাদ সভায় অপরাধের প্রতিকারের জন্য কিছু রেটোরিক বা আপ্তবাক্য উচ্চারণ করে দায়িত্ব শেষ করা হবে তা ওই প্রতিকার চাওয়াকে ভিক্ষার বিষয়েই পরিণত করে। ব্রিটেনে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে গিয়ে ব্লেয়ার পীচ পুলিশের হাতে নিহত হন। পুলিশ তা ধামাচাপা দিয়েছিল। আইনজীবীরা বছরের পর বছর যুদ্ধ করে, তথ্যউপাত্ত বের করে পুলিশের অপরাধ প্রমাণ করেছিল এবং পুলিশকে অপরাধ স্বীকারে বাধ্য করেছিল। একই ঘটনা ঘটেছে কালো তরুণ স্টিফেন কিং হত্যার ব্যাপারে। সাংবাদিকদের ক্রমাগত তথ্য উদ্ধার এবং আইনজীবীদের দীর্ঘ কয়েক বছরের লড়াইয়ের পর পুলিশ প্রকৃত হত্যাকারীদের গ্রেফতারে বাধ্য হয়েছিল।
বাংলাদেশে এমন একটি ঘটনা কি কখনো ঘটেছে, যে একটি ভয়ানক অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর একশ্রেণীর সাংবাদিক উড়ো কথায় খই না ভেজে প্রকৃত তথ্য উদঘাটনে নিরলস চেষ্টা করেছেন, কিংবা আইনজীবীরা কেবল ক্ষমতাসীন সরকারের বিরুদ্ধে কিছু আপ্তবাক্য উচ্চারণ ছাড়া সংঘবদ্ধভাবে প্রকৃত অপরাধীকে বিচারের সম্মুখীন করা ও দণ্ডদানের ব্যাপারে নিরলস চেষ্টা করেছেন? তাদের এই প্রচেষ্টা না থাকার দরুনই দেশে একটির পর একটি ভয়ানক অপরাধ সংঘটিত হয়েছে; তা নিয়ে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মায়াকান্না হয়েছে যথেষ্ট; কিন্তু অপরাধ নিয়ে যতো চিত্কার, অপরাধীকে ধরা নিয়ে তার সিকিভাগ উদ্যোগ দেখা যায়নি। ড. কামাল হোসেন আজ বলছেন, “বিচার ভিক্ষা চাওয়ার বিষয় নয়।” কিন্তু তিনি যখন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রী ছিলেন, তখন কি নারায়ণগঞ্জের সাত হত্যাকাণ্ডের মতো ঢাকায় মহসীন হলে বর্বর ছাত্র হত্যাকাণ্ড ঘটেনি? সেই হত্যাকাণ্ডও ছিল ক্ষমতাসীন দলের সহযোগী ছাত্র সংগঠনে অন্তর্দ্বন্দ্বের পরিণতি। সেই সাত হত্যাকাণ্ডের অপরাধীদের বিচার ও দণ্ডদান কেন বিলম্বিত হয়েছিল? তারপর বিচারে যে অভিযুক্তের চৌদ্দ বছর সশ্রম কারাদণ্ড হয়েছিল, তাকে যখন সামরিক শাসক জিয়াউর রহমান তার ক্ষমতার স্বার্থে জেল থেকে মুক্ত করে এনে রাজনীতিতে পুনর্বাসিত করেন, তখন ড. কামাল হোসেন এবং তার সমমনা আইনজীবী ও সুশীল সমাজের নেতারা সংঘবদ্ধ হয়ে তার প্রতিবাদ জানাননি কেন?
পরবর্তীকালে হাসিনা আমলে আওয়ামী লীগেরই এক প্রভাবশালী নেতাকে যখন দলের সহকর্মী হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে শেখ হাসিনা দল থেকে বহিষ্কার করেন, তখন তাকে লুফে নিয়ে ড. কামাল হোসেন কেমন করে স্বীয় দলের নেতা বানান? একটি ছোট অপরাধকে প্রশ্রয় দেয়া হলেও সাতটি বড় অপরাধ জন্ম নেয়। একথাটি কি আজ বাংলাদেশের বেলায় সত্য নয়? স্বাধীনতার পর থেকে একটার পর একটা সন্ত্রাস ও হত্যাকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেয়ার ফলে সেই সন্ত্রাসের বীজ থেকে আজ মহীরুহ তৈরি হয়েছে। কেবল আপ্তবাক্য আউড়ে এই মহীরুহের মূলোচ্ছেদ করা যাবে কি?
ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘নারায়ণগঞ্জের হত্যাকাণ্ডের বিচারের জন্য আমরা ২৫-৩০ বছর অপেক্ষা করতে পারবো না।’ তাহলে নারায়ণগঞ্জের হত্যাকাণ্ডের চাইতেও ভয়াবহ ’৭১-এর যুদ্ধাপরাধের বিচারের জন্য ৪২ বছর অপেক্ষা করলেন কেন? দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সাড়ে তিন বছর তিনি এবং তার সরকার ক্ষমতায় ছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের উদ্যোগ শুরু করলেও তা দ্রুত সমাধা করার ব্যবস্থা কেন নিলেন না? মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পরও তিনি ছিলেন দেশের প্রভাবশালী আইনজীবী ও রাজনৈতিক নেতা। তার চোখের সামনেই যুদ্ধাপরাধীরা দেশে ক্ষমতায় আরোহণ করেছিল। তিনি আইনজীবীদেরও নেতা ছিলেন। তিনি এই ঘৃণ্য অপরাধীদের বিচারের নৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তখন কেন সক্রিয় ও সরব হননি? শহীদ জননী জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে পরিচালিত একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল আন্দোলনের সঙ্গেই বা তার কতোটা সম্পৃক্ততা ও সংশ্লিষ্টতা ছিল?
এই প্রবীণ আইনজীবী একটি মজার কথা বলেছেন। তিনি নাকি গুম হওয়ার ভয়ে অনেক সময় অপরাধের বিচার চেয়ে মুখ খুলেননি। বাংলাদেশে একটার পর একটা রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক হত্যা, গুম, অপহরণ, ধর্ষণ ইত্যাদি ঘটনা ঘটছে। চলছে অব্যাহত নারী ও সংখ্যালঘু নির্যাতন। কিবরিয়া হত্যা, আহসানউল্লা মাস্টার হত্যা, হুমায়ুন আজাদ হত্যা প্রচেষ্টা, হাসিনার সভায় গ্রেনেড হামলা ও অসংখ্য হত্যা, ইলিয়াস আলীর গুম হয়ে যাওয়া, সাগর-রুনি হত্যা ইত্যাদি প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই কি প্রতিবাদে শুধু আপ্তবাক্য উচ্চারণ না করে প্রতিকারের জন্য সক্রিয় ও সংঘবদ্ধ হলে তিনি গুম হয়ে যেতেন? দেশে রাজনৈতিক ও সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে আইনজীবী ও সুশীল সমাজ অদলীয়ভাবে সংঘবদ্ধ ও সক্রিয় হলে তারা সকলেই কি গুম হতেন? দেশে বহু গুম, খুন, অপহরণ হয়েছে। কিন্তু ড. কামাল হোসেনের মতো শীর্ষ পর্যায়ের কোনো আইনজীবী কি এখন পর্যন্ত নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন? আর অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে গেলে যদি গুম, খুন হওয়ার ভয়ে কাঁপতে হয়, তাহলে রাজনীতি করা কেন? তাহলে তো মাঝে মাঝে আপ্তবাক্য উচ্চারণ না করে ঘরে সুশীল বালক হয়ে বসে থাকাই ভালো।
নারায়ণগঞ্জের ঘটনার পরও দেশে ত্রিশটির মতো অপহরণের ঘটনা ঘটেছে। একজন ছোট ব্যবসায়ীর কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায় করতে গিয়ে ছাত্রলীগের ৫ জন কর্মকর্তা গ্রেফতার হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন কেন্দ্রীয় নেতাও রয়েছেন। দেশে ছাত্র রাজনীতি আজ অধঃপতনের কোন্ পাতালে নেমে গেছে এটা তার প্রমাণ। বৃহত্তর সমাজের দুর্বৃত্তায়ন আজ ছাত্রসমাজেও প্রতিফলিত হয়েছে। গোটা দেশ ও জাতি আজ এক ভয়াবহ ধসের মুখোমুখি। এই সময় রোমের রাজা নীরোর মতো আগুনের মাঝখানে বসে আপ্তবাক্যের বাঁশি বাজালে তো চলবে না। লড়াইয়ের বাঁশ হাতে সুশীল সমাজকেও মাঠে নামতে হবে। তা তারা পারবেন কি?
অপরাধ দমনে সরকারের দায়িত্ব রয়েছে। নারায়ণগঞ্জের সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ড এই দায়িত্ব পালনে সরকারের এক বিরাট ব্যর্থতা তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু অপরাধ যখন গোটা সমাজকে গ্রাস করে তা দমনে নাগরিক সমাজেরও দায়িত্ব রয়েছে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আইনজীবীদের দায়িত্বও বিরাট। এই দায়িত্ব পালন না করে কেবল বাঘ বাঘ বলে চিত্কার করে কোনো লাভ হবে না। নারায়ণগঞ্জের ঘটনা নিয়ে তদন্ত কার্যের যাতে সাতদিনের মধ্যে রিপোর্ট দেয়া হয় উচ্চ আদালত তার নির্দেশ দিয়েছেন। এই নির্দেশ যাতে পালিত হয় সেদিকে নাগরিক সমাজ ও সুশীল সমাজের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও বিচার যাতে অতীতের অনেক তদন্ত ও বিচারের মতো ঝুলে না যায়, সেদিকে নাগরিক সামজের— বিশেষ করে দলমত নির্বিশেষে সকল আইনজীবীর লক্ষ্য রাখা দরকার।
অভিযুক্ত এক র্যাব কর্মকর্তার পরিচয় তিনি বর্তমান সরকারের এক প্রভাবশালী মন্ত্রীর জামাতা। তার সঙ্গে এই মন্ত্রীর এক পুত্রেরও যোগসাজশের অভিযোগ উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের তদন্তকে নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত রাখার স্বার্থেই এই মন্ত্রী স্বেচ্ছায় পদত্যাগ করা উচিত। অন্যান্য দেশে এর চাইতে ছোট ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগের নজির রয়েছে। মন্ত্রীর পদত্যাগ না করলে প্রধানমন্ত্রীকেই এই ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। সরকার যাতে এই ব্যবস্থাটি করেন, সেজন্যে সুশীল সমাজ ও আইনজীবী সমাজের চাপ সৃষ্টি করা উচিত।
নারায়ণগঞ্জের ঘটনায় দেশের সর্বস্তরের মানুষ অবশ্যই শঙ্কিত। গুম, খুন,অপহরণের ভয়ে সাধারণ মানুষের মনেও শান্তি ও স্বস্তি নেই। মহসীন হলের সাত হত্যাকাণ্ড যেমন একদিন দেশের রাজনীতিতে ভয়ানক অশুভ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছিল; নারায়ণগঞ্জের সাত হত্যাকাণ্ডও বর্তমানে দেশের রাজনীতিতে সেই অশুভ প্রতিক্রিয়ার সূচনা করতে পারে। সুতরাং আপ্তবাক্য উচ্চারণের দ্বারা দায়িত্ব পালন করতে গেলে দায়িত্বহীনতার চূড়ান্ত প্রমাণ দেখানো হবে। নাগরিক সমাজ ঐক্যবদ্ধ হোন। এই বর্বর সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ভেদাভেদ ভুলে লড়াইয়ের জন্য মাঠে নামুন। সুশীল সমাজের নেতারা উপদেশের অমৃত বচনের গজদন্ত মিনার থেকে বাস্তবতার মাঠে নেমে আসুন। লড়াইয়ে নামুন। দেশের মানুষকে পথ নির্দেশ দিন। নইলে আপ্তবাক্যে এই অব্যাহত বর্বরতা বন্ধ হবে না, গণ শত্রু মাফিয়াতন্ত্র ধ্বংস হবে না।
[ লন্ডন ১০ মে, শনিবার, ২০১৪ ]