গরমে স্বস্তিময় মেকআপ

গরমে দিনে বা সন্ধ্যার অনুষ্ঠানে মেকআপ বেশি হলে পুরো সাজটাই মাটি। তাই গরমে দিনে আপনাকে মেকআপ করতে হবে হালকাভাবে যাতে আপনি ফ্রেশ থাকতে পারেন। গরমে ফ্রেশ থাকার জন্য পারফেক্ট মেকআপ নিয়ে এবারের আয়োজন। রূপ বিশেষজ্ঞদের সাথে কথা বলে লিখেছেন খালেদ আহমেদ গরমের সময় মেকআপ করা খুবই মুশকিল। বেশিক্ষণ মেকআপ ফ্রেশ থাকে না। বিশেষ করে দিনের বেলায় সহজেই মেকআপ গলে যায়। গরমের সময় মেকআপ করতে হবে ‘সফট অ্যান্ড ডেলিকেট’। সামারে অন্যান্য সময়ের থেকে আলাদা মেকআপে কী রঙের ব্যবহার করবেন সেটার দিকে খেয়াল রাখা দরকার। যেমন—গরমের সময় উপযুক্ত ওয়াটার বেসড ও পাউডার মেকআপ, লিপ কালারের মভ, পিংক কালার ব্যবহার করতে পারেন। স্কিন টোন ও পোশাক অনুযায়ী মেকআপের রং বেছে নিন। গরমের সময়ে মেকআপ কী রকম হলে ভালো হয়, সেই নিয়ে ভুল ধারণার শেষ নেই। তাই মেকআপ করতে গিয়ে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। মেকআপ করার সঠিক পদ্ধতি জেনে নিন। স ন্ধ্যা র মে ক আ প  সন্ধ্যার মেকআপে কালার টোনে ন্যাচারাল লুক মেনটেন করার চেষ্টা করুন। কপালে, নাকে ও থুতনিতে ফাউন্ডেশন লাগান। তারপর ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে পুরো মুখে ফাউন্ডেশন লাগান। গোল্ডেন গ্লো দিতে চাইলে গোল্ড টিন্টেড পাউডার ব্যবহার করতে পারেন।  হেলদি গ্লো তৈরি করার জন্য পাউডার ব্লাশার ব্যবহার করুন। চিকবোনে আঙুলের ডগা দিয়ে ব্লাশার লাগান। তারপর ব্রাশ দিয়ে আপওয়ার্ড ও আউটওয়ার্ড স্ট্রোকে ব্লেন্ড করুন। সবসময় খেয়াল রাখুন যেন কোনো কিছু অতিরিক্ত মনে না হয়। পিচ বা পিঙ্ক ব্লাশার ব্যবহার করুন।  আই মেকআপে শাইন আনতে চাইলে ব্রাউন, গোল্ড কালার, আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। চোখের পাতা ও ভ্রূয়ের মাঝের অংশে ব্রাউন আইশ্যাডো লাগান। ভ্রূয়ের নিচের অংশে গোল্ড, আইভরি বা লাইট কালারের আইশ্যাডো ব্যবহার করুন। আইলাইনার হিসেবে ব্ল্যাক বা ব্রাউন কালার বেছে নিতে পারেন। আইশ্যাডোর জন্য সিলভার বা শিমারিং ব্রোঞ্জও ভালো। হোয়াইট পার্লি শিমার ব্যবহার করতে পারেন।  পিংক, ডার্কপিংক রোজ, কোরাল বা ব্রোঞ্জ কালারের লিপস্টিক ব্যবহার করুন। দি নে র মে ক আ প  দিনের মেকআপে ফাউন্ডেশন না ব্যবহার করাই ভালো। কমপ্যাক্ট পাউডার বা ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার ব্যবহার করতে পারেন। ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে ওয়াটার বেসড ফাউন্ডেশন বেছে নিন। কেক ফাউন্ডেশন ব্যবহার করতে পারলে সব থেকে ভালো হয়।  চোখের পাতার নিচের অংশে আইলাইনার বা কাজলের পরিবর্তে ব্রাউন আইশ্যাডো লাগান। হাল্কা মাসকারাও লাগাতে পারেন। আইল্যাশ কোম্ব দিয়ে চোখের পাতা ভালো করে ব্রাশ করে নিন। মে ক আ প বে শি ক্ষ ণ ফ্রে স রা খা র জ ন্য  তৈলাক্ত ত্বকে ফাউন্ডেশন বা পাউডার লাগানোর আগে অ্যামট্রিনজেন্ট লোশন দিয়ে মুখ পরিষ্কার করে নিন। তারপর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করে ফাউন্ডেশন লাগান। গরমের সময় মেকআপ সহজে ঘেমে যাবে না।  বড় লোমকুপের মুখ বন্ধ করতে পরিষ্কার কাপড়ে আইস কিউব জড়িয়ে মুখ মুছে ফেলুন।  বেশিক্ষণ ফ্রেস থাকতে হলে, ঘাড়, গলায় ও মুখে পাউডার লাগানোর সময় হালকা স্পঞ্জ ব্যবহার করুন। কমপ্যাক্ট পাউডার সহজে সেট করবে। লুজ পাউডারের থেকে কমপ্যাক্ট পাউডার বেশিক্ষণ থাকে আর স্মুদ ফিনিশ দেয়। কমপ্যাক্ট পাউডার, মেকআপ রিটাচ করার জন্য ক্যারি করুন।  মেকআপ চড়া হয়ে গেলে কিছুটা মেকআপ রিমুভ করার জন্য টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।  লিক্যুইড আই লাইনার ব্যবহার করুন।  লিপস্টিক লাগানোর আগে ঠোঁটে কিছুটা ফাউন্ডেশন লাগান। লিপস্টিক সহজে উঠে যাবে না। চুল খোলা রাখলে লিপগ্লস না লাগালেই ভালো। চুল এলোমেলো হয়ে উড়ে এসে লিপগ্লসে আটকে যেতে পারে। মে ক আ প কি টে র জ ন্য টি প স  ফাউন্ডেশন যেকোনো মেকআপের বেস। ফাউন্ডেশনের উপর নির্ভর করে আপনার মেকআপের স্বাভাবিকতা। সেইজন্য ফাউন্ডেশন হতে হবে নিজের স্কিন টাইপ এবং স্কিন টোননির্ভর। মুখের কোনো অংশ হাইলাইট করার জন্য ব্যবহার করতে হবে লাইট শেড। মুখের দুর্বলতা ঢাকতে গাঢ় শেড। মুখে ও গলার ত্বকে ফাউন্ডেশন লাগাবার পর ভালো করে ব্লেন্ড করে দেওয়া খুবই জরুরি।  কমপ্যাক্ট বা ফেস পাউডার ফাউন্ডেশনকে ত্বকের উপর সেট করতে সাহায্য করে। কমপ্যাক্ট লাগাতে হবে ‘টি’ জোনে (কপাল, ঠোঁট, থুতনি)। কনসিলার, মুখের যেকোনো দাগ বা চোখের কালি ঢেকে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কনসিলার মুখের উজ্জ্বলতাও বাড়ায়। ফাউন্ডেশন লাগাবার পর যেসব মুখের যেসব অংশে খুঁত দেখা যাচ্ছে, সেসব জায়গায় কনসিলারের সাহায্যে মেরামত করে নিন।  আপার মুখের সব েসুন্দর অংশগুলো উজ্জ্বল করে তোলে ব্লাশ। তবে ব্লাশ একটু সাবধানে লাগানোই ভালো।