তারুণ্যের অন্যলোক
প্রকাশ : ১৬ মে ২০১৪, ১৯:৫৭
দে খা র ছ বি
মাই সিস্টার্স কিপার
আরও যা দেখতে পারেন
দ্য আদার ওমেন
ব্রিক ম্যানশনস
ট্রান্সেনডেন্স
দ্য কোয়াইট ওয়ান্স
ব্রায়ান এবং সারা ফ্রিটয জেরাল্ড দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান কেট জন্ম নেওয়ার পর শৈশবেই তার ধরা পরে লিউকোমিয়া। ডাক্তারের ভাষ্য অনুযায়ী কেটের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা একমাত্র নির্ভর করছে জেনেটিক ম্যাচ আছে এমন কারো নিয়মিত ডোনেশনের ওপর। বাবা-মা এবং প্রথমে জন্ম নেওয়া বড় ভাই কারোই পজিটিভ ম্যাচ না হওয়াতে ফ্রিটয জেরাল্ড দম্পতি সিদ্ধান্ত নেয় আরেকটি সন্তান নেওয়ার যার ডোনেশনেই বেঁচে থাকবে কেট। এভাবেই পৃথিবীতে এনার আগমন। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় যখন এনার ১৫ বছর বয়সে কেটের কিডনি ফেইলিউর হয়। তখন এনাকে তার মা চাপ দিতে থাকে কিডনি ডোনেট করার জন্য। কী অদ্ভুত। এনা যখন জানতে পারে সে যদি এই বয়সে কিডনি দান করে তবে তার সামনের জীবন হয়ে যাবে সাদাকালো। চিয়ার লিডার হওয়ার স্বপ্ন তার অপূর্ণই থেকে যাবে, হয়তো কলেজে ফুটবল খেলাও আর হয়ে উঠবে না। আবার অন্যদিকে বোনকে বাঁচনোর জন্য পরিবারের সবার চাপ। ছবিটি দেখার পর বিষণ্ন করা ভালোলাগায় ছেয়ে যাবে আপনার সন্ধ্যা।
০০০০
প ড়া র ব ই
একাত্তরের ডায়েরী
আরও কিছু পড়তে পারেন
দ্য কালেক্টরস
দ্য গোল্ডফিঞ্চ
দ্য স্পেস বিটুইন
হেভেন ইজ ফর রিয়েল
সুফিয়া কামালের মার্চ মাসে অসহযোগ আন্দোলনের সময় ঢাকায় অনুষ্ঠিত নারীদের সমাবেশে ও মিছিলে নেতৃত্ব দেন তিনি। পাকিস্তানের পক্ষে স্বাক্ষর দান প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে পাকিস্তান বাহিনী তার উপর কড়া নজর রেখেছিল। বাড়ির সামনে সবসময় সেনাবাহিনী থাকত। মুক্তিযুদ্ধের পুরো নয় মাস তিনি ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের নিজস্ব বাসাতে ছিলেন। জীবন-মরণের এই চরমতম সন্ধিক্ষণে প্রতি মুহূর্তে টেনশনের মধ্যে থেকেও নয় মাসে তিনি প্রতিদিনের ঘটনার বর্ণনা এবং তার তাত্ক্ষণিক প্রতিক্রিয়া ডায়েরিতে লিখে রাখতেন। যা পরবর্তীতে ‘একাত্তরের ডায়েরী’ নামে প্রকাশিত হয়। মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতিত নারীদের আশ্রয় দিতে, নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে দিতে এবং নিরাপদ আশ্রয়ে পাঠিয়ে দিতে যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন। ১৯৭১ সালে লেখা সুফিয়া কামালের দিনলিপিতে উঠে এসেছে একাত্তরের যুদ্ধকালীন সময়ের যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের নানা মুহূর্ত। যা ওই সময়ের আতঙ্কগ্রস্ত, বিধ্বস্ত জীবনকে উপলব্ধি করতে পাঠকদের সহায়তা করে।
০০০০
শো না র গা ন
তারেক মাসুদের গান
আরও কিছু শোনার গান
কস্টিক লাভ
লাভ ইন দ্য ফিউচার
মিট দ্য ভ্যাম্পস
প্রয়াত নন্দিত চলচ্চিত্র পরিচালক তারেক মাসুদের লেখা ২০টি গান নিয়ে সাজানো এ অ্যালবাম। প্রকাশ করেছে লেজার ভিশন। অ্যালবামের নাম রাখা হয়েছে ‘তারেক মাসুদের গান’। চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য যে ধরনের আয়োজন ও ব্যবস্থাপনার ঝক্কি পোহাতে হতো, গান লেখার ক্ষেত্রে তা ছিল না। তাই বিষয়টিকে তারেক মাসুদ সব সময়ই ভীষণ উপভোগ করত। গীতিকার হিসেবে তারেক ব্যবহার করত আ. তা. মাসুদ নামটি। এই নামটি ছিল তারেক মাসুদের আরেকটি সত্তার পরিচায়ক। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তারেকের গান লেখায় প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে লোকসংগীত। তারেক মাসুদের লেখা প্রথম গানটি হলো ‘শ্যাম চাচা গেল কোথায়’। কীর্তন ঢঙের গানটি ব্যবহার করা হয় ‘মুক্তির গান’ ছবিতে। চলচ্চিত্রের বাইরেও নানা সময় এবং নানা উদ্দেশ্যে গান লিখেছিলেন তিনি। সেগুলোও রয়েছে এই অ্যালবামে। গানগুলো বাংলার ঐতিহ্য ও শেকড়ের গান।