আবারও গোলশূন্য ড্র করলো আবাহনী ও শেখ জামাল

আবাহনী ও শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের গোল শূন্য ম্যাচের শেষ বাঁশি বাজার সাথে সাথে দুই দলের দুই খেলোয়াড়দের মধ্যে শুরু হয়ে গেলো হাতাহাতি। আবাহনীর পুর্তগীজ সুয়ারেস এবং জামালের হাইতির ওয়েডসন। হাতাহাতি থেকে ঘটনা মোড় নিল রেফারী মিজানুর রহমানের দিকে। দুই দলের খেলোয়াড়রা রেফারীকে ঘিরে ধরলেন। জানা গেলো রেফারী কম সময় খেলিয়েছে। ম্যাচ ড্র হওয়ায় ক্ষতিটা হয়েছে শেখ জামালের। কারণ পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে থাকা শেখ জামাল কাল আবাহনীকে হারাতে পারলে ব্যবধানটা আরো বাড়িয়ে নিতে পারতো। আবাহনী সেটা করতে দেয়নি। আর এই ড্রয়ে আবাহনীর অবস্থান আগের মতোই দ্বিতীয় থাকলো। আবাহনী কাল ম্যাচ জেতার মতো সুযোগ আদায় করে নিয়েছিল দুয়েকবার। কিন্তু ওসে মরিসন এবং ইব্রাহিম দলকে এগিয়ে নিতে পারেননি। শেখ জামালের আক্রমণভাগে সনি, ডার্লিংটন এবং ওয়েডসন দায়িত্ব পালন করেন। কিন্তু ইনজুরির কারণে ডার্লিংটন কাল খেলতে পারেননি। তার অনুপস্থিতির কারণে একটা সাইড দুর্বল ছিল তার পরও শেখ জামাল সুযোগ তৈরি করেও পষল তুলতে পারেনি। আবাহনীর ডিফেন্ডার ওয়ালী ফয়সালের বদলে সেরা একাদশে খেলতে নামা সৈকতের কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে শেখ জামালের নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড ওয়াসিও বল নিয়ে গোল মুখে ঢুকে যান। বাঁ দিকে ক্রস করলেই ফাঁকায় দাঁড়ানো ওয়েডসন গোল আদায় করে নিতে পারে। কিন্তু নিজে গোল করতে গিয়ে দেখেন পেছন থেকে দৌড়ে এসে সৈকত বল নিয়ে নেন। দ্বিতীয়ার্ধে শেখ জামালের সনি নর্দে বল নিয়ে আবাহনীর পোষ্ট খুঁজে পেলেও সনির শট বাঁক খেয়ে পোষ্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। ৫৯ মিনিটে শেখ জামালের লিংকন লালকার্ড পান। লিংকন মিশুকে আঘাত করলে মিশু মাটিতে শুয়ে পড়ে দাপাদাপি করতে থাকেন। রেফারী মিজানুর রহমান লিংকনকে লালকার্ড দেয়ার সাথে সাথে সুস্থ হয়ে যান। শোয়া থেকে উঠে খেলতে শুরু করেন। লিগের প্রথম ম্যাচে আবাহনী শেখ জামাল গোল শূন্য ড্র হয়েছিল।