ভারতে নির্বাচনের ফলাফল ও বাংলাদেশের রাজনীতি
প্রকাশ : ২০ মে ২০১৪, ২১:৫৩
ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য কী কোন তাত্পর্য বহন করে ? বিশেষ করে বাংলাদেশে বর্তমান সরকারের সাথে বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারের সম্পর্কটা কেমন হবে ? এই প্রশ্নকে কেন্দ্র করে অনেক ধরনের মন্তব্য করা হচ্ছে! সাধারণত এটি ধরে নেয়া হয় যে নির্বাচনের মাধ্যমে ভারতের সরকার পরিবর্তিত হলেও সরকারের নীতি বিশেষত পররাষ্ট্র নীতির ক্ষেত্রে তেমন কোন পরিবর্তন হয় না। এই সাথে এটিও ধরে নেয়া হয় যে, মৌলিক ভাবে ভারত ও পাকিস্তানের সাথে যে পার্থক্য বাংলাদেশের সাথে ভারতের সাথে সেই পার্থক্যের সূত্রেই ঐতিহাসিক সৌহার্দ্য রয়েছে। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভারতের সরকার ও জনগণ সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করেছে। ভারত বাংলাদেশের প্রায় এক কোটি শরণার্থীকে আশ্রয় দিয়েছে। হ্যাঁ, এটি সত্য যে তখন যে সরকার দিল্লির ক্ষমতায় ছিল সেটি ছিল কংগ্রেস দলীয় সরকার । অপরদিকে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে যে দলটি তখন নেতৃত্ব দিচ্ছিল সেটি হলো আওয়ামী লীগ। তবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ভারতের এই সহযোগিতার ভাগিদার ভারতের সব রাজনৈতিক শক্তি। বিজেপি নিশ্চয় ভারতের এই অবদান ও গর্ব থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখবে না। অতএব এটি সহজেই অনুমেয় যে আওয়ামী লীগ ও কংগ্রেস দলীয় সরকারের মধ্যে সম্পর্কটা ঐতিহাসিক এবং বাস্তবসম্মত হলেও সেই সম্পর্কটা মূলত ভারত ও বাংলাদেশের সাথে। দুটি দেশের সাথে। এক্ষেত্রে দুই দেশের সম্পর্কটা দুটি দলের ব্যাপার হিসেবে গণ্য করা ‘ধারণাগত’ হলেও তা বাস্তব ভিত্তিক হওয়া প্রায় অসম্ভব ব্যাপার। তার মানে এই যে এই সম্পর্ক দেশ ও জনগণের স্বার্থের বাইরে কোন কিছু নয়। কংগ্রেস সরকারের সাথে সুসম্পর্ক হবার সাথে সাথে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সাথে দিল্লির অকংগ্রেসীয় সরকারের সাথে চুক্তি করা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখার নজির ইতোমধ্যেই সৃষ্টি হয়েছে। অতএব, এবারের বিজেপি সরকারের সাথে আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক হবে এটি অস্বাভাবিক নয়, স্বাভাবিক। তবে এই সম্পর্ক অব্যাহত রাখার ক্ষেত্রে উভয় দেশের সরকারকেই আন্তরিকতার পরিচয় দিতে হয়। এটি বলা বাহুল্য যে, নরেন্দ্র মোদীর মত একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিকের নেতৃত্বাধীন সরকার বর্তমানের বাংলাদেশের অভিজ্ঞ রাজনীতিক জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের সাথে আন্তরিকতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে চলবে, এটিই স্বাভাবিক।
২০১৪ সালের ১৬ মে ঘোষিত ভারতের ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল দেশটির রাজনীতিতে প্যারাডাইম শিফ্ট হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে। ৫৪৩ আসন বিশিষ্ট ভারতীয় আইন সভার নিম্নকক্ষ, লোকসভার এবারের নির্বাচনের ফলাফলে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) একাই পেয়েছে ২৮৪টি আসন আর জোটবদ্ধভাবে ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স (এনডিএ) পেয়েছে ৩৩৭টি আসন। কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ অ্যালায়েন্স (ইউপিএ) পেয়েছে ৫৯টি আসন, জয়াললিতার এআইডিএমকে ৩৭, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস ৩৪, বামফ্রন্ট ১২ টি আসন লাভ করেছে। গুজরাট রাজ্যের তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র ভাই দামোদাস মোদী ২১ মে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করবেন।
কৌতূহলীমহল অপরিহার্যভাবেই ১৬তম লোকসভা নির্বাচনের ফলাফলের বিশাল ব্যবধানের দিকে নজর দিবে: মোদী সুনামির ভয়ঙ্কর আকৃতি; কংগ্রেসের শোচনীয় পরাজয়; সম্ভাবনা বা প্রত্যাশার অতিশয় বেদনাদায়ক বিপর্যয় এবং বিধ্বস্ত ক্ষতি । নতুন এক নেতার অধীনে এ এক নতুন যুগ, যেখানে বংশনাম ‘গান্ধী’ এখনো একটি আসন লাভ করতে পারে তবে আর কোন নির্বাচনে নয়, যেখানে সংখ্যালঘু ভোট টিকে থাকার জন্য প্রয়োজনীয়; যেখানে আঞ্চলিক জোটগুলোর আর প্রয়োজন নেই। তবে ঐতিহাসিক বিজয় কেবল যেটি আর সত্য বলে গণ্য করা হয় না। এ মুহূর্তের মানুষটি হচ্ছে নরেন্দ্র মোদী। তবে আসল কাহিনী অধিকতর উত্তমরূপে বলা ও অনুধাবন করা হবে যদি আমরা চরমভাবে নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতার বর্ণালি ফলাফলের দিকে লক্ষ্য করি।
১৯৯৮ সালে রাষ্ট্রীয় লোকদল প্রতিষ্ঠা করার পর থেকে উত্তর প্রদেশের খ্যাতনামা জাট নেতা অজিত সিং এই আসনে বিজয়ী হয়ে আসছিলেন। সেই অজিত সিং প্রথমবারের মত বিজেপি প্রার্থী মুম্বাইয়ের সাবেক পুলিশ কমিশনার সত্যপাল সিংয়ের নিকট পরাস্ত হন। আর সম্ভবত এটিই উত্তর প্রদেশে মোদী তরঙ্গের আকৃতি ও শক্তির সর্বোত্তম প্রতীক। এটি আসলে ছিল একটি সুনামি যেমনটি অমিত শাহ ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন। বিজেপি’র সমর্থনে জাট ভোটের নজিরবিহীন সংহতি উত্তর প্রদেশ রাজনীতিতে দলটির পরিপূর্ণ প্রাধান্যের চিহ্ন হিসেবে স্বীকৃত। এই সাথে প্রদেশে সমাজবাদী পার্টির চলমান শাসনের দিকে নজর দিতে পারি। সমাজবাদী দল জাট ও মুসলিম ভোটারদের নির্বাচনে বিজয়ের জন্য কাজে লাগিয়ে আসছিল তবে সেই হিসেব এবারের মোদী-ঝড়ে ওলট পালট হয়ে গিয়েছে। যদি মোদী হিন্দিভাষী অঞ্চলকে গেরুয়া রঙয়ে রাঙিয়ে দিতে পারেন তাহলে পর্যবেক্ষকমহল নিশ্চিতভাবেই ভবিষ্যদ্বাণী করছেন যে সুদীর্ঘকালব্যাপী বিজেপি অপরাজেয় থাকবে।
উত্তর প্রদেশের বারানসীতে এবার আম আদমী পার্টির অরবিন্দ কেজরিওয়াল চমক দেখাতে চেয়েছিলেন। দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রী শিলা দীক্ষিতকে পরাস্ত করতে পারার কারণে তাঁর আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছিল। তিনি দিল্লীর মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে পদত্যাগ করে বারানসীতে দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু এই আসনেও নরেন্দ্র মোদী জয়লাভ করেছেন। মহারাষ্ট্রের মুম্বাই দক্ষিণ এবং উত্তর মধ্য মুম্বাই আসনের কথা এ প্রসঙ্গে বলা যেতে পারে। মুম্বাই দক্ষিণ-এ শিব সেনা প্রার্থী অরবিন্দ সাওয়ান্ত-এর নিকট মিলিন্দ দেওড়া পরাস্ত হয়েছেন। অপরদিকে মুম্বাই নর্থ সেন্ট্রাল-এ জনপ্রিয় প্রিয়া দত্ত হেরে গিয়েছেন বিজেপির পুনম মহাজনের নিকট। পাঞ্জাবে বিজেপি দুটি আসন লাভ করেছে কিন্তু ২০০৯ সালে এই প্রদেশে বিজেপি পেয়েছিল মাত্র ১ টি আসন। অপর দিকে তামিল নাড়ুতে জয়াললিতার দল অল ইন্ডিয়া দ্রাবিড় মুন্নেত্রা কাজাগাম ৩৭ টি আসন লাভ করেছে। এই প্রদেশে বিজেপি পেয়েছে ১ টি আসন, তবে ২০০৯ সালে এই প্রদেশে দলটি কোন আসনই পায়নি। তামিল নাড়ুর পাশাপাশি পশ্চিম বাংলায়ও বিজেপি ভালো করতে পারে নি। পশ্চিম বাংলায় মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ৩৪ টি আসন। এই প্রদেশে বামপন্থি দলগুলো শোচনীয় পরাজয় বরণ করেছে। তারা পেয়েছে মাত্র ২ টি আসন। গতবার বামপন্থি দলগুলো পেয়েছিল ১৫ টি আসন। বিজেপি এই প্রদেশে পেয়েছে ২ টি আসন তবে গতবার বিজেপি এখানে পেয়েছিল মাত্র ১ টি আসন। সবকিছু মিলিয়ে ভারতীয় ভোটাররা ২০০৯ বা তার আগের নির্বাচনগুলোতে যে মনোভাবের পরিচয় দিয়েছিল ২০১৪-এর ১৬তম লোকসভা নির্বাচনে তাদের সেই মনোভাবের ব্যাপক পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এ হিসেবে এটি একটি প্যারাডাইম শিফ্ট।
ভারত বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। আরো সুনির্দিষ্ট করে বলা যায় ভারতের পূর্ব ও উত্তর পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্য বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী। এগুলো হচ্ছে, পশ্চিম বাংলা, আসাম, ত্রিপুরা ইত্যাদি। ভারতের নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল জনসমর্থনের প্রমাণ রেখেছে। নরেন্দ্র মোদীর বিজেপি এই প্রদেশে এখনো তেমন শক্তি অর্জন করতে পারেনি। অপর দিকে ত্রিপুরার দুটি আসনই গতবারের নির্বাচনের মত এবারেও পেয়েছে সিপিআইএম (মার্কসবাদী) দল। আসামের ১৪ টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ৭ টি, কংগ্রেস পেয়েছে ৩ টি এবং অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট পেয়েছে তিনটি আসন। বাংলাদেশের নিকটতম প্রতিবেশী ভারতের তিনটি রাজ্যে (আসাম ১৪+ পশ্চিম বাংলা ৪২+ত্রিপুরা ২) সম্মিলিতভাবে মোট ৫৮ টি লোকসভা আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে মাত্র ৯ টি, তৃণমূল ৩৪টি, কংগ্রেস ০৭টি, সিপিআই(এম)পেয়েছে ০৪টি, অবশিষ্ট আসনগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দল পেয়েছে।
বাংলাদেশ ও ভারতে অভিন্ন সীমান্ত, নদী প্রবাহ, ছিটমহল প্রভৃতি যে রাজ্যগুলোর সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত দেখা যাচ্ছে সেই রাজ্যগুলোতে বিজেপি ছাড়া অন্য দলগুলো শক্তিশালী। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকার যদি বাংলাদেশের সাথে অভিন্ন সীমান্ত, নদী প্রভৃতি নিয়ে কোন চুক্তি করতে চায় তাহলে যে রাজ্যের মধ্য দিয়ে নদীটি প্রবাহিত বা যে রাজ্যের সাথে অভিন্ন সীমানা অবস্থিত সেই রাজ্যের সম্মতি সেই চুক্তির জন্য অপরিহার্য। আমরা জানি এইভাবে মনমোহন সিং যখন বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন তখন মমতা ব্যানার্জী না আসার কারণে তিস্তা পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারেনি। দেখা যাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে মমতা ব্যানার্জীর দলই শক্তিশালী রয়ে গিয়েছে। অতএব, অন্ততপক্ষে এটুকু বলা চলে তিস্তা চুক্তির ভাগ্য কংগ্রেস সরকারের আমলে যেমন মমতা ব্যানার্জীর ওপর নির্ভরশীল ছিল বিজেপির আমলেও তা মমতা ব্যানার্জীর ওপর নির্ভরশীল। ক্ষমতার বাইরে থেকে বলা আর ক্ষমতার ভিতরে এসে সেই বলা অনুযায়ী কাজ করা কখনোই সম্ভব নয়। কারণ সেই কাজটি করতে গেলে যে প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে তার সাথে জড়িয়ে আছে অনেক অনেক ইস্যু যেগুলো ক্ষমতার বাইরে থাকাকালে লক্ষ্য করা সম্ভব হয় না বা দরকারও হয় না। যেমন ধরা যাক, বিজেপির নির্বাচনী প্রচারণার কথা। ভারতে অবস্থিত বাংলাদেশের অবৈধ অভিবাসীর অভিযোগ ছিল বিজেপির নির্বাচনী প্রচারণার অন্যতম একটি মন্ত্র। তবে এটি হতে হবে বাংলাদেশ এবং ভারত সরকারের সম্মতিক্রমে। বাংলাদেশ সরকার যদি অবৈধ অভিবাসীর অভিযোগ মেনে না নেয় তাহলে দিল্লীর বিজেপি সরকারের পক্ষে তা প্রমাণ করা সম্ভব হবে না। একই সাথে এটিও স্মরণ রাখা দরকার যে, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারণায় এসে নরেন্দ্র মোদী যখন অবৈধ অভিবাসীদের ১৬ মের পরে তল্পি-তল্পা গুটিয়ে বাংলাদেশে ফেরত যাবার জন্য প্রস্তুত হতে বলেছিলেন তখন মমতা ব্যানার্জী পাল্টা হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ‘বাংলার ছেলেদের গায়ে হাত দিয়ে দেখুন কী হয়!’ অতএব এ বিষয়টি যতটা মুখে বলা সহজ ছিল, বাস্তবে তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ও কঠিন।
বিজেপির আর একটি প্রচারণা আছে সেটি হচ্ছে বাংলাদেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর ওপর আক্রমণ ও দেশত্যাগ। মোদী এ প্রসঙ্গে ২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হিন্দু অভিবাসীদের আশ্রয় দেয়ার কথা বলেছিলেন। এটি কংগ্রেস সরকারেরও নীতি ছিল, যা উভয় দেশের সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা বিধানকল্পে ১৯৫০ সালের ৮এপ্রিল তত্কালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরুর মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির প্রতিপাদ্য বিষয়। এ বিষয়টির প্রতি বাংলাদেশের বর্তমান সরকার খুবই আন্তরিক অতএব এক্ষেত্রেও কোন সমস্যা হবে না। এছাড়া ভারত সম্পর্কে অভিজ্ঞমহলের অভিমত হচ্ছে গণতান্ত্রিক নীতি অনুযায়ী অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যে দলই ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হোক না কেন তাতে দেশটির পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে কোন পরিবর্তন হয় না।পাশাপাশি দুটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সরকার পরস্পর সত্ প্রতিবেশীসুলভ আচরণের মাধ্যমে গণতন্ত্র, সহযোগিতা ও উন্নয়নের এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারে। শান্তিপ্রিয় দেশবাসী তাই আশা করে।
লেখক: অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, চেয়ারম্যান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ও পরিচালক, সাউথ এশিয়ান স্টাডি সার্কেল, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।