হত্যা মামলায় সাত জনের যাবজ্জীবন

দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার মোবাইল ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন মিষ্টার হত্যা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সোলেমান (৩৫), জাহাঙ্গীর (২৮), সাইদুল ইসলাম (৩০), মাসুদ রানা (২১), সালাহ্ উদ্দিন (২৪), সোলায়মান (২২) (পলাতক) এবং মো. জসিম (২০)। আসামিদের সবাই দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের আবদুল্লাহপুরের ভাওয়ার ভিটি গ্রামের বাসিন্দা। রায়ে প্রত্যেক আসামিকে কারাদণ্ডের অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদণ্ড দেন। পলাতক সোলেমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। অন্য আসামিদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। মামলার বিচার চলাকালে অভিযোগপত্রভুক্ত ১৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, নিহত মিষ্টার ২০১০ সালের ১৫ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮ টার দিকে আবদুল্লাপুর বাসস্ট্যান্ডে মোবাইল ফোনের দোকান বন্ধ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে আনুমানিক পৌনে ৯ টার সময় বাদির বাড়ির সামনে পৌঁছামাত্র আগে থেকেই সেখানে ওত পেতে থাকা আসামিরা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে মিষ্টারের পথরোধ করে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করে তাকে মারত্মক জখম করে। গুরুতর আহত মিষ্টার হাসপাতালে চিকিত্সাধীন অবস্থায় পরেরদিন মারা যান। মামলার অন্যতম আসামি জসিমের আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি থেকে জানা যায়, আসামিরা চোরা মোবাইল বিক্রয় করতে গেলে মিষ্টার তাদের চিনে ফেলায় তাদের সাথে শত্রুতার সৃষ্টি হয়।