নেভাল আর্কিটেক্ট

২০০৮ সাল থেকেই আর্ন্তজাতিকভাবে বাংলাদেশ একটি উদীয়মান জাহাজ নির্মাণকারী দেশ হিসেবে স্বীকৃত। জাহাজ নির্মাণসহ এর নানা কারিগরী দিক বিশ্লেষণে এদেশীয় অগ্রযাত্রায় অবদান রেখে চলেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের নেভাল আর্কিটেকচার ও মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মাসুদ করীম। তিনি জানিয়েছেন এ পেশায় সফল হতে কিছু পরামর্শ মাসুদ করিম বলেন, ‘দীর্ঘ দিন সমুদ্রে থাকতে হয় বলে আগে দেখা যেত অনেকে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে খুব বেশি আগ্রহী হতো না। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় এখন অনেক শিক্ষার্থী ব্যতিক্রমী বিষয়ে পড়াশোনা করতে এবং ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী হয়ে উঠছে। তাই মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে আগের তুলনায় অনেক বেশি এগিয়ে আসছে শিক্ষার্থীরা। এ বিষয়ে পড়াশোনা করে উন্নত ক্যারিয়ার গড়া সম্ভব হয়। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, বিষয়টি নিয়ে সকলের মধ্যে তেমন কোনো সুস্পষ্ট ধারণা নেই। অনেকেই জানেন না এ বিষয়টি কোথায় এবং কীভাবে পড়া যায়। আমাদের দেশে বেশকিছু বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ইদানীং এ বিষয়টি পড়ানো হচ্ছে। বিশ্ব অর্থনীতিতে বার্ষিক আয়ের প্রায় ২০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার আসে ৫০,০০০ মার্চেন্ট শিপ থেকে। আর তাই প্রসঙ্গতই বলতে হয়, এই খাতে প্রচুর লোকের কাজের সুযোগ রয়েছে। এর জন্য যত কারিগরী দিক দরকার, সবটাই বাংলাদেশ থেকেই দেওয়া হচ্ছে।’ তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, ‘বুয়েটের অধিকাংশ ছেলেমেয়েই পাস করার পর বিদেশে উচ্চবেতনে কাজ করছে। এ পেশায় সফল হতে প্রথমে ধৈর্যশীল হতে হবে। এ পেশায় ধৈর্য এবং মেধার সমন্বয় ঘটাতে পারলে সাফল্য নিশ্চিত।