ফার্মাসিউটিক্যালস

পণ্যের বিশ্বাসটুকু যিনি শতভাগে উন্নীত করেন তাদের আমরা মান নিয়ন্ত্রক বা কোয়ালিটি কন্ট্রোলার হিসেবে চিনি। তেমনই একজন মেধাবী কোয়ালিটি কন্ট্রোলার জেনারেল ফার্মাসিউটিক্যালস লি.-এ কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স অফিসার মতিউল ইসলাম খান। এই পেশায় সফল হতে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশে তিনি জানিয়েছেন কিছু পরামর্শ এই পেশায় প্রজন্মের আগ্রহ নিয়ে মতিউল ইসলাম খান বলেন, ‘ফার্মেসিতে যারাই পড়ছে তাদের প্রথম চাকরি করার টার্গেট থাকে ফার্মাসিউটিক্যালস কোম্পানিতেই। এ ছাড়াও আমাদের দেশে এর গ্রহণযোগ্যতা আগের থেকে অনেক বেড়েছে ফলে পেশা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আর এখানেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে ওষুধের মান নিয়ন্ত্রণ করা। এখানে বিন্দু পরিমাণে আপস করা চলে না।’ এই পেশা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একজন কোয়ালিটি কন্ট্রোলারের প্রথম কাজই হচ্ছে পণ্যের মান নিয়ন্ত্রণ করা। কাঁচামাল থেকে শুরু করে উত্পাদনের শেষ পর্যায় পর্যন্ত সকল স্তরে দ্রব্যের মান নিয়ন্ত্রণ এবং এ সম্পর্কিত সকল কাজ করা। আর সাথে প্রশিক্ষণ দেওয়া ও নেওয়া। সময়ে সময়ে জটিল এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজের সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা পালন করা।’ নতুনদের সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘মান নিয়ন্ত্রণ ছাড়া কোনো কোম্পানি কোনো পণ্য বাজারে ছাড়ে না। কোয়ালিটি কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্টে সব সময় টেকনিক্যাল প্রফেশনালদের চাহিদা থাকে। নতুনরা কোয়ালিটি কন্ট্রোল ডিপার্টমেন্টে তাদের ক্যারিয়ার গড়ে তুলতে পারে। তবে তার আগে ভালো জ্ঞান, প্রশিক্ষণ, প্রস্তুতি ভালো কাজের ইচ্ছা সততা ও নিষ্ঠা একান্ত প্রয়োজন। যেকোনো পণ্যের মাণ নিয়ন্ত্রণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ’