স্মার্ট হাতঘড়ি

এ সময়ের মানুষের ব্র্যান্ড সচেতনতা বেড়েছে। বিশ্বের নামকরা সব ব্র্যান্ডের ঘড়িই পাওয়া যাচ্ছে এদেশের ব্র্যান্ডের দোকানগুলোতে। যেসব ব্র্যান্ডের ঘড়ির চল রয়েছে তার মধ্যে পিরেরে ডুরাল্ড, ফিনিপ পাটেক, পিরেরে কার্ডিন, লনজিন্স, সিটিজেন, ক্যাসাব্লাঙ্কা, সিকো, ফাস্ট ট্র্যাক, টাইটন, ওমেগা, রোমানসন, রোলেক্স, টিসট ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। বিভিন্ন মার্কেটে আপনার পছন্দমতো ঘড়ি কিনতে পারেন। ছোট-বড় সব বয়সের মানুষের রুচির সাথে মানানসই ঘড়ি কিনতে পাওয়া যায় বিভিন্ন জেলা শহর, বিভাগীয় শহরের বিভিন্ন মার্কেটে। হাতের ধরন, গড়ন বুঝে ঘড়ি পরুন। আপনার হাত মোটা হলে চিকন বেল্টের ঘড়ি ভালো মানাবে। হাত যদি চিকন হয় সেক্ষেত্রে চওড়া বেল্টের ঘড়ি মানাবে। যারা পোশাকের সাথে ম্যাচিং করে ঘড়ি পরতে চান তারা ঘড়ির ডায়ালের রংটা এমনভাবে নির্বাচন করুন যাতে কমবেশি সব পোশাকের সাথে মানিয়ে যায়। মধ্যবয়সী মেয়েরা অফিসে, পার্টিতে চিকন বেল্টের এবং ডায়ালের ঘড়ি পরতে পারেন।  ঘড়ির ডায়ালটা হাতের পিঠের দিকে ঘুরিয়ে পরতে পারেন। হাতের কব্জির কাছাকাছি এনে ঢিলেঢালাভাবে ঘড়ি পরাটাই অনেকের কাছে আধুনিকতা।  হাতের আঙুলে রিং ঘড়ি পাওয়া যায়। আপনার আঙুলের শেপ সুন্দর হলে কিংবা ব্যবহারের সুবিধার্থে আঙুলে রিং ঘড়ি পরতে পারেন।  হাতের কব্জি বা রিস্ট যদি চিকন হয় তাহলে মেটাল বেল্টের পরিবর্তে লেদার টাইপ বেল্ড বেশি মানিয়ে যায়।  অফিস বা পার্টিতে মেটাল বেল্টের ঘড়ি মধ্যবয়সীদের কাছে আভিজাত্যের প্রতীক।  মেয়েদের হাতে চিকন বেল্ট কিংবা ছোট ডায়ালের ঘড়ি বেশি মানানসই।  যাদের লাইফস্টাইলের কারণে হাতঘড়ির রাফ ইউজের আশঙ্কা রয়েছে তারা সম্ভব হলে সাফায়ার ক্রিস্টালের হাতঘড়ি কিনতে পারেন।