চলতি বছরেই পার্বত্য শান্তি চুক্তির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন

পাবর্ত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি চলতি বছরের মধ্যেই পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়িত হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা ড. গওহর রিজভী। তিনি বলেন, স্বাধীনতার পর যেটুকু কাজ হয়েছে তা এ সরকারের আমলেই হয়েছে। বাকি যা আছে তাও হবে বলে আশ্বস্ত করেন তিনি। মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে ‘আধিবাসী অধিকার উপলব্ধি এবং আইএলও কনভেনশন-১৬৯’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ও বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারের সভাপতি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান বলেন, সরকার ও আদিবাসীদের মধ্যে পারস্পরিক যে দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, তা দূর করতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন কাজ করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস বলেন, যাদের সঙ্গে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, তারা কি মনে করছেন পাহাড়ে চুক্তির বাস্তবায়ন হয়েছে! আদিবাসী নেতারা বলছেন, পাহাড়ে সরকার সাময়িকীকরণ করেছে। সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নব বিক্রম কিশোর ক্রিপুরা, আদিবাসী বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আহবায়ক ফজলে হোসেন বাদশা। আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস, আশা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডালেম চন্দ্র বর্মণ, জাতীয় আদিবাসী ফোরামের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেন, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নিরাপা দেওয়ান। ‘আদিবাসী অধিকার-উপলব্ধি এবং আইএলও কনভেনশন নং ১০৭ ও ১৬৯’ এর ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সঞ্জিব দ্রং।