চিন্তা-দুশ্চিন্তায় স্পিন বোলিং

প্রধান কোচ আসছেন—তিনি পেস বোলিং অলরাউন্ডার ছিলেন। আসছেন পেস বোলিং কোচ ও ট্রেনার। ফিল্ডিং কোচ, ব্যাটিং কোচও নাকি আসবেন। কিন্তু বাংলাদেশের যে মূল অস্ত্র, সেই স্পিনারদের জন্য কোচ কই? এই ব্যাপারটা আর সবার মতো জাতীয় দলের স্পিনারদেরও ভাবাচ্ছে। সোহাগ গাজী তো পরিষ্কার বললেন, স্পিন বিশেষজ্ঞ কোচ না থাকাটা একটা বড় ধাক্কা তাদের জন্য। সেই বিশেষজ্ঞ কোচ না থাকায় নিজেরাই চেষ্টা করছেন বৈচিত্র্য এনে এগিয়ে যাওয়ার, ‘স্পিন বোলিং কোচ থাকা খুব দরকার। সাকলায়েন (মুশতাক) ভাই অনেক কিছু শিখিয়ে গেছেন। এখন স্থানীয়ও তেমন কেউ নেই। তাই নিজে নিজেই চেষ্টা করছি। আগে টার্ন কম ছিল, এখন কিছুটা বেড়েছেও। বোলিংয়ে বৈচিত্র্য আনার চেষ্টা করছি। কাজ করছি, আশা করছি দিন দিন উন্নতি হবে।’ এই বৈচিত্র্য বাড়ানো কেন জরুরি, সেটাও সোহাগ পরিষ্কার করলেন, ‘এখন প্রায়ই নিজের বোলিংয়ে পরিবর্তন আনতে না পারলে ব্যাটসম্যানরা সহজে ধরে ফেলে। আমি জায়গা পরিবর্তন করার চেষ্টা করছি। সামনে যাদের (ভারত) সঙ্গে সিরিজ আছে তারাও বিশ্লেষণ করবে। তাই আমার আরো পরিবর্তন আনতে হবে। নতুন কিছু করার চেষ্টা করতে হবে।’ একইরকম সম্প্রতি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে খুব ভালো ফর্মে না থাকা রাজ্জাক বলছিলেন, তিনিও নিজে কাজ করছেন। তবে সফল হোন আর নাই হোন, ইতিবাচকই থাকতে চান রাজ্জাক, ‘আমার যা যা করার সবই করছি। সব সময়ই চেষ্টা করি। কখনো সফল হই, কখনো না। না হলে আর কখনো সফল হবো না বা ছেড়ে দিলাম এমন না। আমার মনে হয় ইতিবাচক থাকলেই ভালো হবে।’