সুন্দরবন ধ্বংসের প্রয়াস বাতিলে ফের লংমার্চ হবে
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০১৪, ২২:৪৬
বাগেরহাটের রামপাল ও মংলায় সুন্দরবনের পাশে দুটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুত্ প্রকল্প থেকে সরকার সরে না আসলে দেশ ও জনগণের স্বার্থে সুন্দরবন ধ্বংসের এ কর্মসূচি বাতিলের জন্য আবারো লংমার্চ করা হবে।
গতকাল বুধবার দুপুরে বাগেরহাট নতুন কোর্ট চত্বরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির আহবায়ক প্রকৌশলী মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ একথা বলেন। তিনি বলেন, কোন অবস্থাতেই সরকারকে আমাদের গর্ব বিশ্বঐতিহ্য ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন ও পরিবেশ ধ্বংসকারী দুটি কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুত্ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে দেয়া হবে না। ভারতের স্বার্থরক্ষা করতে গিয়ে সুন্দরবন ধ্বংসের এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছে সরকার। কোন অবস্থাতেই সুন্দরবনকে ধ্বংস করতে দেয়া হবে না। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে সুন্দরবন বিনাশী এ প্রকল্প বন্ধ করা হবে।
অবস্থান কর্মসূচিতে অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব ড. আনু মুহাম্মদ, সিপিবির সরদার রুহীন হোসেন প্রিন্স, বাসদের বজলুর রশিদ ফিরোজ, গণসংহতি আন্দোলনের আহবায়ক জোনায়েদ সাকি, ওয়ার্কার্স পার্টির আজিজুর রহমান, রণজিত্ চট্টোপাধ্যায়, নূর আলম, সুশান্ত দাস, মুনসুর ডাকুয়া, জাহিদুল ইসলাম যাদু প্রমুখ। এর আগে সকালে বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে প্লাকার্ড ও ব্যানার নিয়ে নেতা-কর্মীরা কোর্ট চত্বরের সামনে তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা কমিটির ব্যানারে আয়োজিত অবস্থান কর্মসূচিতে যোগ দেয়।
তেল-গ্যাস-খনিজসম্পদ ও বিদ্যুত্-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটির সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. আনু মুহাম্মদ বলেন, বিদ্যুতের বিকল্প আছে কিন্ু্ত সুন্দরবনের বিকল্প নেই। এখানে বিদ্যুেকন্দ্র হলে ৮০ লাখ মানুষ ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা দেবে, কৃষি জমি, খাবার পানি থাকবে না, থাকবে না বসবাসের পরিবেশ।