বাজেট ২০১৪-২০১৫ :সার্বিক পর্যবেক্ষণ
প্রকাশ : ০৬ জুন ২০১৪, ২১:২১
তেতাল্লিশ বছর বয়েসী বাংলাদেশের মত একটি উদীয়মান এবং সম্ভাবনাময় অথচ অবকাঠামোগত নানান সমস্যার (রাজনৈতিক অস্থিরতা প্রসূত আর্থ সামাজিক অস্থিতিশীলতা, বিশ্ব অর্থনীতির টালমাটাল পরিস্থিতির প্রত্যক্ষ পরোক্ষ প্রভাব এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা হেতু জলবায়ুর পরিবর্তনজনিত প্রাকৃতিক দুর্যোগের ) সাথে সংগ্রামে রত অর্থনীতির জাতীয় বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন উভয় ক্ষেত্রেই চ্যালেঞ্জ থাকবেই। দীর্ঘদিনের ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণে উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া একটি পোড় খাওয়া অর্থনীতি ও ঘুনে ধরা পদ্ধতি প্রক্রিয়া প্রশাসন এর কাছে এটাই অনিবার্য প্রাপ্তি।
আর্থ সামাজিক ক্ষেত্রে সকল প্রকার শোষণ ও বন্টন বৈষম্যের অবসান ও প্রতিকার প্রত্যাশায় (‘এবারের সংগ্রাম-মুক্তির সংগ্রাম’ ) মহান মুক্তিযুদ্ধের দ্বারা অর্জিত একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ ও অর্থনীতি শোষণ ও বঞ্চনা বিহীন সমাজ গঠনে সমাজতান্ত্রিক মূল্যবোধে উদ্বুদ্ধ রক্ষণশীল বাজার ব্যবস্থায় পরিচালিত হওয়ার কথা থাকলেও মুক্ত বাজার অর্থনীতির অন্ধ অনুসরণ ও পুঁজিবাদী ভাবধারার অনুরক্ত ভক্ত সাজার জন্য সময়ক্ষেপণ না করায় এক ধরনের দোদুল্যমান পরিস্থিতিতে দোটানায় বুঝতে ও যুুঝতে বাংলাদেশ একটি বিশেষ মিশ্র স্বভাবে অর্থনীতিতে পরিণত হয়েছে। এমনতরো পরিস্থিতিতে বিদেশি সাহায্য ও বিদেশি বিনিয়োগের দ্বারা অর্থনীতির ভিতকে মজবুত করতে যেয়ে ও চেয়ে নিজের স্বাবলম্বী ও স্বয়ম্ভর হওয়ার চেতনায় ‘শ্যাম রাখি না কুল রাখি’ অবস্থার উদ্ভব হয়েছে। এ ধরনের পরস্পর প্রযুক্ত আবার একই সাথে পরস্পর প্রতিদ্বন্দ্বী অনুসঙ্গ সমূহের যে অর্থনীতিতে নিত্য যাতায়াত যে অর্থনীতির একটি বার্ষিক বাজেট প্রণয়ন যে কারো জন্যই দুরূহ তো বটেই। বাজেটের আকার নিয়ে কিংবা এর বাস্তবায়ন উপযোগিতা নিয়ে ঢের আলোচনা সমালোচনা হতে পারে। সমালোচনা যাই হোক অর্থনীতি তার নিজ গতিতে এগুতে থাকবে এবং সমালোচকরাও নিজেরা যদি বাজেট বানাতেন তারাও এ ধরনের বাজেটই বানাতেন।
২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাজেটের আকার ২ লাখ ৫০ হাজার ৫০৬ কোটি টাকা, যার মধ্যে ঘাটতি ধরা হয়েছে ৬১ হাজার ৩৪৬ কোটি টাকা। জিডিপির শতকরা ৫ শতাংশ। রাজস্ব প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ধরা হয়েছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড নিয়ন্ত্রিত ১ লাখ ৫৫ হাজার ২৯২ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড সূত্রে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭২০ কোটি টাকা কর রাজস্ব প্রাক্কলন করা হয়েছে। এনবিআর বহির্ভূত সূত্র থেকে রাজস্ব প্রাক্কলন করা হয়েছে ৫ হাজার ৫৭২ কোটি টাকা। এছাড়া কর বহির্ভূত খাত থেকে রাজস্ব আহরণ হবে ২৭ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা। ২০১৪-১৫ অর্থবছরে বাজেটে অনুন্নয়নসহ অন্যান্য খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ লাখ ৭০ হাজার ১৯১ কোটি টাকা। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ৮০ হাজার ৩১৫ কোটি টাকা। ঘাটতি অর্থায়নে বৈদেশিক সূত্র থেকে ২৪ হাজার ২৭৫ কোটি টাকা ও অভ্যন্তরীণ সূত্র থেকে ৪৩ হাজার ২৭৭ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হবে। অভ্যন্তরীণ উেসর মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে সংগ্রহ করা হবে ৩১ হাজার ২২১ কোটি টাকা। সঞ্চয়পত্র ও অন্যান্য ব্যাংক বহির্ভূত খাত থেকে ১২ হাজার ৫৬ কোটি টাকা সংগ্রহের নির্ধারণ করা হয়েছে।
অনুন্নয়ন বাজেটে ১৭ শতাংশ ব্যয় হবে শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন ভাতায়। অপ্রত্যাশিত ব্যয় ও অন্যান্য থোকের জন্য ব্যয় হবে ১.২ শতাংশ। ভর্তুকি ও প্রণোদনার ক্ষেত্রে ব্যয় হবে ৯.৯ শতাংশ। পেনশন ৫ শতাংশ। তবে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে সুদে, যার পরিমাণ প্রায় ১৮.৪ শতাংশ। অনুন্নয়ন বাজেটে সামাজিক নিরাপত্তা কল্যাণে ব্যয় হবে ৪.৫ শতাংশ। জনপ্রশাসনে ৪.৭ শতাংশ। কৃষিতে ৬.৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে, যার পরিমাণ ২৩.৮ শতাংশ। এদিকে অনুন্নয়ন ও উন্নয়ন বাজেটে সম্পদের ব্যবহার হিসাবে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হবে জনপ্রশাসন খাতে। এখানে ১৫.৩ শতাংশ ব্যয় হবে। এর পরেই রয়েছে শিক্ষা ও প্রযুক্তি, যার পরিমাণ ১৩.১ শতাংশ। সুদ খাতে ব্যয় হবে ১২.৪ শতাংশ। প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হবে ৬.৬ শতাংশ। কৃষিতে ৭.৬ শতাংশ, স্বাস্থ্যে ৪.৪ শতাংশ, জ্বালানি ও বিদ্যুত্ ৪.৬ শতাংশ।
ব্যক্তি খাতে করমুক্ত আয়ের সীমানা অপরিবর্তিত থাকছে। তবে বয়স্ক মহিলা, প্রতিবন্ধী, নিবন্ধিত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবারে আয়কর ফাঁকি দেয়া বন্ধ করতে ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত বাড়ি ভাড়া ব্যাংকের মাধ্যমে পরিশোধের বিধান করা হচ্ছে। এছাড়া যাদের আয় বছরে ৪৪ লাখ ২০ হাজার টাকা তাদের ৩০ শতাংশ আয়কর দিতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে উপকারভোগীর সংখ্যা একদিকে যেমন বাড়ছে, তেমনি বাড়ছে ভাতার হার। কোনো কোনো ক্ষেত্রে করপোরেট ট্যাক্স বাড়ছে, আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপরিবর্তিত থাকছে। কর অবকাশের মেয়াদ বাড়ছে। এছাড়া ঢাকার বাইরে যারা শিল্পায়নে উদ্যোগ নেবেন তাদের জন্য বিশেষ রেয়াত দেয়া হবে। আগামী অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার ৭.৩ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) ৬.২৫ শতাংশ জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার আভাস দিয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে শেয়ারের জন্য দুটি সুবিধা প্রস্তাব করা হয়েছে। এর মধ্যে ডিমিউচুয়ালাইজড স্টক এক্সচেঞ্জগুলোকে ক্রমহ্রাসমান হারে ৫ বছরের জন্য কর অব্যাহতি সুবিধা প্রদান করা ও করমুক্ত লভ্যাংশ আয়সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ১৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।
২০১৪-১৫ অর্থবছরের বাজেটে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বাড়ানো হয়েছে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ করের আওতা একই সঙ্গে করের হার বেসরকারি খাতকে চাঙ্গা করতে দেয়া হয়েছে কর ছাড়। উচ্চ চলতি অর্থবছরের মূল বাজেটের চেয়ে ২৮ হাজার ১৫ কোটি টাকা বেশি। ঘাটতি হবে ৬৭ হাজার ৫৫২ কোটি টাকা। চলতি অর্থবছরে সংশোধিত বাজেটের তুলনায় প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা বেশি।
এ বাজেট উচ্চাভিলাষী হিসেবে প্রতিবাদ হলেও এখানে যেসব পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে তা যৌক্তিক হতে হলে বাস্তবায়নে পারদর্শিতা দেখাতে হবে । জিডিপির প্রবৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রার অর্জন নিয়ে সামপ্রতিক কালের অভিজ্ঞতার আলোকে, বিশেষ করে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগের অস্বস্তিকর অবস্থার কারণে সংশয় থেকেই যাচ্ছে। বাজেট সম্পদশালীর কাছ থেকে কর আদায় করার বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে দেশের রাজস্ব আহরণ পয়পরিস্থিতির আলোকে এই ইতিবাচকতা অর্থবহ না হয়ে নেতিবাচক হয়ে যাতে না ওঠে এর জন্য যথেষ্ট কৌশলী, দক্ষতা ও সুশাসনে যত্নবান হতে হবে কর বিভাগকে। স্থানীয় সরকারের বিকেন্দ্রীকরণের বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে চিরাচরিতভাবে, বাস্তবায়নে কৌশল নির্ধারণে ও পদক্ষেপ প্রক্ষেপণে নেই কোন নির্দেশনা। বৈদেশিক ঋণের ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে — সেটা কীভাবে সম্ভব হবে-সেটাও দেখার বিষয়।
বলে রাখা ভাল ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের জাতীয় বাজেটটি বেশ কয়েকটি মৌলিক বৈশিষ্ট্য ও বিবেচনার নিরীখে গুরুত্বপূর্ণ। প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার স্বাভাবিক ধারাতেই এটি প্রণীত হয়েছে - কিন্তু এর আকার নিয়ে সমস্যা অনুভূত হচ্ছে এর বাস্তবায়ন উপযোগিতা নিয়ে, কেননা- ১) রাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতি, ২) বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব এবং ৩) বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা প্রশাসনিক নেতৃতের দৃঢ়চিত্ততা ও দক্ষতার প্রশ্নে। দেশের রাজনৈতিক উত্থান পতনের পেক্ষাপটে এটা নিত্য নিয়তিতে আপতিত হচ্ছে যে (১) নির্বাচনকে ঘিরে নানান প্রশ্ন ও আশংকার আবর্তে পড়া (২) উন্নয়ন অভীপ্সায় ধারাবাহিকতা রক্ষা ক্রমশ কঠিন এবং (৩) পরস্পর দোষারোপের মধ্যে নানান দুর্বিপাক ( দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন )গেড়ে বসছে সমাজ ও অর্থনীতিতে । এ নিরিখেই ধরে নিতে হচ্ছে বিগত বছরটি থেকে শুরু হওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতা এভাবে সেভাবে হোক আসন্ন অর্থবছরেও বলবত্ থাকার আশংকা বাড়বে। টানাপোড়নে পড়বে চাহিদা ও সরবরাহ পরিস্থিতি, পরিবহনে, প্রক্রিয়ায়, হিংসাত্মক ও ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে বিনিয়োগের পরিবেশ বিঘ্নিত হওয়ার আশংকা থেকেই যাচ্ছে। এসবই আশংকার কথা, যদিও নিকট অতীতের অভিজ্ঞাতায় দেখা যায় এমনটি হচ্ছে। উন্নয়নভিমুখী এবং “টেক অফ” করতে যাওয়া একটি অর্থনীতির জন্য টালমাটাল এ পরিস্থিতি সত্যই বিপজ্জনক ও বিব্রতকর। সুতরাং যে অর্থনীতির সমৃদ্ধি সাধনের জন্য রাজনৈতিক নেতৃত্ব অতিশয় আগ্রহী, প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তাদের এক নম্বর দায়িত্ব হবে রাজনীতি সৃষ্ট রোগ শোকের বালাই থেকে অর্থনীতিকে রেহাই দেয়া। সকল পক্ষ যদি এ বিষয়টি নিয়ে সর্বাগ্রে সুচিন্তার দ্বারস্থ হন তাহলে অন্যান্য সমস্যার শতকরা আশি ভাগ সমাধান করা সম্ভব হবে বলে আমরা মনে করি। বৈশ্বিক মন্দার প্রভাব বাংলাদেশের মত ১) মহার্ঘ বিদেশি মুদ্রা প্রত্যাবাসন নির্ভর ২) বিদেশি সাহায্য ও বিনিয়োগ প্রত্যাশী ৩) বহিঃ অর্থনীতির উপর অন্যতম নির্ভরশীল (আমদানি-রপ্তানি সূত্রে) দেশের অর্থনীতি বহিরঙ্গের প্রভাবকে কোন মতেই উপেক্ষা করতে পারে না। সুতরাং ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরের বাজেট প্রণয়ন ও বাস্তবায়নে বৈশ্বিক পরিস্থিতির নেপথ্য প্রেরণা ও বাধা বিবেচনায় আসবেই। প্রশাসনিক প্রজ্ঞা দক্ষতার প্রসঙ্গটি ২০১৪-২০১৫ অর্থ বছরে একটু আলাদা করে ভাবতে হচ্ছে এ জন্যে যে এমনিতে (১) মাথাভারী প্রশাসনিক কাঠামো, (২) প্রশাসন অভ্যন্তরে পদোন্নতি পদায়ন ও পক্ষবিপক্ষ বিভাজন বিভ্রাট এবং (৩) মন্ত্র টন্ত্রের ‘আধারে বন্দী’ প্রশাসনিক সংস্কার নানান নিরীক্ষার শিকার । সেক্ষেত্রে বাজেট বাস্তবায়নে কাঙ্ক্ষিত গতি মাত্রা ও উদ্যম উপায় ও উপলক্ষ কিভাবে সৃজিত হবে সে বিষয়ে আবার সেই একই কথা ‘সংশয় ও সন্দেহ, শংকা ও আশংকা’র আবহ থেকেই যায়। বাজেটটি প্রণীত হয়েছে, যা হওয়াটাই স্বাভাবিক, আর দশটি অতীত বাজেটের মত বাল্কি আকারে। পার্থক্য অনুসন্ধানে যা পাওয়া যায় তা হল এবারের বাজেটটি প্রণীত হয়েছে এটা যেন ধরে নিয়েই যে আসন্ন অর্থবছরটি সাধারণ আর দশটি অর্থবছরের মত না হলেও বেশ গতিশীল থাকবে ,ধারাবাহিকতা ক্ষুুণ্ন হবে না । তাই বলা যায় বছরটি যদি আর দশটি সাধারণ অর্থবছরের মত হত, সে বিবেচনায় বাজেট বাস্তবায়ন ভাবনা , সকল প্রকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জন অর্থবহ হতে পারত। সেভাবে ভাববার অবকাশ অর্থনীতি পাবে কিনা আশংকা -যাকে অমূলক বলা যাবে না, থেকেই যাচ্ছে। সুতরাং বাজেটীয় সকল কর্মসূচির কাঙ্ক্ষিত বাস্তবায়ন এবং সকল লক্ষ্যমাত্রা সূচকের অর্জন অভিলাস অভীপ্সা নির্ভর করছে রাজনৈতিক পরিবেশ পরিস্থিতি নিয়ামক নিয়ন্ত্রক পক্ষসমূহের ওপর।
লেখক :উন্নয়ন অর্থনীতি
বিশ্লেষক ও সাবেক সচিব