টেলিফোনে পাঠকের মতামত

বিশ্বকাপ উত্তেজনায় বাংলাদেশ

বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশে যা চলছে তা হলো আবেগের বহিঃপ্রকাশ। মূলত ফুটবল খেলার প্রতি মানুষের যে আগ্রহের অভাব নেই তারই দৃষ্টান্ত বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জ ও শহরের দিকে তাকালে তা স্পষ্ট হবে। বিশ্বকাপে যদিও আমরা অংশগ্রহণ করতে পারিনি তবু খেলার প্রতি তো আমাদের আগ্রহের অভাব নেই। হয়তো একদিন আমরাও বিশ্বকাপে অংশ নিতে পারবো। এ বিশ্বাস আমাদের আছে। আলমগীর হোসেন, আখরা বাজার, কিশোরগঞ্জ। অধিক আগ্রহ আর উন্মাদনা থাকলে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪ বিশ্বকে এক সুতোয় গেঁথে ফেলেছে। চোখের পলকেই “দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ” এর পর্দা উঠবে স্বাগতিক দেশ ব্রাজিলের সাওপাওলোতে। বিশ্বের শতকোটি জনগণের আগ্রহান্বিত দৃষ্টি এখন বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে। বিশ্ব এখন ফুটবল জ্বরে কাঁপছে। দর্শক ভক্তরা যার-যার পছন্দের দল ও দেশকে স্মরণীয় করে রাখতে বিভিন্ন প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে দলের পতাকা, জার্সি (রিপ্লিকা) ক্রয় ও পরিধানের মাধ্যমে। দুর্ভাগ্যক্রমে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ না থাকলেও আনন্দ-ফুর্তির ঘাটতি নেই কোনোখানে। বিশ্বের কোটি-কোটি ভক্তের গায়ে রিপ্লিকা জড়িয়ে থাকবে মেড ইন বাংলাদেশ এর অস্তিত্বকে জানান দিয়ে। বাংলাদেশের সকল জনপদে সাজ সাজ রব পড়েছে বিশ্বকাপকে সামনে রেখে। শতকোটি মানুষ ১ মাসব্যাপী আলোচনা-সমালোচনায় ডুবে থাকবে। অন্ধকারে হাতড়ে খুঁজবে কোন্ দেশটি কোন্ পর্যায়ে পৌঁছবে এর অনুমানভিত্তিক হিসেব-নিকেশের মধ্যদিয়ে। সবকিছু উলোট-পালট করে শেষ হাসিটা কে হাসবে, সেটা অধরা থাকবে শেষ বাঁশিটা বেজে উঠার আগমুহূর্ত পর্যন্ত। শুধু একটা খেলা কিভাবে নাচাতে পারে, উত্তেজনার জোয়ারে ভাসাতে পারে, বিশ্বকাপ ফুটবলের এই আসর না বসলে সত্যিই তা উপলব্ধি করা খুবই কঠিন। সকল বিভেদ ভুলে সমগ্র বিশ্ব যদি মানবিকতা প্রতিষ্ঠায় এক সুরে বেজে উঠতো কত না ভালো হতো। ধন্যবাদ ফিফাকে। ধন্যবাদ ফুটবলা প্রমিদের। মুরাদ হোসেন মধুখালী, ঝিকরগাছা, যশোর। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়েছে। দেশি-বিদেশিদের উন্মাদনা আজ। বাংলাদেশেও আনন্দ আর আনন্দ সারা দেশে পতাকা টাঙ্গানোর প্রতিযোগিতা চলছে। ভবনের সৌন্দর্য্যহানি অনেক অনাকাঙ্খিত ঘটনাও ঘটে যাচ্ছে। যশোরে বিদেশি পতাকা নামানোর নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। বিষয়টি ঠিক আছে। নিজেদের সংস্কৃতিকে ঠিক রেখে এর পর ভিন দেশি পতাকা টাঙ্গানো উচিত বলে মনে করি। ফারুক আলম, মালিবাগ, ঢাকা। বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে বিশ্ব কাঁপছে। ফুটবল প্রেমীরা আজ নানাভাবে ব্যস্ত। ফুটবলের দেশি বিদেশি উন্মাদনার ও উত্তেজনায় সারাদেশে আনন্দের জোয়ার। আমাদের দেশ অংশ গ্রহণ না করলেও আমাদের প্রত্যাশা বিশ্বকাপ খেলা হোক শান্তিময় ও আনন্দের। সোহাগ ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা। ফুটবল একটি জনপ্রিয় খেলা। যদিও আমাদের দেশে এই খেলা ক্রিকেটের মতো শক্তিশালী খেলা হয়ে উঠেনি। বিশ্বকাপের খেলাতে মাতানো আমাদের দেশ। চলছে চারদিকে সাজ সাজ রব। চলছে পতাকার বাহারের খেলা। প্রিয় দলের পতাকার পাশাপাশি জাতীয় পতাকা ব্যবহার করা কর্তব্য। পারভীন আক্তার, হাজারীবাগ পার্ক, ঢাকা। বিশ্বকাপ জ্বরে আক্রান্ত সারাবিশ্ব। বাংলাদেশও ব্যতিক্রম নয়। তবে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে অংশ নিতে না পারলেও চাপার জোর আছে বলেই বিশ্বকাপের পতাকা নিয়ে দৌড়-ঝাঁপ দিচ্ছে। এটা হলো বাঙ্গালির স্বভাব। নিজে পারলাম না। কিন্তু অপরকে নিয়ে টানাটানি। জসিম উদ্দিন, ভালুকা বাজার, ভালুকা, ময়মনসিংহ। যারা ফুটবলপ্রেমী তাদের জন্য ঘুম হারাম হয়ে যাবে। বিশ্বকাপে এক একজন এক এক দেশের খেলোয়াড়দের প্রতি যে ভালবাসা তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। কেউ আর্জেন্টিনার সমর্থক, আবার কেউ ব্রাজিল। উত্তেজনার শেষ নেই। টিপু সুলতান, ভৈরব বাজার, ভৈরব, কিশোরগঞ্জ। বিশ্বকাপ নিয়ে আনন্দ আর উল্লাসের শেষ নেই। গ্রাম-গঞ্জ, শহরের সব জায়গাতেই বিশ্বকাপের উত্তেজনা চলছে। বাংলাদেশ যদিও অংশ গ্রহণ করেনি তবুও এতযে আনন্দ তা ভাষায় প্রকাশ করা যাবে না। হাসনা বানু, শানকিপাড়া, ময়মনসিংহ। বিশ্বকাপ নিয়ে চলছে উত্তেজনা সারাদেশে। ফুটবল প্রেমীরা আজ নানানভাবে ব্যস্ত। ফুটবল প্রেমীরা সমর্থকদের নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে যত কিছুই হোক। শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখা সবার নৈতিক দায়িত্ব। আইরিন সুলতানা (সন্জু) মাইজপাড়া, চট্টগ্রাম। বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে কাঁপছে সারাদেশ। বাংলাদেশ সেখান থেকে বাদ পড়েনি। ফুটবল প্রেমীরা আজ তাদের খেলা দেখার জন্য গভীর রাত পর্যন্ত অপেক্ষা করবে। আনন্দ করবে। তবে যাই হোক না কেন পরিস্থিতি শান্ত রাখাই প্রত্যেকের কর্তব্য। জাহাঙ্গীর হোসাইন, পীরেরবাগ, ঢাকা। সারা বিশ্বে চলছে ফুটবল উত্তেজনা। সবার মনে প্রশ্ন আজ কে হবে চ্যাম্পিয়ন। আর্জেন্টিনা না ব্রাজিল। আমাদের কথা হচ্ছে যেই জয়লাভ করুক সহজভাবে মেনে নেয়া দরকার। এটাকে নিয়ে উভয় দল কোন সহিংস ঘটনা করা ঠিক নয়। এম. কে. এইচ রমিজ উদ্দিন, প্রশিকা প্রধান কার্যালয়, মিরপুর। বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে কাঁপছে সারাবিশ্ব। বাংলাদেশ অংশগ্রহণ না করলেও এর উন্মাদনার কমতি নেই। সর্বত্র উত্তেজনা বিরাজ করছে এই বিশ্বকাপ নিয়ে। বিশ্বকাপ হোক সবার জন্য প্রশান্তির। নাসরিন, মালিবাগ, ঢাকা। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়ে গেছে। অনেক আনন্দের মধ্যে দেশের মানুষ। প্রিয়খেলা প্রিয় দল নিয়ে সবাই উত্তেজিত। বাংলাদেশের পতাকাকে বাদ দিয়ে চলছে ভিন দেশীয় পতাকা টাঙ্গানোর প্রতিযোগিতা। অথচ যা ঠিক নয়। তাই বলবো আগে দেশীয় পতাকা, পরে ভিন দেশীয় পতাকা। জান্নাতুল ফেরদৌস, মনিপুর, মিরপুর, ঢাকা। বিশ্বকাপ ফুটবল সবার প্রিয় খেলা। এই খেলাকে কেন্দ্র করে চলছে নানা আনন্দের জোয়ার। আমরা আশা করছি বিশ্বকাপ শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হবে। নয়ন, পুরানা পল্টন, ঢাকা। বিশ্বকাপ ফুটবল শুরু হয়েছে ব্রাজিলে। অথচ সারাবিশ্ব আজ অধীর আগ্রহে দিন গুণছে কে হবে চ্যাম্পিয়ন? সে আশায় ব্যস্ত ফুটবল প্রেমী সমর্থকরা। মো. মোজাহারুল ইসলাম, চেয়ারম্যান, ইডাফ, সাভার, ঢাকা। বিশ্বকাপ ফুটবলে বাংলাদেশ না থাকলেও বিশ্বকাপ ফুটবল প্রতিযোগিতার জ্বরে আমরা সকল শ্রেণীর নাগরিক আক্রান্ত হয়েছি। তবে বিশ্বকাপ ফুটবলের এই ভাইরাস জ্বর কোন অশুভ লক্ষণ নয়। এই ভাইরাস জ্বর আর উত্তেজনা মাসব্যাপী বিশ্ববাসীকে একদিকে যেমন আনন্দিত করবে অন্যদিকে কাউকেও একটু ব্যথা দেবে। তবে ব্যথা ক্ষণস্থায়ী। বিশ্বকাপ ফুটবল এতো জনপ্রিয়তার কারণ বিশ্বকাপ প্রতিযোগিতায় কোন প্রকার কারসাজি নেই। তাই ভাবছি আমাদের দেশের নির্বাচন কমিশন অফিস যদি ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার মতো শক্তিশালী এবং নিরপেক্ষ হতো তাহলে আমরা আমাদের মূল্যবান ভোটখানি প্রদান করে যোগ্য এবং সত্ ব্যক্তিত্বকে ক্ষমতায় বসাতাম। মো. লুত্ফর রহমান এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। প্রাচীন এই খেলাটি নিয়ে সারাবিশ্বেই উত্তেজনা থাকে। বাংলাদেশেও এই খেলায় রয়েছে বিশাল প্রভাব। বাংলাদেশ এতে অংশগ্রহণ না করলেও এই খেলার উত্তাপ উত্তেজনা কোন অংশেই কম নয়। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের ভক্ত পুরো বাংলাদেশের মানুষ। সেই সাথে সমর্থকও। তরুণরা ইতিমধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পতাকা দাঁড় করিয়ে দিয়েছে সারা দেশ জুড়ে। শহর থেকে শুরু করে গ্রামের চায়ের স্টলে চলছে তুমুল উত্তেজনা। সেই সাথে দিন দিন বাড়ছে তর্ক-বিতর্ক আর আলোচনার ঝড়। খেলার শেষ পরিণতি যাই হোক বাংলাদেশের তরুণরা যেন আবেগের বশবর্তী কিংবা অনুরাগের বশে অথবা অন্ধ ভক্তের মতো তর্ক নিয়ে কেউ যেন কোন প্রতিপক্ষকে অনাহুত আক্রমণ করে রক্তের হোলি খেলায় মেতে না ওঠে সেদিকেও জাতিকে অবশ্যই লক্ষ্য রাখতে হবে। সেই সাথে আইন-শৃংখলা বাহিনীকেও সজাগ থাকতে হবে, যাতে অনাহুত কোন ঘটনা কোথাও না ঘটে। শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু, কালিহাতী, টাঙ্গাইল। বিশ্বকাপ আরম্ভ হওয়ার অনেক আগে থেকেই যাদের প্রিয় দেশের পতাকাগুলোকে আমাদের দেশে যে সম্মান দেয়া হচ্ছে ও তার যদি এক পার্সেন্ট আমাদের দেশের পতাকাকে সম্মান দিতাম তাহলে ত্রিশ লক্ষ শহীদের আত্মা শান্তি পেতো। আমি ধিক্কার জানাই, ঘৃণা করি এমন উন্মত্ততাকে। সৈয়দ হায়দার আলী সভাপতি, মহাখালী যুব কল্যাণ সমিতি, মহাখালী, ঢাকা। বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে ব্রাজিলে। মেতে উঠেছে সারাবিশ্বই। বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। সারাদেশে এখনও চলছে সমর্থকদের পতাকা লাগানোর প্রতিযোগিতা। তবে সমর্থকদের উচিত ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ স্বরূপ বিদেশী পতাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকাও টাঙানো দরকার। যেহেতু আমরা জাতীয় পতাকা অর্জনের জন্য অনেক সংগ্রাম, ত্যাগ আর রক্ত দিয়েছি। তাই বাংলাদেশিদের মনে প্রাণে এ কথাটি মনে রাখা দরকার। রবিউল ইসলাম রবি বাংলাদেশ মানবাধিকার পর্যবেক্ষণ সংস্থা, চেয়ারম্যান, এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা। বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে কাঁপছে দেশ। আমাদের দেশও এর ব্যতিক্রম নয়। সর্বত্র চলছে পতাকা টাঙ্গানোর প্রতিযোগিতা। রুদ্ধশ্বাস অপেক্ষা এখন কে জিতবে। সাওপাওলোতে পর্দা উঠেছে। বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা ফুটবলে বিশ্ব লড়াইয়ের মঞ্চ বিশ্বকাপ ফুটবলের। লাতিন আমেরিকার দেশ ব্রাজিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন। সুষ্ঠু সুন্দরভাবে বিশ্বকাপ সমাপ্ত হবে এ প্রত্যাশা আজকের দিনে। মো. রাশিদুল ইসলাম (রয়েল) নিশিন্দারা, মধ্যপাড়া, চট্টগ্রাম। বিশ্বকাপের উন্মাদনায় সারাদেশ। কেবল শুরু হয়েছে। দেখা যাক কোন দেশ এখন চ্যাম্পিয়ন হবে। গ্রামগঞ্জ, শহর সর্বত্র চলছে এটা তুমুল উত্তেজনা। তবে উত্তেজনার পাশাপাশি শান্তি-শৃংখলা বজায় রাখতে হবে। যাতে করে কোন অপ্রীতিকর ও সহিংস ঘটনা না ঘটে সেদিকে সুদৃষ্টি রাখতে হবে। ফখরুল বাশার (চয়ন) কুতুবখালী, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা। বিশ্বকাপ শুরু হয়ে গেছে। আটলান্টিক পাড়ের দেশটিতে বিশ্বের প্রতিটি কোণ থেকে দলে দলে ভিড় জমাচ্ছেন ফুটবল প্রেমীরা। ৩২টি দলের তারার মেলা দেখতে এখন ব্রাজিলে মিলেমিশে একাকার বিশ্বের সব পথ। বাংলাদেশের মানুষও এই খেলায় আজ উন্মাদনায় রয়েছে। পতাকার মেলা বা হাট বসেছে বাসা-বাড়ীর ছাদে, করিডোরে, গ্রামগঞ্জে সর্বত্র। আনন্দে আনন্দে সব যেন মিলন মেলায় টিভির সামনে দর্শক বসে আছে। বিশ্বকাপ সবার জন্য সুন্দর ও স্বার্থকময় হউক। মো. মেজবাহউদ্দিন সেলিম শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা। সত্যিই ব্রাজিল একটা অদ্ভূত দেশ, আকাশচুম্বী ঐশ্বর্য মহান। পাশাপাশি ফুটবলের হাট বসেছে সেখানে আজ। ৩২ দিনে ব্রাজিলের ১২টি শহরে মোট ৬৪ ম্যাচের বিশ্বকাপ এটি। চ্যাম্পিয়নের জন্য তো নির্ধারিত ৩৫ মিলিয়ন ডলারের উপহার। প্রথম পর্ব না পারলে তাদের জন্য রয়েছে ৮ মিঃ ডলার। বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে আমাদের দেশেও আজ। অংশগ্রহণ না করেও আনন্দে ও সমর্থকদের বিজয়ের প্রত্যাশায় আজ। মো. আবুল হোসেন, ইলেকট্রিক প্লাজা, মিরপুর, ঢাকা। বিশ্বকাপের ব্রাজিল যখন পাঁচবারের চ্যাম্পিয়ন যেমন ৫৮, ৬২, ৭০, ৯৪, ২০০২ইং সাল। ইতালী যখন চারবারের চ্যাম্পিয়ন ১৯৩৪, ১৯৩৮, ১৯৮২ ও ২০০৬। জার্মানী যখন তিনবারের শিরোপাধারী। বাংলাদেশেও আজ যে আনন্দ চারদিকে বিশ্বকাপকে নিয়ে। ছাদ, কার্নিশ, গাছের মগডাল, বাড়ির উদ্যান, প্রাঙ্গণ, করিডোর জুড়ে উড়ছে ব্রাজিল আর্জেন্টিনার পতাকা। সারা দেশ যেন আনন্দে ভাসছে। বাংলাদেশেও এদের নাম সমর্থকদের মুখে মুখে রয়েছে। শিশির, পিলখানা, ঢাকা। এবারের বিশ্বকাপ যে বিশেষ ফুটবল নিয়ে মাঠের লড়াই হবে, তার নাম ব্রাজুদা। বিশ্ব ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ব্রাজিল আর্জেন্টিনা ফাইনালের পথ রেখেছে। ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে শুরু ফুটবল মহোত্সবের রথ ব্রাজিল ১৮টি বিশ্বকাপ ইতিহাস সঙ্গী করে। এবারের বিশ্বকাপে মেতে ওঠার আগে চোখ বুলিয়ে যাক সবার হূদয়ে। বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে কাঁপছে সারাবিশ্ব। বাংলাদেশে অংশগ্রহণ না করেও আনন্দে ভাসছে দেশ। বিশ্বকাপ হোক সবার জন্য সুখের আনন্দের। হাসান মো. হোসাইন চৌধুরী কবিরহাট, নোয়াখালী। বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে ব্রাজিলে। আনন্দে ভাসছে সারা বিশ্ব। আমাদের দেশে কেউবা বড় আবার কেউ ছোট আকারে পতাকা লাগিয়েছে। তবে সমর্থকদের উচিত আমাদের জাতীয় পতাকাটি পাশাপাশি রাখা। তাহলেই পতাকার সত্যিকারের মর্যাদালাভ করবে। যেহেতু পতাকার জন্য অনেক সংগ্রাম ত্যাগ ও রক্ত দিতে হয়েছে। সে পতাকার সার্থকতা খুঁজে নেয়া দরকার প্রতিটি নাগরিকের। মো. হানিফ মিয়া রিসোর্স ইন্টিগ্রেশন সেন্টার (রিক), ধানমন্ডি, ঢাকা ফুটবল এদেশের একটি জনপ্রিয় খেলা। বিশ্বকাপ উন্মাদনায় ছড়িয়ে পড়েছে সবার হূদয়ে। আমাদের দেশেও চলছে আনন্দ আয়োজন এই বিশ্বকাপকে জুড়ে। ভক্ত, সমর্থকরা, খেলোয়াড়দের খেলা উপভোগ করবে, সমর্থন জানাবে জোরেসোরে। ভক্তরা পতাকা টাঙিয়েছে ঘরের ছাদে গাছের মগডালেসহ বিভিন্ন স্থানে। সমর্থকরা তাদের পছন্দমত দলের জার্সি পরে ভক্তদের খেলা দেখছে। সুন্দর এই মনোরম জার্সি আমাদের গার্মেন্টস শিল্প তৈরি করেছে। সত্যি এটা অনেকটা গর্বের বিষয়। সত্যি আমাদের গার্মেন্টস শিল্প অনেক অগ্রগামী। মাসুম আহমেদ শিকড় সন্ধানে, যাত্রাবাড়ী, ঢাকা যশোরের ডিসি মহোদয়ের দেশপ্রেমে ঘা লাগায় তিনি প্রশাসনিক আদেশ দিয়ে জ্বরের লক্ষণ হিসেবে বিভিন্ন দেশের পতাকাগুলো নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা তার দেশপ্রেমকে সাধুবাদ জানাই। আসলে জাতি হিসেবে আমরা আত্মপরিচয় ভুলে যেতে আজন্ম অভ্যস্ত। ক্রীড়ায় রাণী হামিদ, নিয়াজ মোর্শেদ, কাওছারদের খবর আমরা কেউ রাখি না। আমাদের ক্রীড়ামোদী সমাজ বিশেষ করে যুব সমাজ মেসি, ম্যারাডোনা, রোনালদো, জিদান, নেইমারদের নাম যতবেশি জানে তার ছিটেফোঁটাও কি তারা ফুটবলের এদেশীয় জাদুকর সামাদ সাহেব (যার শট গোলবারে লেগে ফিরে আসার পর দাবি করেছেন গোলবারের উচ্চতা যথাযথ নয়। শেষাবধি মেপে দেখা গেছে তার মন্তব্যই সঠিক। এমনকি ফুটবলের জীবন্ত কিংবদন্তী কাজী সালাউদ্দিনকে শতকরা ১০ ভাগ যুবসমাজ চিনে কিনা সে সম্পর্কে ঘোরতর সন্দেহ বিরাজমান। এই দৈন্যদশা থেকে আমাদেরকে মুক্তি পেতেই হবে। এদেশে ফুটবলের স্বর্ণযুগেও আমরা দেখেছি যোগ্য ও দক্ষ কোচ না এনে আমাদের দেশের নামকরা ফুটবল ক্লাবগুলো বিদেশি খেলোয়াড় এনে খেলায় জিতে কৃতিত্ব নিতে মোটেও কুণ্ঠা বা লজ্জাবোধ করতেন না। ফলে এদেশে পেলে, ম্যারাডোনা, রোনালদো, মেসির মত ফুটবলার জন্ম নেয়ার সুযোগ পায়নি। অদূর ভবিষ্যতে পাবে কিনা সেই নিশ্চয়তা ভগবানেরও গোচরে নেই। আমরা অবশ্যই খেলা উপভোগ করব এবং বিশ্ব ক্রীড়াঙ্গন থেকে শিক্ষা নেব। তবে কোন অবস্থাতেই আত্মপরিচয়হীন উন্মাদনায় মেতে উঠবো না। এই হউক চলমান বিশ্বকাপ ফুটবলে আমাদের অঙ্গীকার। ভূঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী সাধারণ সম্পাদক, ঢাকাস্থ বেগমগঞ্জ পেশাজীবী সমিতি ৫-বিসিসি রোড, নবাবপুর, ওয়ারী, ঢাকা-১২০৩। বিশ্বকাপ ও বিশ্বকাপ ফুটবলের উন্মাদনায় দেশের বিভিন্ন স্থানে বাড়ি-গাড়িতে পতাকা ওড়ানো হয়েছে। তবে যশোরে পতাকা নামানোর নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। এটা অত্যন্ত ভালো কাজ করেছেন। আনন্দ থাকবে অবশ্যই। তবে মনে রাখা দরকার আনন্দ করতে গিয়ে যেন নিজস্বতা, অস্তিত্ব হারিয়ে না ফেলি। বিশ্বকাপ ফুটবল হোক সবার জন্য আনন্দের। মো. মনির হোসেন মনির বৃক এন্ড সংবাদপত্র বিক্রয় কেন্দ্র, মিরপুর-১, ঢাকা বিশ্বকাপ ফুটবল জ্বরে কাঁপছে সারা বিশ্ব। আমাদের দেশ অংশগ্রহণ না করেও আনন্দের কোনো কমতি নেই। ঢাকার রাস্তায় ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার সব পতাকা বিক্রি হয়েছে অনেক আগেই। পত্রিকা মারফত জানা যায়, বিশ্বকাপ ফুটবল উপলক্ষে যশোর শহরের বিভিন্ন স্থানে টাঙানো বিদেশি পতাকা নামিয়ে ফেলা হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এসব পতাকা নামিয়ে নেয়ার প্রশাসনের নির্দেশ জারির পর মঙ্গলবার পতাকা নামিয়ে নেয়া হয়। তাই আমরা আশা করবো, এমনটা সারা দেশেই যেন করা হয়। মো. খায়রুল ইসলাম (ফুল) আরাপপুর, ঝিনাইদহ বিশ্বকাপের জ্বরে বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও চলছে উত্তেজনা পক্ষ-বিপক্ষের মধ্যে তর্ক-বির্তকের ঝড়। কে হবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন? কিন্তু অতীব দুঃখের বিষয় বিশ্ব উত্তেজনায় আমাদের দেশের ঘরে ঘরে বিভিন্ন দেশের পতাকার ভারে নিজের দেশকে চেনাই ভার। কোনো বিদেশি আমাদের দেশে আসলে বিভিন্ন দেশের পতাকার আদলে বাংলাদেশ কি-না তা ভাবতে অবশ্যই কষ্ট হবে। ত্রিশ লাখ শহীদের রক্তে যে বাংলাদেশ লাল সবুজের পতাকা বিশ্বকাপের আনন্দে আমাদের দেশের পতাকা উত্তোলন না করে দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অধিকার কোনো নাগরিকের নেই। এ ব্যাপারে প্রশাসনকে কঠোরভাবে যত্নবান হওয়া উচিত। বিশ্বকাপের খেলাকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশের জনগণ বিভিন্ন দেশের সমর্থন হয়, যে দেশের পতাকা পত পত করে উড়ছে আমাদের বাড়ির ছাদে ছাদে। কিন্তু আমাদের দেশের পতাকা সেখানে নেই। এ বিষয়ে জরুরিভিত্তিতে দেশের পতাকা টাঙ্গিয়ে দেশের পতাকা নিয়ে বিশ্বকাপ সমর্থিত পতাকা টাঙ্গানোর ব্যবস্থা করা। বিশ্বকাপের ফুটবল খেলার সাফল্য কামনা করি। মন্জু খন্দকার, চুয়াডাঙ্গা বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা অতিসম্প্রতি শুরু হয়েছে। যতই দিন এগুচ্ছে বিশ্বকাপের জ্বরে ততই বিশ্ব উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশ যদিও অংশগ্রহণ করছে না তবুও ফুটবলপ্রেমীরা আনন্দ অনুভব করেই উত্তেজিত হচ্ছে। তা চিকিত্সা বিজ্ঞানীরা সকল দর্শকদের ভালোর জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন যাদের হার্টের সমস্যা বা উচ্চরক্ত চাপের সমস্যা বা নার্ভাসজনিত কারণ রয়েছে সে সমস্ত রোগীদের অনেক সাবধানতার কথা বলছেন। এবার ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ভক্ত সারা বিশ্ব জুড়ে। তাই চিকিত্সকদের ভয় হচ্ছে রোগীদের ক্ষতির কারণ ও বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। রাত জেগে খেলা দেখে অসুস্থ হবার সম্ভাবনাই বেশি। ফলে সকলের প্রতিদিনের কাজের ব্যাঘাত ঘটবে। পছন্দের দল জয়ী হলে যেমন আনন্দে মেতে উঠবে, তেমনিই পছন্দের দল হেরে গেলে মনে অনেক কঠিন ব্যথার সম্ভার তৈরি করে। তাই অনেক সময়ে প্রতিপক্ষ নিজেদের মধ্যে দ্বন্দ্ব-বিবাদ তৈরি করে থাকে। আনন্দ, দুঃখবহন করার মতো মনোবল নিজে থেকে তৈরি করে নিতে হবে। উত্তেজিত না হয়েই দেশবাসী হার-জিত মেনে নিলে সকলের জন্য মঙ্গল বয়ে আনবে এবং সুন্দর ও শান্তিপূর্ণভাবে সমাপ্ত হোক এই কামনা আজকের দিনে। আশা এলিজাবেথ গোমেজ লক্ষ্মীবাজার, ঢাকা-১১০০ বাংলাদেশেই কেবল নয়। সারা বিশ্ব জুড়েই চলছে বিশ্বকাপের উন্মাদনা। বিশ্বকাপ ফুটবল ঐক্যবদ্ধ পৃথিবী এবং শান্তি-সমৃদ্ধির ধারক। বিভিন্ন ফুটবল দলের বাংলাদেশি সমর্থকদের অনুরোধ করবো। তারা যেন সমর্থিত দলের পতাকার পাশাপাশি বাংলাদেশের পতাকা উড়ান। ফখরুল ইসলাম টিপু সেনবাগ, নোয়াখালী ফুটবল আনন্দের জ্বরে সারা দুনিয়া আনন্দ, উল্লাস, উন্মাদনায় ভাসছে। সারা দুনিয়ার ফুটবলপ্রেমীরা যে যার মতো ফুটবল দল পছন্দের খেলোয়াড় নিয়ে মহাব্যস্ত থাকছে। সেদেশের পতাকা ও জার্সির জন্য পাগল। কেউ কেউ পতাকা ও জার্সি ব্যবহার করছে। এর আরো প্রভাব বিস্তার করবে গত বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা শুরু হবার পর তা চলবে ফাইনাল খেলা পর্যন্ত। বাংলাদেশিদের মনে আবেগ হচ্ছে দুনিয়া মাতানো এই বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় যদি আগামীতে জায়গা হতো। আনন্দের উত্তেজনা আরো বাড়তো। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সন্ত্রাসী হামলায় নানা স্থানে হামলার স্বীকার হচ্ছেন অসংখ্য মানুষ। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলায় সব খেলোয়াড়দের ভালো খেলা দর্শকদের উপহার দেবার জন্য খেলতে হবে। প্রতিপক্ষের কোনো খেলোয়াড়দের শারীরিকভাবে আঘাত করা যাবে না। সুষ্ঠু সুন্দর সাবলীল ফুটবল খেলা যেন কোটি কোটি দর্শক উপভোগ করতে পারে সেজন্য বিশ্বকাপ ফুটবল খেলার আয়োজকদের সুদৃষ্টি থাকতে হবে। বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা চলাকালীন সময় সন্ত্রাসী সংগঠন বোমা হামলা করে বিশ্বকাপ খেলার সুষ্ঠু পরিবেশ যাতে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে সেজন্য নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে। বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনকারী সকলের প্রতি খেলোয়াড় ও ফুটবলপ্রেমী কোটি কোটি দর্শকদের প্রতি রইল প্রাণঢালা আন্তরিক অভিনন্দন। ফারুক আহমেদ বাগমারা, রাজশাহী