বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক
ন তু ন প্র জ ন্মে র ভা ব না
প্রকাশ : ১৪ জুন ২০১৪, ২১:৩১
ক্ষমতার পালাবদল হলেও
ঢাকা-দিল্লির সম্পর্ক ভাল
হবে এটা বলা মুশকিল
ভারত বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকার কথা । কিন্তু দেখা যায় যে, ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে নানাবিধ সমস্যা বিদ্যমান। এর মধ্যে প্রধান সমস্যাগুলো হচ্ছে তিস্তা পানি চুক্তি, সিটমহল, সীমান্ত সমস্যাসহ নানাবিদ সমস্যা। এই সমস্যাগুলো রেখে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক সম্ভব নয়। দেশের পরাষ্ট্রনীতির মাধ্যমে কিভাবে দুই দেশের মধ্যে ভালো সম্পর্ক সৃষ্টি করা যায় তা নিয়ে ভাবতে হবে দু’ দেশের সরকারকে।
মো. তারিকুল ইসলাম
শিক্ষার্থী ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ,
হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক অনন্তকাল
থাকবে
প্রতিবেশী দেশ হিসেবে ভারতই আমাদের প্রধান শক্তি। আমাদের বিপদে-আপদে ভারত সর্বদাই সাহায্য করেছে। বিজিপি যদি বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক রাখতে চায় তাহলে অবশ্যই ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ভাল থাকতে হবে। কারণ দুই দেশেরই প্রধান অর্থনীতি এই শহরগুলো থেকেই হয়ে থাকে।
মো. আশরাফউজ্জামান
দ্বাদশ শ্রেণি,
বিজ্ঞান বিভাগ,
গজারিয়া কলিমউল্লাহ ডিগ্রি কলেজ।
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক আরো
শক্তিশালী হবে
বিজেপির বিজয়ের পর বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে অনেক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে—বিজেপির বিজয়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্কে টানাপড়েন দেখা দিবে বলে অনেকের ধারনা। মোদিকে নির্বাচনী প্রচারণার সময় বাংলাদেশি ইস্যুতে কঠোর অবস্থানে ছিল। কিন্তু সরকার গঠন হওয়ার পর থেকে সেই রকম নেতিবাচক লক্ষণ দেখা যায়নি। শপথ অনুষ্ঠানের পর গত ২৭ মে মোদি বাংলাদেশের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সাথে বৈঠকে বসেন। সেখানে তিস্তার পানি বন্টন চুক্তি স্বাক্ষর ও সীমান্ত চুক্তি ছিটমহল বিনিময় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া ভারতের পররাষ্ট্র নীতি খুবই শক্ত। যা দল পরিবর্তন হওয়া সত্ত্বেও এর উপর প্রভাব পরে না। তাই বলা যায় নব্য এই প্রধানমন্ত্রী দেশ পরিচালনার জন্য শুধু বাংলাদেশে কেন প্রায় সকল দেশের সাথে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করবেন।
মোহাম্মদ মাসুদ
বি.এ (অনার্স) বাংলা,
সিটি ক্যাম্পাস, মিরপুর,
উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়।
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক
যেমন ছিল তেমনই
থাকবে
ভারতের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি’র বিপুল বিজয়ে আমরাও তো আনন্দিত তাই নয় কি? কারণ কোন সরকারই জনগণের ঊর্ধ্বে নয়। এটা একজন তরুণ হিসেবে আমার মতামত। কারণ জনগণ সকল ক্ষমতার চাবিকাঠি, মোদি সরকার ভালো বিধায় জনগণের বিপুল সাপোর্ট পেয়ে বিজয়ী হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কেমন হবে। এই প্রশ্নের উত্তর করার আগে আমি এটা বলব যে আমরা যে পরিবারে বাস করি সেই পরিবারেও কিছু না কিছু ঝুট-ঝামেলা থাকে এটাই স্বাভাবিক। তবে আমাদের সর্বোত্তম চেষ্টা করতে হবে সামঞ্জস্য করে চলার যেহেতু দু’দেশের প্রধানমন্ত্রীর মাঝে তিস্তার পানি চুক্তিসহ আরো বেশ কিছু চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার মত পরিবেশ বিরাজমান তাই আমরা ইতিবাচক দিকটাই চিন্তা করি। তাই আমি বলব আগে যেমন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ছিল এখন তার চেয়েও ভাল হবে এটাই আশাবাদী।
বিমল দাস
বি.এম.এস (১ম বর্ষ),
কৃষ্ণপুর হাজী আলী আকবর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ,নেত্রকোনা।
নতুন মাত্রা
পেতে পারে ঢাকা
দিল্লি সম্পর্ক
ভারতে এবার বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করেছে। বিজেপি জয়লাভের পরপরই যে প্রশ্ন উঠেছে তা হল নতুন সরকার প্রতিবেশী দেশ তথা বাংলাদেশের সাথে কী-রকম সম্পর্ক স্থাপন করবে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনও কারণ দেখছি না। কারণ ভারতে যে সরকারই আসুক না কেন, তাদের পররাষ্ট্রনীতিতে কোনও বিশেষ পরিবর্তন আসে না। তা ছাড়া বিজেপি’র কয়েকজন নেতা ইতোমধ্যেই বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক উন্নয়নের ইঙ্গিত দিয়েছেন। আর আমরা যদি ৯৬এর কথা স্মরণ করি তা হলে দেখব যে সে সময় বিজেপির আমলে আমাদের উল্লেখযোগ্য কিছু অর্জন ছিল। তবে সীমান্ত-হত্যা কিছুটা বাড়তে পারে এবং উদ্বেগও ছড়াতে পারে। তারপরও, সব দিক বিবেচনা করে বলা যায় ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নতুন মাত্রা পাবে।
বিব্যেন্দু মিটুন
ইংরেজি বিভাগ, ৩য় বর্ষ
এমসি কলেজ, সিলেট।