বিজেপি’র জয় :ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক
প্রকাশ : ১৫ জুন ২০১৪, ২১:৩৭
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক
কেমন হবে তা
সময়ই বলে দেবে
বিজেপি, কংগ্রেস যেই ক্ষমতায় আসুক, ভারতের পররাষ্ট্রনীতি সহজে পরিবর্তন হবে না। এটা আমাদের দীর্ঘদিনের দেখা। কারণ আওয়ামী লীগ ভারতীয় আদর্শে বিশ্বাসী। আওয়ামী লীগের কাছ থেকে ভারত যে স্বার্থ আদায় করতে পাবে, সেটা অন্য কারো দ্ধারা পারবে না। সুতরাং বিজেপি আগে চাইবে তার দেশের স্বার্থ। এতে বুঝাই যাচ্ছে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক কি হতে পারে। তবে আমরা আশা করি বিজেপি কংগ্রেসের মত ভুল করবে না। ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী বাংলাদেশে আসছেন। আমরা আশা করি তিনি নীতিগতভাবে কাজ করবেন।
মো. কামাল হোসেন
এমবিএ পরীক্ষার্থী
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া।
০০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক
শতাব্দীরও পূর্বের
তা ধরে রাখতে হবে
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ব্যাপারে বাংলাদেশের সকল নাগরিকই একমত হবেন যে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ভারত উপমহাদেশ বিভক্তিরও পূর্বের। অর্থাত্ শতাব্দী প্রাচীন, তা যে কোন মূল্যে ধরে রাখতে হবে বর্তমান দুটি দেশের সরকার প্রধানদের। এখানে লক্ষণীয় যে, দুটি দেশের বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে কোন ব্যাপারে মতানৈক্য থাকতে পারে,তাই বলে সম্পর্ক ভেঙ্গে যাবে তা কিন্তু নয়।
আবু নাহিয়ান
স্নাতক ১ম বর্ষ,বি.এস.এস
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজ
০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্কে ফাটল
ধরবে না
যদিও নির্বাচনের সময় নরেন্দ্র মোদী বাংলাদেশ ইস্যুকে বেশ টেনেছে। পরবর্তীতে দেখা যায়, সম্পর্ক শীতল হতে শুরু করেছে। যেমন মোদীর শপথ অনুষ্ঠানে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর উপস্থিতি এবং পরবর্তীতে বৈঠক। দুই দেশের অসমাপ্ত বিভিন্ন সমস্যা- তিস্তার পানি বণ্টন, সীমান্ত সমস্যা, ছিটমহল বিনিময়সহ বিভিন্ন বিষয়ের ইতিবাচক ইঙ্গিত দিয়েছে দুই দেশ। মোদী সরকারের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ। আর এই চ্যালেঞ্জের উত্তোরণের জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ হিসেবে বাংলাদেশের সাথে ভালো সম্পর্ক রক্ষা করা জরুরি। অর্থনৈতিক কারণেও দুই দেশের সম্পর্ক গভীর হবে। তাছাড়া ভারতে পররাষ্ট্র নীতি সব সময় একই রকম থাকে। এখনো তা আগের মতো থাকবে। এমনটাই আশা করছে দুই দেশের কূটনীতিমহল। ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করার জন্য দুই দেশের ঊর্ধ্বতন নেতাদের আরো আন্তরিক হবে।
আল মাহমুদ
অর্থনীতি (প্রথম বর্ষ)
নোয়াখালী কলেজ।
০০০০০০০০০০০০০
সম্পর্কের ভাটা পড়বে
না, তবে দূরত্বের প্রাচীর
তৈরি হতে পারে
ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক নিয়ে চলছে নানা সমীকরণ আর হিসাব-নিকাশ। কট্টর হিন্দুত্ববাদের চেতনাবাহী দল বিজেপির সার্টিফিকেটে দিল্লির মসনদে আসীন হয়েছেন সম্প্রদায়িক নেতা নরেন্দ্র মোদী সরকার। মুসলিম বিদ্বেষী মোদী তার নির্বাচনী প্রচারাভিযানে ‘খেদাও মুসলিম’ শ্লোগান দিয়ে হিন্দু মৌলবাদের জানান দিয়েছে। তাই লাফালাফির ক্ষেত্রে সেটা মাথায় রাখা দরকার। কেউ কেউ বলছে, দাঙ্গাবাজ মোদী জনগণের হিন্দুত্ববাদ সেন্টিমেন্টকে কবজা করে নির্বাচনে জয়ীর হওয়ার জন্য কিছুটা সম্প্রদায়িক বক্তব্য দিয়েছেন। আর তাতে যদি ঢাকার জাতীয়তাবাদী-ইসলামিদের সাথে বিজেপির সখ্য গড়ে উঠে এতে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। সর্বোপরি, ভাসমান জাহাজ কোন্ ঘাটে গিয়ে ভিড়বে-সেটাই দেখার জন্য অপেক্ষার প্রহর গুনতে হবে।
শরিফুল ইসলাম
শিক্ষার্থী বিএ
ঢাকা কলেজ।
০০০০০০০০০০০০০০
ঢাকা-দিল্লি
সম্পর্ক আগের
মতই থাকবে
বাংলাদেশের তিনদিকে ভারতের অবস্থান হওয়ায় ভারতের সাথে বাংলাদেশের বৃহত্তর স্বার্থ জড়িত। ভারতের সর্বশেষ জাতীয় নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) জয়লাভ করায় দলটি থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। আমার মনে হয় নরেন্দ্র মোদী আগের সরকারের মত একচেটিয়া ভাবে নির্দিষ্ট কোন দলের সাথে সম্পর্ক তৈরি করবে না। তিনি ভারতের দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ চিন্তা করেই সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করবেন। তাছাড়া তার দলের দীর্ঘমেয়াদী উদ্দেশ্যও মাথায় রাখবেন। যেহেতু বিজেপি সরাসরি ধর্মীয় রাজনীতিতে বিশ্বাসী একটি দল, সেহেতু সম্পর্ক উন্নয়নে ধর্মীয় স্বার্থ বজায় রাখবেন। হয়তো এমন কিছু করতে চাইবে না যাতে দীর্ঘমেয়াদে ভারত ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান অসামপ্রদায়িক সরকারের উচিত হবে যেভাবেই হোক বিজেপির সাথে ভালো সম্পর্ক তৈরি করে বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থ হাসিল করা।
মো. আল আমিন ভূঁইয়া
১ম বর্ষ ২য় সেমিস্টার,ব্যবসায় প্রশাসন বিভাগ
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।