সংবাদ কণিকা

গাড়ি নিজেই নিজেকে পার্ক করবে সেল্ফ ড্রাইভিং কার বা চালকবিহীন গাড়ির কথা বহুদিন থেকেই শোনা যাচ্ছে। সুইডেনের একটি নতুন পাইলট প্রকল্পে তার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। অর্থাত্ গাড়িগুলো চালক ছাড়া নিজেরাই সুবিধামত পার্ক করতে পারবে। এমনকি গাড়িগুলো নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারবে কোন জায়গাটা খালি আছে এবং কোথায় পার্ক করতে হবে। অনুসন্ধানী এই ক্ষমতা ছাড়াও ইঞ্জিন বন্ধ করে চালককে এসএমএস পাঠানোর ক্ষমতাও থাকছে ঐ গাড়ির। ফলে গাড়ির মালিক বুঝতে পারবেন গাড়িটি ঠিক কোথায় পার্ক করা হয়েছে? ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ার সাথে সাথে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গাড়ির দরজা-জানালা বন্ধ হয়ে যাবে। এই প্রকল্পটি ভলভো কার গ্রুপ, সুইডিশ যোগাযোগ মন্ত্রণালয়, সুইডিশ যোগাযোগ সংস্থা, লিন্ডহোলমেন সায়েন্স পার্ক অ্যান্ড দ্য সিটি অফ গোটেনবার্গের যৌথ উদ্যোগে হচ্ছে, যেটির নাম দেয়া হয়েছে ‘ড্রাইভ মি-সেল্ফ ড্রাইভিং কার ফর সাসটেনেবল মোবিলিটি’। সুইডেনের রাস্তায় ২০১৭-১৮ নাগাদ এই গাড়ি চলাচল করবে বলে জানিয়েছেন এই প্রকল্পের কর্মকর্তারা। — ডয়চে ভেলে সব ধর্মের অনুসারীদের একই প্রার্থনাগৃহ এটি গির্জা নয়, মসজিদ নয়, নয় সিনাগগ; বরং এটি হবে খ্রিষ্টান, মুসলমান আর ইহুদিদের মিলনস্থল। আরব থেকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া তিন ধমের্র অনুসারীদের এক ছাদের নিচে আনতে বার্লিনে গড়ে তোলা হচ্ছে এই প্রার্থনাগৃহ। সব ঠিক থাকলে জার্মানির রাজধানী বার্লিনের প্রাণকেন্দ্রে সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে ২০১৮ সাল নাগাদ মাথা তুলে দাঁড়াবে এই ‘প্রার্থনা ও শিক্ষাগৃহ’, যেমনটি বিশ্বের আর কোথাও নেই বলে উদ্যোক্তাদের দাবি। একজন যাজক, একজন ইমাম এবং একজন রাব্বি বেশ কয়েক বছর ধরে এ পরিকল্পনা এগিয়ে নিলেও ৪ কোটি ৪০ লাখ ইউরো বাজেটের এ উদ্যোগের জন্য অর্থ সংগ্রহ শুরু হয়েছে গত সপ্তাহে। উদ্যোক্তারা বলছেন, কেবল সর্ব ধর্মের সহাবস্থানের গুরুত্ব তুলে ধরাই তাঁদের উদ্দেশ্য নয়, বার্লিনের বহু সংস্কৃতির সম্মিলনের আবহও তারা এই প্রার্থনাগৃহে আনতে চান।—ডয়চে ভেলে