আপনি কতটা পড়ুয়া?

একেকজন মানুষের একেকদিকে আগ্রহ থাকে। কারো কারো পড়াশোনায় আগ্রহ বেশি থাকে। সারাক্ষণ পড়ার টেবিলে বুঁদ হয়ে থাকতেই ভালোবাসেন তারা। আবার অনেকে অল্প পড়েই ভালো রেজাল্ট করেন। মিলিয়ে নিন আপনি পড়াশোনায় কতটা আগ্রহী? ১. যেকোনো পড়ার বই দেখলে আপনি কী করেন? ক. ঝটপট করে কিনে ফেলেন, খ. বই কেনার চেয়ে সিনেমা দেখে পয়সা খরচ করা ভালো, গ. দরকার বুঝে কিনে নেন। ঘ. ভালোমন্দ কোনো মতামত আপনার নেই। খুব প্রয়োজন না হলে আপনি বই কিনবেন না। ২. পড়ার টেবিলে আপনার বেশিরভাগ বই— ক. পড়াশোনা সংক্রান্ত। অন্য কোনো বই পড়ার সময় বা ইচ্ছে আপনার নেই, খ. বই পড়ার কোনো সময় নেই, গ. গল্পের বই পাশে থাকলে কি আর অন্য বই পড়া যায়? ঘ. পড়ার এবং গল্পের সামঞ্জস্য রেখে দুটোই পড়ার সময় বের করে নেন আপনি। ৩. কলেজের পর টিউশনি থাকলে আপনি— ক. ঠিক সময়মতো পৌঁছে যান। খ. বেশিরভাগ সময় ফাঁকি দেন, গ. প্রয়োজন তাই সময়মতো যান, ঘ. যান তবে সময়ের আগে ও পরে। ৪. ঘুমাতে যাওয়ার আগে আপনি কী করেন? ক. ভাবেন, কাল কাকে ভেঙে খাওয়া যায়, খ. সারাদিনের পড়াগুলো শুয়ে শুয়ে ঝালিয়ে নেন, গ. ভাবেন, কতক্ষণে আবার পড়তে বসবেন, ঘ. সব বাদ দিয়ে সোজা ঘুমিয়ে পড়েন। ৫. সপ্তাহের একটা ছুটির দিন— ক. আপনি ঘুম থেকে বেলা করে উঠে আয়েশ করে চায়ে চুমুক দেবেন। তারপর প্রিয় গল্পের বই নিয়ে আবার খাটে উঠে পড়েন, খ. পড়ায় ঢিলেমি লাগে। কারণ, ছুটির দিন, গ. ছুটি মানে আপনার হাত-পা-মাথা সবকিছুই ছুটি, ঘ. ছুটির দিন তো কী হয়েছে? আপনার রুটিনের কোনো এদিক সেদিক হবে না। ৬. ক্লাস ফাঁকির ক্ষেত্রে আপনি— ক. জ্বর বা শরীর খারাপ না হলে তেমন একটা ক্লাস ফাঁকি দেন না, খ. আড্ডা মারতে বসলে আর ক্লাসের কথা মাথায় থাকে না, গ. আপনার কাছে কলেজ মানে ইউনিয়নের মিটিং-মিছিলে যোগ দিতে যাওয়া, ঘ. ঝড়বৃষ্টি, ভূমিকম্প যাই হোক না কেন আপনি কলেজে যাবেন। ৭. পরীক্ষার মাসখানে আগে বেড়াতে যাওয়ার কথায় আপনি— ক. খুশিই হবেন। কদিন আনন্দ করবেন বলেই তো সারাবছর মন দিয়ে পড়াশোনা করেছেন, খ. খুব রেগে যাবেন। পড়ার ক্ষতি হবে ভেবে বেড়াতে যেতে চান না, গ. ব্যাগে করে দু-চারটা পড়ার বই নিয়ে যাবেন। প্রয়োজনে চোখ বুলাতে পারবেন, ঘ. আনন্দ-ফুর্তি করব বলেই তো জন্মেছি—এমনটি ভাবেন। ৮. ক্লাসের ফাঁকে আপনি— ক. একাই গিয়ে মাঠে বসে থাকেন, খ. আগে ক্লাসের নোট লিখে তারপর গল্পে যোগ দেবেন, গ. সব বাদ দিয়ে আড্ডায় যোগ দিবেন, ঘ. স্যারদের কাছে পড়া বুঝে নেবেন। ৯. সারাদিনে আপনি কত সময় পড়াশোনা করেন— ক. প্রায় ১২ ঘণ্টা। আপনি নাওয়া-খাওয়া বাদ দিয়ে বই নিয়েই পড়ে থাকেন, খ. দিনে চার ঘণ্টা পড়তে না বসলে অস্বস্তি লাগে, গ. পড়তে বসার চেষ্টা করেন তবে এক ঘণ্টার বেশি টিকে থাকতে পারেন না, ঘ. পড়াশোনা করে যে, গাড়িচাপা পড়ে সে—আপনি এটা বিশ্বাস করেন। ১০. হাতে এই মুহূর্তে কোনো কাজ নেই, আপনি— ক. টিভির সামনে বসে পড়েন, খ. মাকে কাজে সাহায্য করেন, গ. গুনগুন করে গান গেয়ে টুকটাক কাজ করেন, ঘ. নিজের পছন্দের বিষয় নিয়ে সারাদিন কাটিয়ে দেন। আপনার স্কোর ০-৩০ :বই দেখলে আপনার শরীর ম্যাজম্যাজ করে। পরীক্ষার আগেও আপনার মধ্যে বিশেষ ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায় না। পাস বা ফেল করা নিয়েও আপনার মাথাব্যথা নেই। ৬০-৯০ :পড়াশোনা নিয়ে আপনি ঘাঁটতে চান না। শেষ মুহূর্তে পড়তে বসে এর-ওর থেকে নোট সংগ্রহ করেন। আর স্যারের হাত-পা ধরে সাজেশন পেলে তো কথাই নেই। ১১০-১২০ :পড়ার বইয়ের প্রতি আপনার অহেতুক দরদ নেই। পড়ার বই আপনার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এ কারণে নিয়মিত পড়তে বসেন। পড়াশোনা বা পরীক্ষা নিয়ে আপনার বাড়াবাড়ি নেই তেমন একটা। ১৫০-১৮০ :মন দিয়ে আপনি পড়াশোনা করেন। তবে আপনি একটু পড়াশোনা নিয়ে বাড়াবাড়িও করেন। এটা মোটেই আপনাকে মানায় না। যেহেতু আপনার পড়াশোনায় আগ্রহ বেশি, তাই একটু সচেতন হোন জীবন বদলে যাবে। জীবনেই পাবেন আনন্দ। স্কোর বোর্ড ক খ গ ঘ ১. ১৫ ০ ১০ ৫ ২. ১৫ ০ ৫ ১০ ৩. ১৫ ০ ৫ ১০ ৪. ৫ ১০ ১৫ ০ ৫. ৫ ১০ ০ ১৫ ৬. ১০ ০ ৫ ১৫ ৭. ৫ ১৫ ১০ ০ ৮. ০ ১০ ৫ ১৫ ৯. ১৫ ১০ ১৫ ০ ১০. ০ ১৫ ১০ ৫