নতুন প্রজন্মের ওয়াই-ফাই নিয়ে কাজ করছে কোয়ালকম
প্রকাশ : ০৭ জুলাই ২০১৪, ২০:০১
বিশ্বব্যাপী এখন তারহীন যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে নিয়েছে। তারহীন ইন্টারনেট যোগাযোগে ওয়াই-ফাই দখল করে রেখেছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ স্থান। এই ওয়াই-ফাইকে আরও উন্নত করতে গবেষণা থেকে নেই। এসব গবেষণার প্রেক্ষিতে আইট্রিপলই ৮০২.১১এডি স্ট্যান্ডার্ডকে বলা হচ্ছে পরবর্তী প্রজন্মের ওয়াই-ফাই, যার নাম দেওয়া হয়েছে ওয়াই-গিগ। কয়েক গিগাবিট গতিতে এই তারহীন নেটওয়ার্ক কাজ করবে ৬০ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে। চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান কোয়ালকম ওয়াই-গিগ নেটওয়ার্ক নিয়েই কাজ করে যাচ্ছে দীর্ঘদিন ধরে। সম্প্রতি তারা ওয়াই-গিগ নেটওয়ার্কের গবেষণার জন্যই কিনে নিয়েছে ইসরায়েলের প্রতিষ্ঠান উইলোসিটি। ওয়াই-গিগ নেটওয়ার্ক প্রচলিত ওয়াই-ফাইয়ের তুলনায় দ্রুতগতির হলেও এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। খুব বেশি দূরত্বে এটি কাজ করতে সক্ষম নয়। তাই যারা তারহীন নেটওয়ার্কে অনেক বেশি ডাটা স্থানান্তর নিয়ে কাজ করবে এবং খুব বেশি দূরত্ব নিয়ে যাদের চিন্তা নেই, তাদের জন্যই ওয়াই-গিগ নেটওয়ার্ক ভরসা হয়ে উঠতে পারে। এই দিকটায় লক্ষ্য রেখেই কোয়ালকম ২০০৮ সাল থেকে উইলোসিটিতে বিনিয়োগ করে আসছে। অবশেষে উইলোসিটিকে একেবারেই কিনে নিয়েছে তারা। উইলোসিটির প্রযুক্তি ব্যবহার করেই এখন কোয়ালকম বাজারে নিয়ে আসছে ট্রাই-ব্যান্ড প্যাকেজ, যা আসছে তাদের স্ন্যাপড্রাগন ৮১০ প্রসেসরে। কোয়ালকম জানিয়েছে ট্রাই-ব্যান্ড প্যাকেজের এই প্রসেসর আগামী বছরেই স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসির মতো ডিভাইসে সংযোজিত হতে যাচ্ছে। এই প্রসেসরের ব্যবহার স্মার্টফোন এবং ট্যাবলেট পিসিগুলোকে ৬০ গিগাহার্জ ফ্রিকোয়েন্সিতে আরও উন্নততর তারহীন নেটওয়ার্ক সেবা প্রদান করবে বলে আশাবাদী কোয়ালকম। এদিকে উইলোসিটি এ বছরেই মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসে তাদের নতুন এক চিপসেট ব্যবহার করে প্রোটোটাইপ স্মার্টফোন প্রদর্শন করেছে, যা ৭ গিগাবিট পার সেকেন্ড গতিতে তথ্য স্থানান্তরে সক্ষম। এই প্রযুক্তিই কোয়ালকমকে ওয়াই-গিগ প্রযুক্তিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে বলে আশা করছে উইলোসিটি এবং কোয়ালকম। উভয় প্রতিষ্ঠানের একত্রে কাজ করার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা প্রযুক্তিবিশ্বের জন্য নতুন কিছুকে নিয়ে আশার বিষয়েও এই দুই প্রতিষ্ঠান।