এবার ছেলেদের পালা

ঈদের আনন্দ কেনাকাটা ছাড়া হয় না। তাই তো ঈদের আনন্দকে ছাপিয়ে তুলতে চাই মার্কেট জুড়ে ঘোরাঘুরি আর শপিং করে বাড়ি ফেরা। ঈদে ছেলেদের কেনাকাটার ঝোঁক মেয়েদের থেকে কোনো অংশে কম নয়। তাই যেমন তেমন একটি পোশাক কিনলেই ঈদ হয়ে যাবে—এমন ধারণা গত হয়েছে অনেক আগেই। আবার ছেলেদের এবারের ঈদ আনন্দ শুধু পাঞ্জাবিতেই থেমে থাকছে না, বরং সময়োপযোগী নান্দনিক সব শার্ট, টি-শার্টে ও প্যান্টে সেজে উঠছে ছেলেদের ঈদ বাজার। এ নিয়ে লিখেছেন নাজনীন শিমু বড়দের মতো শার্ট-ফরমাল প্যান্ট মানায় না তাদের, আবার ছোট ছেলেদের মতো টি-শার্ট, থ্রি-কোয়ার্টার প্যান্টও তো ভালো দেখায় না। তরুণদের ফ্যাশনটা তবে কেমন হবে? এবার তাদের পোশাকে উজ্জ্বল রঙের প্রাধান্য পাচ্ছে। এ ছাড়া নতুন স্টাইলের ওয়েস্টার্ন শার্ট, টি-শার্ট বা প্যান্টে আগ্রহ বেশি তাদের। না, রঙচটা জিন্স নয়। এবার ছেলেদের প্যান্টে রং লেগেছে। সময় যেমন পাল্টাচ্ছে, তেমনি পাল্টাচ্ছে ফ্যাশন ট্রেন্ড। এ কথা সত্যি যে, তরুণদের স্বপ্ন রঙিন হয়, সবসময় রঙিন স্বপ্ন দেখতেই ভালোবাসে তারা। তো মনের ভেতরেই যদি হরহামেশা হরেক রং খেলা করে, তবে পোশাকে নয় কেন? হ্যাঁ, তারুণ্যের পোশাকেও বাহারি রঙের ছোঁয়া লেগেছে। শার্ট বা টি-শার্টের কথা বলছি না, বলছি ছেলেদের রঙিন প্যান্টের কথা। এরই মধ্যে চালু হয়ে গেছে রঙিন প্যান্টের নতুন এই ট্রেন্ড। ‘হট লুক’ নামে এই ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তাও বেড়ে চলছে দিনে দিনে। রঙিন প্যান্ট এখন ফ্যাশন সচেতন তরুণদের প্রথম পছন্দ। অন্যদের থেকে একটু আলাদা, স্মার্ট লুক। না, রঙচটা জিন্স নয়, এবার ছেলেদের প্যান্টে রং লেগেছে। সময় যেমন পাল্টাচ্ছে, তেমনি পাল্টাচ্ছে ফ্যাশন ট্রেন্ড। এ কথা সত্যি যে, তরুণদের স্বপ্ন রঙিন হয়, সবসময় রঙিন স্বপ্ন দেখতেই ভালোবাসে তারা। ‘হট লুক’ নামে এই ট্রেন্ডের জনপ্রিয়তাও বেড়ে চলছে দিনে দিনে। রঙিন প্যান্ট এখন ফ্যাশন সচেতন তরুণদের প্রথম পছন্দ। অন্যদের থেকে একটু আলাদা, স্মার্ট লুক। বাজার ঘুরে আরও দেখা যায়, ছেলেদের ফ্যাশনে পরিবর্তনের ছোঁয়া জাগিয়ে তুলতে, নতুন কাট ও ডিজাইনের ভিত্তিতে সেজে উঠেছে রাজধানীর বিভিন্ন শপিং মল, মার্কেট ও বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস। ঈদকে সামনে রেখে জমে উঠেছে বিকিকিনি। বাজারে এসেছে মেয়েদের রাজ্যের পোশাক এবং ঈদের অন্যান্য জিনিসপত্র। তবে এ বিপুল আয়োজনে পিছিয়ে নেই ছেলেদের পোশাকের ব্র্যান্ডগুলোও। রাজধানীর মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা যায়, ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, জুতা, পাঞ্জাবি এবং ফতুয়ার দারুণ সব কালেকশন এনেছে ছেলেদের এসব ব্র্যান্ড। মেনজ ক্লাব, এক্সটেসি, ইয়োলো, রিচম্যান, ওয়েস্টেক্স, টেক্সমার্ট, ক্যাটস আই, কে-ক্রাফট, ফ্রিল্যান্ড, র্যামন্ড, ক্রোকোডাইলস কিংবা ইনফিনিটিতে ঈদ উপলক্ষে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের শার্ট। নিজস্ব ব্র্যান্ড ছাড়াও অ্যাডিডাস, আমেরিকান ঈগল, এফোর, পুমা, ডিজেল, অ্যাডওয়ার্ডস কিংবা জকির মতো বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের শার্ট পাওয়া যাবে এ শপগুলোতে। দাম ১২০০-৩০০০ টাকা পর্যন্ত। একটু কম টাকায় ভালো শার্ট পাওয়া যাচ্ছে এলিফ্যান্ট রোড এবং নিউমার্কেটে। দেশি গার্মেন্টসে তৈরি এক্সপোর্ট কোয়ালিটির শার্টের দাম ৫০০-১০০০ টাকা। কনভার্স, শু কিংবা দুই ফিতার স্যান্ডেল-জিন্সের সঙ্গে সব প্রকারের জুতাই মানানসই। বাটা, অ্যাপেক্স, বে-ইম্পোরিয়াম, হাসপাপিস, জেনিথ, গুচি, রিবক, নাইকি, অ্যাডিডাস, পুমাসহ বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শোরুমে পাওয়া যাচ্ছে বিভিন্ন ডিজাইনের স্যান্ডেল ও জুতা। এসব জুতার দাম ২০০০-৬০০০ টাকা এবং স্যান্ডেলের দাম ৭৫০-৩৫০০ টাকা। একটু কম দামে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকার মধ্যে এলিফ্যান্ট রোডের জুতার মার্কেট, পলওয়েল, রাজধানী কিংবা নিউমার্কেটে ভালো জুতা পাওয়া যাচ্ছে। কেবল জামা-জুতাই নয়, ঈদের দিন পরিপাটি বেরোতে হলে চাই আরও কিছু আনুষঙ্গিক বিষয়ও। সে তালিকায় রয়েছে বেল্ট, মানিব্যাগ, রোদ চশমা, টুপি, ব্রেসলেট, ঘড়ি, বডি স্প্রে, আন্ডারওয়্যার এবং মোজা। কিছুটা বড় এবং পাথরযুক্ত বকলেসের বেল্টের চাহিদাই এখন বেশি। কাপড়ের বেল্টও তরুণদের নজর কাড়ছে। এ ছাড়া ফরমাল লুকের সঙ্গে মানানসই চামড়ার বেল্টের বিকল্প নেই। বেল্টের মধ্যে রয়েছে কয়েকটি ভাগ। ব্র্যান্ড লেদার, ফ্যাশনেবল কিংবা ডিজাইনার বেল্ট। বেল্টের ভালো ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে, বস, প্লেবয়, আরমানি, অ্যাপেক্স, গুচি এবং সিকে। ২০০-১৫০০ টাকায় পাওয়া যাবে এসব বেল্ট। বসুন্ধরা সিটির ঘড়ির দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে রোলেক্স, জেনিথ, টাইটান, র্যাডো, সিকো, সুইস আর্মি, ডিজেল, সিটিজেন এবং ডিজনি ব্র্যান্ডের অ্যারিস্ট্রোকেট সব ঘড়ি। দাম একটু বেশি হলেও ঈদ উপহার হিসেবে অনেকেই বেছে নিচ্ছেন হাতঘড়ি। বডি স্প্রে আন্ডারওয়্যার এবং মোজা কিনতে গতকাল ভিড় দেখা গেছে ইনফিনিটি, আলমাস, এক্সটেসি এবং সক শপে। বডি স্প্রের মধ্যে চলতি ব্র্যান্ডগুলো হচ্ছে—এক্স, চেরি ব্লোসম, ওল্ড স্পাইস, ইমপালস এবং বন্ডএজ। দাম ২০০-১০০০ টাকার মধ্যে।