এইচএসসি বাংলা দ্বিতীয় পত্র :কিছু প্রস্তাব
প্রকাশ : ১৫ জুলাই ২০১৪, ২১:৪৬
মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থায় ইতোমধ্যে অনেক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। এইচএসসি পর্যন্ত বিষয়ভিত্তিক অনেক বই ইতোমধ্যে সৃজনশীল প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত। দীর্ঘদিন পর উচ্চমাধ্যমিক বা এইচএসসি পর্যায়ে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের সিলেবাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। পত্রিকার তথ্য অনুযায়ী বাংলা দ্বিতীয় পত্রে নতুন অন্তর্ভুক্ত হয়েছে উচ্চারণ, ভাষার প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ, ইমেইল, অনুবাদ ইত্যাদি। এসব সংযুক্তি শিক্ষার্থীর জ্ঞানের প্রসারতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে মনে করি।
কিন্তু সিলেবাসে খুদেবার্তা কিংবা দিনলিপি লিখনের অন্তর্ভুক্তি শিক্ষাপদ্ধতিকে কীভাবে সহায়তা করবে তা বোধগম্য নয়। তার ওপর খুদেবার্তা লেখার জন্য দশ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এছাড়া খুদেগল্প লেখা এবং সংলাপ রচনা এ-দুয়ের বিকল্পে যে দশ নম্বর রাখা হয়েছে তার পরীক্ষা বা মূল্যায়ন প্রক্রিয়া কীভাবে হবে অনুমান করা কঠিন। হয়তো বিশেষজ্ঞরাই এর ভালো ব্যাখ্যা দেবেন।
শিক্ষা সচেতন পাঠক কিংবা ব্যক্তি হিসেবে সিলেবাস পরিবর্তনে কিছু প্রস্তাব রাখছি: বাংলা দ্বিতীয় পত্রে নম্বর বিভাজনে ব্যবহারিক পরীক্ষা রাখা যেতে পারে। হতে পারে বিজ্ঞানভিত্তিক অন্যান্য বিষয়ের মতো পঁচিশ নম্বরের পরীক্ষা। ব্যবহারিকে পত্রলেখা, বানান, উচ্চারণ, ভাষার প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ কিংবা অনুবাদ ইত্যাদি রাখা যেতে পারে। হতে পারে মৌখিক পরীক্ষা। একইভাবে ইংরেজি বিষয়েও ব্যবহারিক ও মৌখিক পরীক্ষা প্রবর্তন করা যায়। এতে বাংলা কিংবা ইংরেজি দুটো ভাষাই হাতে-কলমে যেমন শেখা যাবে তেমনি বলার দক্ষতাটাও বেড়ে যেতে পারে। বিষয়টি ভেবে দেখার জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
ঢাকা