টেলিকমিউনিকেশন
প্রকাশ : ২০ জুলাই ২০১৪, ২০:৪৩
নতুন নতুন সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যার, আর মোবাইল অ্যাপসের সাথে সারাটা দিন কাটাতে কার না ভালো লাগে! তাই এই প্রজন্মের জন্য টেলিকমিউনিকেশন একটি উল্লেখ্যযোগ্য পছন্দের পেশা। তাই এই পেশায় সফল হতে এবার পরামর্শ দিয়েছেন নোকিয়ার প্রোডাক্ট ব্যবস্থাপক ইফতেখার হোসেন
বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে তুলনা করলে আমাদের এখানে কাজের সুযোগ প্রচুর, শুধু সম্ভাবনাটাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে, সেগুলো কীভাবে টপকে যাওয়া যায়, সেই লক্ষ্যে একত্রে কাজ করে যেতে হবে। নতুন প্রজন্মকে নিয়ে আমি খুবই আশাবাদী। এখন যারা কাজ করছে, তারা অনেক বেশি টেকনোলজি গ্রহণ করছে। এটা খুবই ভালো। কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল রাখতে হবে সৃষ্টিশীলতা নিজ থেকে তৈরি করতে হবে এবং তথ্যপ্রযুক্তি তাকে সাপোর্ট দেবে। কিন্তু শুধু টেকনোলজির সুবিধা বেশি নিতে গিয়ে নিজের সৃষ্টিশীলতাকে নষ্ট করা যাবে না। তারা ইন্টারনেট, মোবাইল ইত্যাদিকে ব্যবহার করে অনেক অ্যাডভান্স কাজ করে। যা যেকোনো পেশার জন্য খুবই কল্যাণকর। তবে এর পাশাপাশি দেখা যায় অনেকের জ্ঞান অর্জনে আগ্রহ কম। বরং এ বিষয়ে আগ্রহ বাড়িয়ে বেশি বেশি বই পড়তে হবে। ব্যবহারিক জ্ঞান আহরণ করে তা ব্যবসার কাজে লাগাতে হবে। যেহেতু এই প্রজন্ম আগামীতে এ দেশের নেতৃত্ব দেবে এবং একুশ শতকের চ্যালেঞ্জটা তাদেরই মোকাবিলা করতে হবে তাই তাদের প্রতি আমার পরামর্শ রইল, জ্ঞান অর্জন এবং টেকনোলজির সুবিধা গ্রহণ করে এ দুইয়ের প্রকৃত সমন্বয় ঘটাতে পারলেই এগিয়ে যাওয়া সহজ হবে। নতুনদের জানার আগ্রহটা বেশি, অনুধাবন ক্ষমতাও ব্যাপক। আর ব্যবস্থাপনা পেশায় এ গুণগুলো খুব জরুরি। পাঠ্যপুস্তকের পাশাপাশি বহির্বিশ্বের সবকিছুর সাথে যোগাযোগ রাখার চেষ্টা করতে হবে। সাফল্য সুনিশ্চিত করতে শুধু নিজের পেশাগত ক্ষেত্র বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কেই নয়, দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত সব প্রতিষ্ঠানের কাজের ধরন সম্পর্কে সজাগ থাকতে হয়। আর তাহলেই নতুন নতুন ভাবনা নিয়ে কাজ করার সুযোগ তৈরি হয়।