আসুন মাশরুমের পোস্টার খাই

সম্প্রতি মাশরুম সংগ্রহ করতে সাভারের মাশরুম প্রকল্পের দোর গোড়া পর্যন্ত গিয়ে হতাশ হয়ে ফিরে এলাম। ঢাকায় যার কাছ থেকে মাঝে-মাঝে মাশরুম সংগ্রহ করতাম তার কাছেও মাশরুম না থাকায় আমার সাভার পর্যন্ত দৌড়ানো। কিন্তু মাশরুমের বিষয়টি যে এমন করুণ তা জানা ছিল না। পাঁচ বছর আগে একদিন এখানে এসে চাষিদের মাশরুম বিক্রি দেখে আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। ঐদিন দুই শ পঞ্চাশ কেজি মাশরুম সংগ্রহ করেছিল জাতীয় মাশরুম উত্পাদন ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র। তবে এখন মাশরুম না থাকলেও প্রতিষ্ঠানের অনেক উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন প্রকার সাইনবোর্ড এবং পোস্টারে ভরে গেছে বাংলাদেশের জাতীয় মাশরুম প্রকল্পের কার্যালয়। এখানে এসে মাশরুম না পেলেও পাওয়া যাবে দামি কাগজে ছাপা মাশরুম উত্পাদনের কিচ্ছা-কাহিনি নির্ভর বিভিন্ন বুকলেট, যা পড়লে বোঝা যায়—এগুলো একান্তই বর্জ্য পদার্থ বৈ কিছু নয়। পাঁচ বছর পর প্রতিষ্ঠানের ভেতরে ঢুকতেই মনে হলো কোনো আর্ট গ্যালারিতে প্রবেশ করছি। অজস্র রঙিন পোস্টারে সুসজ্জিত এর প্রতিটি দেয়াল—আর সেই পোস্টারগুলোতে মাশরুম নিয়ে বিভিন্ন কৃষি কাব্য-কলা ছাপানো আছে। একটি পোস্টারে লেখা আছে—‘মাছ মাংস নাহি পাই তাতে কোন দুঃখ নাই—আসুন নিয়মিত মাশরুম খাই।’ আসলে লেখা উচিত ছিল ‘...আসুন মাশরুমের পোস্টার খাই।’ ঢাকা