নাঙ্গলকোটের প্রধান প্রধান সড়কগুলোর বেহাল দশা
নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ০৩ আগস্ট ২০১৪, ২১:৪৮
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের প্রধান প্রধান সড়কগুলোর বেহাল দশায় যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। সওজ এবং এলজিইডির আওতাধীন এসব প্রধান সড়কগুলোতে অসংখ্য খানা-খন্দক সৃষ্টি হয়ে এলাকাবাসীকে যাতায়াতে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
সড়কগুলোর ইট, সুরকি ও পিচ উঠে গিয়ে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের লাকসাম-নাঙ্গলকোট-চিওড়া (বিশ্বরোড সংযোগ) সড়ক ও লাকসাম-চৌদ্দগ্রাম সড়কের বাঙ্গড্ডা দিঘীর পাড় থেকে পরিকোট বেইলি সেতু পর্যন্ত এবং এলজিইডির নাঙ্গলকোট-দৌলখাঁড়-বক্সগঞ্জ সড়ক, নাঙ্গলকোট-মৌকরা, নাঙ্গলকোট-মাহিনী-বাঙ্গড্ডা সড়কের বেহাল দশা বিরাজ করছে। এলাকাবাসীকে বাধ্য হয়ে বিধ্বস্ত এসব সড়কগুলো দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
এলজিইডির নাঙ্গলকোট-দৌলখাঁড়-বক্সগঞ্জ সড়ক, নাঙ্গলকোট-মাহিনী-বাঙ্গড্ডা সড়ক, মাহিনী হামানপুর-বক্সগঞ্জ সড়ক, নাঙ্গলকোট-মৌকরা সড়কে ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়ে বেহাল দশা বিরাজ করছে। সড়কগুলো দিয়ে এলাকাবাসীকে ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাতায়াত করতে হচ্ছে। বর্তমানে বিধ্বস্ত সড়কগুলো এলাকাবাসীর জন্য মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। সড়কগুলো দিয়ে আধা ঘন্টার যাতায়াতে এক থেকে দেড় ঘন্টা লেগে যায়। এসব সড়কগুলো দিয়ে অসুস্থ রোগী এবং বয়স্কদের যাতায়াতে আরো অসুস্থ করে তুলে।
নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রকৌশলী ফজলুল হক বলেন, উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত ১৮টি সড়ক সংস্কার কাজের প্রাক্কলন ব্যয় তৈরি করে প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটির বরাদ্দ পাওয়ায় কাজ শুরু করা হবে।
সওজের লাকসাম এস,ও মোসলে উদ্দিন বলেন, লাকসাম-নাঙ্গলকোট-চিওড়া (বিশ্বরোড সংযোগ) সড়কটি ১৮ ফুট প্রশস্তকরণের কাজ সমপ্রতি একনেকে অনুমোদন দেয়ায় বর্তমানে পিএমপি প্রকল্প বাতিল করা হয়েছে বিধায় সংস্কারের কাজ বন্ধ। আগামী ডিসেম্বর নাগাদ সড়কটির ডিপিবি প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে।