চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন ১০ আগস্ট

আগামী ১০ আগস্ট বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন জমে উঠলেও সরকারিভাবে নির্বাচন প্রভাবিত করার অভিযোগ তুলে ইউনিয়নের প্রাক্তন নেতা বিজয় প্রসাদ বুনার্জি পক্ষ গত শনিবার নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। চা শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে প্রার্থীরা প্রতীক নিয়ে বাগানে বাগানে সভা করে চলেছেন। ৭টি ভ্যালিতে (অঞ্চলে) দেশের ফাঁড়ি বাগানসহ দুই শতাধিক চা বাগানে নির্বাচনী হাওয়া শুরু হয়েছে। ট্রেড ইউনিয়ন সংঘের আওতাধীন চা শ্রমিক সংঘসহ ১৪টি বাগান পূর্ব থেকেই এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি। সংগ্রাম কমিটির ব্যানারে মাখন লাল কর্মকার ও রাম ভজন কৈরীর নেতৃত্বে একটি পক্ষ ও বিজয় প্রসাদ বুনার্জির নেতৃত্বে অপরপক্ষ সবগুলো চা বাগানে ভোটের জন্য যাচ্ছে। চা শ্রমিক নেতা বিজয় প্রসাদ বুনার্জি বলেন, আমরা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের আশায় নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলাম। কিন্তু সম্প্রতি সরকারের প্রভাবশালী একজন মন্ত্রী ঈদ পুনর্মিলনীর নামে চানপুর, ভাড়াউড়াসহ বিভিন্ন চা বাগান ঘুরে সংগ্রাম কমিটির লোকজনকে ভোট দেয়ার কথা বলছেন। এতে নির্বাচন প্রভাবিত হবে। তাই সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১০ আগস্ট নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে। এটি নির্বাচন কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে লিখিত কপি প্রেরণ করা হচ্ছে। চা শ্রম কল্যাণ কেন্দ্র শ্রীমঙ্গলের উপ-পরিচালক ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য গিয়াস উদ্দীন বলেন, নির্বাচন বর্জনের এখনো লিখিত কোন কাগজপত্র পাননি। চা শ্রমকি সংগ্রাম কমিটির প্রার্থী রাম ভজন কৈরী বলেন, বিজয় প্রসাদ বুনার্জি পক্ষ বড় ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার ভয়েই মূলত তারা নির্বাচন বর্জনের কথা বলছে।