অপছন্দের সঙ্গে মানিয়ে নিতে
প্রকাশ : ০৮ আগস্ট ২০১৪, ১৯:২৩
রোদেলাকে কোনোভাবেই সহ্য করতে পারছে না সুমন। ওর ন্যাকামী দেখলেই মাথা খারাপ হয়ে যায়। ওকে দেখলেই সুমনের ভ্রূ দুটো কুঁচকে যায়। এখন সমস্যা হচ্ছে সোহেলের এই বিরক্তিটা কোনোভাবেই সে আড়াল করতে পারে না। যাকে অপছন্দ করেন তার তার দোষের ঝাঁপি খুলে বসলে রাশি রাশি দোষ বেরোবে। এটা হতে পারে তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু যখন সেই বিরক্তি আপনার ব্যবহারে প্রকাশ পায় এবং অপরজন সেটা বুঝতে পারে, তখনই ব্যাপারটা ব্যক্তিগত থেকে বেরিয়ে আসে, তাই কায়দা করে হলেও অপছন্দের উপর পছন্দের পোশাক পরিয়ে দিতে হবে, কেননা ভালো ব্যবহার বলেও তো একটি ব্যাপার আছে।
সমাধান
কাউকে দেখে কোনো বিরক্তি জাগার নিশ্চয়ই কোনোও কারণ আছে। তাই প্রথমে ভেবে দেখুন কেন আপনি তাকে অপছন্দ করেন। তার সঙ্গে কথা কাটাকাটি বা মনোমালিন্য হয়ে থাকলে কথা বলা মিটিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করুন। কিন্তু যদি কারও স্বভাবটাই বিরক্তির কারণ হয় তাহলে হলে? সেটা আপনি বদলাতে পারবেন না। ও নিয়ে মাথা না ঘামানোই ভালো তার সঙ্গে হাই-হ্যালোটুকু রাখুন এবং অল্প কথায় প্রসঙ্গ শেষ করুন।
আপনার ব্যবহার যেন কখনোই তার মনোভাব ফুটে না ওঠে কাউকে চটিয়ে বা আঘাত করে বিরাগভাজন হওয়াটা কী খুব দরকার? একটা কথা মাথায় রাখুন, আপনি যাকে পছন্দ করেন না সে তা বুঝতে পারে যদি আপনার সাথে যদি খারাপ ব্যবহার করে তাহলে সেটা আবার আপনি সহ্য করতে পারবেন না। তাছাড়া ব্যবহারই তো মানুষের পরিচয়, নিজের আইডেন্টিটিতে কালি ছিটিয়ে লাভ কী।
অপছন্দের মানুষটি সঙ্গে যদি দুবেলা মুখোমুখি হতে হয়, তখন পরিস্থিতি ম্যানেজ করবেন কী করে? ভদ্রতা মুখোশ পরা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। তাই নিজের একপেশে দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে এসে তার অসংখ্য দোষের মধ্যে এক-দুটি গুণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করুন। যাতে অপছন্দের তালিকাটা একটু ছোট হয়।
আপনার বিরক্তিটা যদি কোনো আত্মীয়ের প্রতি হয় তাহলে কিন্তু আপনাকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। কারণ আপনার খারাপ ব্যবহার পারিবারিক সম্পর্কের প্রতি আঘাত আনতে পারে। তাই সে যদি বাড়িতে আসে বা বাইরে দেখা হলে সৌজন্য আলাপ সেরে কেটে পড়ুন।