ঈদে মানুষের নির্বিঘ্নে চলাচল নিশ্চিত করতে যানজট নিরসনে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করছেন রোভার স্কাউট দল। তাদের কাজের দ্বিতীয় দিন থেকেই পুরো যানজট মুক্ত তাড়াশের পৌর শহর।
শনিবার সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের চৌরাস্তা মোড়, প্রেসক্লাব চত্বর, বাসস্ট্যান্ড এলাকা, খাদ্য গুদাম মোড়, বারোয়ারি বটতলা ও পোস্ট অফিস মোড়ে দাঁড়িয়ে কয়েকজন স্কাউট সদস্য। ওইসব গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চালকরা বিভিন্ন যানবাহন বিশৃঙ্খলভাবে গ্যারেজ করার চেষ্টা করলেই বাধা দিচ্ছেন তারা। এছাড়াও শহরের গলি পথে বিভিন্ন দোকানের সামনে সিএনজি, ভ্যান, রিক্সা প্রবেশ করতে চাইলে সেখানেও বাধা দিচ্ছেন। তারা চালকদের কেন্দ্রীয় হেলিপ্যাড মাঠে সব ধরনের যানবাহন গ্যারেজ করার কথা বলছেন। একই সাথে যাত্রী সাধারণ নিয়ে শহরের মধ্যে না ঢুকে পার্শ্ব রাস্তাগুলো দিয়ে চলাচলের জন্য পরামর্শ দিচ্ছেন।
আরও পড়ুন: টেকনাফে বন্দুকযুদ্ধে রোহিঙ্গাসহ নিহত ২
রোভার স্কাউট লিডার ও জেআই টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিজনেজ ম্যানেজমেন্ট কলেজের কম্পিউটার শিক্ষক শাহ আলম জানান, তাড়াশ পৌর শহরে কোথায় ট্রাফিক পুলিশ নাই। উপজেলাবাসীকে যানজটের কারণে ভোগান্তি পোহাতে হয়। প্রতিবছর ঈদের সামনে যানজট বেড়ে যায়। ফলে তাদের কলেজের এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও রোভার স্কাউট দলের ১৮ জন সদস্য স্বেচ্ছা শ্রমের ভিত্তিতে যানজট নিরসনে কাজ করে চলেছেন।
রোভার স্কাউট সদস্য পিংকী, উপমা, সুকুমার, শামিম হোসেন, ফাহাদ হোসেন, মাসুদ রানা, রাশেদুল ইসলাম প্রমূখ জানিয়েছেন, মাত্র এক দিনেই তারা তাড়াশ পৌর শহরের যানজট নিরসনে সফল হয়েছেন। এখন শহর মূখো সব মানুষ তাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারছেন। এদিকে যানজট নিরসনে রোভার স্কাউট সদস্যদের সময়পযোগী কর্মকান্ডকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
এ প্রসঙ্গে উপজেলা শিক্ষা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফকির জাকির হোসেন বলেন, স্কাউট দলের উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। পড়ালেখার পাশাপাশি মানুষ ও মানবতার কল্যাণে এ ধরনের কাজ তাদের সামাজিক মূল্যবোধ জাগিয়ে তুলতে ও বিবেকবান মানুষ হয়ে গড়ে উঠতে সহায়তা করবে।
ইত্তেফাক/এমআরএম