‘ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের’

জনগণের ক্রয়ক্ষমতা আগের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে এমন বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সাধারণ জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়েনি। জনগণের ক্রয়ক্ষমতা বাড়লে টিসিবির ট্রাকের পেছনে এত বড় লাইন হতো না। ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের মন্ত্রী-এমপি ও নেতাদের। ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে হাছান মাহমুদ-ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগ-যুবলীগ-ছাত্রলীগের।

বুধবার জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের উদ্যোগে রাজধানীর শাহবাগস্থ বিএসএমএমইউ হাসপাতালের সামনে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে লিফলেট বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। লিফলেট বিতরণকালে বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম, মহিলা দলের সভাপতি আফরোজা আব্বাস, যুবদল মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক গোলাম মওলা শাহিন,সদস্য সচিব খন্দকার এনামুল হক এনাম, যুগ্ম-আহ্বায়ক রবিউল ইসলাম নয়ন,মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের আহ্বায়ক খালিদ হাসান জ্যাকি, সদস্য সচিব আলামিন হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

রিজভী বলেন, ‘গণমাধ্যমের খবর-মানুষ দুপুর বেলা ভাতের বদলে বনরুটি ও কলা খেয়ে থাকছে। একেবারে দুর্ভিক্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ। জনগণকে অনিদ্রায় রেখে শুধু নিজের ও নিজের লোকদের ভালো করছেন। নিজের লোকেরা বিদেশে টাকা পাচার, ডুপ্লেক্স বাড়ি করার ব্যবস্থা করছেন। আর দেশের মানুষ কোন রকম ভাবে কলা-রুটি খেয়ে বেঁচে থাকে। তাও আবার সরকারি চাকরিজীবী মধ্যম আয়ের মানুষ। আগে যারা মেসে থাকতো তারা একটা ডিম ভেজে ভাত খেত, সেই ডিম ভেজে ভাগ করার মত সামর্থ্য মধ্যম আয়ের মানুষের নাই। নিম্ন আয়ের মানুষের কথা বাদই দিলাম।’ 

বিএনপির ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের কারণে দ্রব্যমূল্য বেড়েছে’-মন্ত্রীদের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, বিএনপির নেতাকর্মীরা প্রতিদিন হামলা-মামলার শিকার হচ্ছে। সিন্ডিকেট গোটা মাফিয়া চক্র সব ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের। ক্যাসিনো জুয়া সমস্ত সিন্ডিকেটের মালিক তারা। এবং তারা কারা তাদের নামও তো আপনাদের গণমাধ্যমে এসেছে। সুতরাং এগুলো তারা বিভ্রান্ত করার জন্য বলেন কিন্তু মানুষ বিভ্রান্ত হয় না তারা আরও হাসির পাত্র হয়। আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরা যখন কথা বলেন তখন তারা হাসির পাত্র হয়।