গঙ্গাচড়ায় তিস্তার বালু চরে মিষ্টি কুমড়া চাষ হচ্ছে। কুমড়া চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। আর এ কারণেই মিষ্টি কুমড়া চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। উপজেলার সাত ইউনিয়নের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া তিস্তা নদীর বিস্তীর্ণ এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে বালু আর বালু। চিকচিক বালুতে লিক লিক করে বেড়ে উঠছে কুমড়া খেত।
সরেজমিনে তিস্তার ছালাপাক চর, রাজবল্লব, ধামুর, মহিপুর, শংকরদহ, কোলকোন্দ চরসহ বিভিন্ন চরে দেখা গেছে, তিন থেকে চার ফুট গভীরে গর্ত খুঁড়ে কুমড়া গাছ লাগানো হয়েছে। ডালপালায় বিস্তীর্ণ হয়েছে। লিক লিক করে বেড়ে উঠছে কুমড়ার ডগাগুলো। কুমড়াও ধরেছে। কুমড়া বিক্রিও চলছে।
উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের ছালাপাক এলাকার কৃষক সহিদার রহমান বলেন, এ বছর আট বিঘা জমিতে কুমড়া লাগিয়েছেন। ইতিমধ্যে তিনি সাড়ে ছয় লাখ টাকার মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করেছেন। আরো দুই থেকে তিন লাখ টাকার বিক্রি করবেন। কুমড়া চাষে তার খরচ হয়েছে আড়াই লাখ টাকা। ১২ থেকে ১৬ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে কুমড়া।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বলেন, এবার মিষ্টি কুমড়া চাষ করে অনেক মুনাফা করছেন কৃষকরা। চরাঞ্চলে কোনো জমি এখন আর পতিত থাকে না।