তারুণ্যের পছন্দ ট্রেন্ডি অ্যাথলেজার

অ্যাথলেজার বলতে যে ধরনের পোশাককে বোঝানো হয়, তা আজকাল এতটাই জনপ্রিয় হয়েছে যে নতুন তৈরি এই শব্দটি ঠাঁই পেয়েছে অভিধানে! যে ধরনের পোশাক আপনি ব্যায়াম করার সময় পরেন, তা প্রতিদিনের জীবনে পরাটাই এখন ফ্যাশন। 

পোশাকের নিত্যনতুন স্টাইল বা ধারা তো নির্ভর করে তরুণদের পছন্দের ওপর। অ্যাথলেজারের সুবিধাটা হচ্ছে, এটি দেখতে যতটা ভালো, পরেও ঠিক ততটাই আরাম। তাই অল্প বয়সীদের মধ্যে অ্যাথলেজারের জনপ্রিয়তা দিনকে দিন বাড়ছে।

অ্যাথলেজারে স্টাইল করতে চাইলে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করাটাই সবচেয়ে সহজ

সত্যি বলতে কী, নাগরিক জীবনে কমবেশি সব মানুষেরই ব্যস্ততা বেড়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে শরীর সম্পর্কে সচেতনতাও। আর কিছু হোক বা না হোক, সবাই শারীরিক সৌন্দর্য সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠেছেন। তাই এই ধরনের স্টাইলিশ পোশাক পরে সর্বত্র যাওয়াটাই ক্রমশ ট্রেন্ড হয়ে দাঁড়াচ্ছে। হলিউড থেকে বলিউড, টালিগঞ্জ থেকে টলিউড গ্ল্যামারাস সব সেলেবদের অঙ্গে অ্যাথলেজার শোভা পেতে দেখা যাচ্ছে অহরহ। 

অ্যাথলেজারে স্টাইল করতে চাইলে মিক্স অ্যান্ড ম্যাচ করাটাই সবচেয়ে সহজ। ধরুন, স্পোর্টস টি-শার্ট পরলেন, সঙ্গে চাপিয়ে নিতে পারেন লেদার জ্যাকেট। সঙ্গে রাখতে পারেন ওয়েজ হিল। আরামদায়ক স্নিকার্স পরা যায় লেস বা শিফন ড্রেসের সঙ্গেও। আর জিনস পরা যায় সোয়েট শার্টের সাথে।

পোশাকের নিত্যনতুন স্টাইল বা ধারা তৈরি হয় তরুণদের পছন্দের ওপর

অ্যাথলেজার পোশাক পরে ইচ্ছে করলে বন্ধুদের সঙ্গে দুপুরে বা সন্ধেবেলা খেতে যেতে পারেন। আউটিং বা পিকনিকের জন্যও অ্যাথলেজার সেরা অপশন। এখানেও একটা নিয়ম আছে, যেখানে যাচ্ছেন, সে জায়গাটি যদি ফরমাল হয়, তা হলে আপনার পোশাকের ফ্যাশন কোশেন্ট বেশি হওয়া উচিত। যত ক্যাজুয়াল জায়গা, তত বেশি অ্যাথলেটিক জামা বেছে নিতে পারেন। সেই সঙ্গে পরুন বাছাই করা গয়না, তাতে স্টাইল কোশেন্ট বাড়বে।

আর হ্যাঁ, এই ধরনের পোশাক পরে জিমে ব্যায়াম না করাই ভালো। সে ক্ষেত্রে ওয়ার্কআউট করার উপযোগী পোশাক ও জুতা পরুন অবশ্যই। আর জিমের বাতিল করা জামা, লেগিংস বা জুতা দিয়ে কিন্তু কোনো স্টাইলিশ লুক তৈরি করা সম্ভব নয়, এমনটা চিন্তাও করবেন না।