চাটখিলে সরকারি খালের মাটি বিক্রি

চাটখিল উপজেলার রামনারায়ণপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের কুন্ডিশপাড়া নেছার মায়ের পোল থেকে লোহার পোল পর্যন্ত দুই কিলোমিটার খাল খননের পর খালের দক্ষিণ পাড়ের স্তূপকৃত মাটি বিক্রির জমজমাট ব্যবসা চলছে। 

স্থানীয়ভাবে অভিযোগ রয়েছে, এই ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ বাহার। 

স্থানীয় কুন্ডিশপাড়া গ্রামের কৃষক আবুল বাশার সোহাগ, জাহাঙ্গীর, নুর মোহাম্মদসহ আরো বেশ কয়েক জন কৃষক জানান, খাল খননের কারণে ভেকো মেশিনের ব্যবহারের ফলে খননকৃত মাটি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখার কারণে তাদের ইরি, বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পরবর্তীকালে ঐ স্তূপকৃত মাটিতে তারা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে শাকসবজি চাষাবাদ করেন। 

এ অবস্থায় এসব মাটি বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রতিদিন পিকআপে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। চেয়ারম্যান হারুন অর রশিদ বাহার মাটি বিক্রির কথা অস্বীকার করে বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান তাদের নিজ খরচে মাটি নিয়েছে। 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এস এম মোসা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ম মোতাবেক রেজুলেশনের মাধ্যমে এসব মাটি স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ জনকল্যাণমূলক প্রতিষ্ঠান নিজ খরচে নিতে পারে।  

পানি উন্নয়ন বোর্ডের নোয়াখালীর উপসহকারী প্রকৌশলী জামিল আহমেদ বলেন, সরকারি খালের এ মাটি নিলামের মাধ্যমে বিক্রি করতে হয়| যারা অবৈধভাবে মাটি বিক্রি করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে|