সোমবার (১৬ মে) তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে সম্পূর্ণ নিদোর্ষ প্রমাণিত হয়েছেন টিটিই শফিকুল ইসলাম। এতে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন তিনি।
শফিকুল ইত্তেফাককে বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি। মহান আল্লাহতালা কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি কোনো অন্যায় ও অপরাধ করিনি। কখনও অপরাধের সঙ্গে কোনো আপোষও করি না। আল্লাহতালা আমার সততার মূল্যায়ন করেছেন। আগামী দিনেও সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবো ইনশাল্লাহ।’
তার কর্মস্থল ঈশ্বরদী জংসন স্টেশনের টিটিই পরিদর্শকের কার্যালয়ে শফিকুল আরও বলেন, ‘আমি কখনও যাত্রীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করি না। ওই দিনও করিনি। আমি প্রথম দিন থেকে যা বলে আসছি তদন্তে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে।’
ট্রেনের কন্ট্রাক্টর গার্ড শরিফুল ইসলাম কেন ফাঁসাতে চেয়েছিলেন, তার সঙ্গে কোনো ঝামেলা আছে কি-না জানতে চাইলে টিটিই তিনি বলেন, ‘কেন তিনি আমাকে ফাঁসাতে চাইলেন, তা আমি জানি না। রেলের কোনো কর্মকর্তা বা স্টাফের প্রতি আমার ক্ষোভ নেই।’
প্রসঙ্গত, ঈশ্বরদী রেল জংশন থেকে গত ৫ মে রাতে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে টিকেট ছাড়া এসি কেবিনে উঠে বসেন রেলপথমন্ত্রীর আত্মীয় তিন যাত্রী। রেলের ভ্রাম্যমাণ টিকিট পরীক্ষক (টিটিই) শফিকুল ইসলাম জরিমানাসহ তাদের টিকিট বানিয়ে দিয়ে রোষানলে পড়েন।
ওই তিন যাত্রীর মধ্যে ইমরুল কায়েস প্রান্ত টিটিই’র বিরুদ্ধে অশোভন আচরণের অভিযোগ তোলেন। পরে টিটিই শফিকুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করেন। ঘটনাটি বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ হলে সর্বত্র আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে।
এরই পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ মে রেলমন্ত্রীর নির্দেশে টিটিই শফিকুলের বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। আজ তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এতে টিটিই শফিকুল নির্দোষ প্রমাণিত হন।
ইত্তেফাক/এএইচ