সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মানুষ গোলপাতার ঘরের পরিবর্তে টিনের বা সেমিপাকা ঘরের দিকে ঝুঁকছেন। এতে পাইকগাছায় কমছে গোলপাতার চাহিদা। অন্য বছরের চেয়ে চলতি বছরে গোলপাতার চাহিদা আরো কমেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন বাওয়ালি ও গোলপাতা ব্যবসায়ীরা।
খুলনার পাইকগাছা উপজেলার কপিলমুনির মো. কুদ্দুস গাজী ও নজরুল ইসলাম জানান, মৌসুমের শুরুতেই প্রতি বছর দুই বার করে নৌকায় ৫/৭ লাখ টাকার গোলপাতা কিনে আড়তদারি করে থাকি। প্রায় ২৫ বছর ধরে সুন্দরবনের গোলপাতা ব্যবসা করে আসছি। কিন্তু পাতার ব্যবসায় এ রকম ধস আগে কখনো দেখিনি।
তারা বলেন, একদিকে বিক্রি নেই; তার ওপর বন বিভাগ যে পরিমাণ কর খাজনা ধার্য করেছে তাতে মহাজন আড়তদাররা বিপাকে রয়েছেন।
এ বিষয়ে বন কর্মকর্তা শেখ শাহিনুর রহমান বলেন, গোলপাতা কর্তন কুপগুলো এলাকাভিত্তিকভাবে ডাকে বিক্রয় হয় বরাবরই। সেক্ষেত্রে সরকার ধার্যকৃত কর খাজনা দিয়ে বাওয়ালিরা গোলপাতার কূপ কর্তন করতে যায়।