ঈদ আনন্দে অতিথি আপ্যায়ন 

ঈদ মানে আনন্দ করে আড্ডা ও খাওয়াদাওয়া। যদিও করোনা এখন নেই বললেই চলে, তারপরেও স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এতে সুরক্ষিত থাকতে পারবেন আপনি ও আপনার কাছের প্রিয় মানুষেরা। ঈদে অতিথিকে অভ্যর্থনা জানানো বেশ প্রচলিত। 

অতিথি এলে কুশল বিনিময়ের পর আপ্যায়ন করুন মজার সব খাবারে। অনেকে ঘরে রঙিন বাতি ও মিউজিকের মাধ্যমে অতিথিকে অভ্যর্থনা জানিয়ে থাকেন। সে সময় আপ্যায়ন করতে পারেন সেমাইসহ অন্যান্য মিষ্টি জাতীয় খাবার দিয়ে। কেউ কেউ মিষ্টি খাবার কম পছন্দ করলে তাদের জন্য চটপটি, নুডলস, কাবাব বা কাটলেটের ব্যবস্থা রাখতে পারেন।

নাগরিক ব্যস্ত জীবনে ঈদে যেটুকু অবসর পাওয়া যায়, সেখানে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, আড্ডায় মেতে ওঠতে পারাটাই খুব আনন্দের

সময়টা এখন কখনও মেঘ, কখনও বৃষ্টি কিংবা রোদের চোখ রাঙানো। এমন ভ্যাপসা গরমে অতিথি এলে তাকে ফলের শরবত দিতে পারেন। দুপুরে মেন্যুতে পোলাও, খিচুড়ি, বিরিয়ানি, কোরমা, গরু-খাসির রেজালা, গরু-খাসির মাংসের রোস্ট, কাবাব—যাই থাকুক না কেন, চেষ্টা করবেন পরিমিত তেল-মসলা দিয়ে রান্না করতে। ডেজার্ট আইটেমে পায়েস, জর্দা ছাড়াও রাখতে পারেন ঘরে তৈরি বোরহানি। এটি কোমল পানীয়ের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে আপনাকে রক্ষা করবে। 

ঈদ উপলক্ষে প্রতিটি বাড়িতেই থাকে সাধ ও সাধ্যের মধ্যে মুখরোচক বিভিন্ন খাবারের আয়োজন

বিকালে, সন্ধ্যায় অতিথি এলে খাবার দেওয়ার তোড়জোড় না করে বরং কুশল বিনিময় করুন। চটপটি, হালিম, নুডলস, বিফ বা মাটন রোল, কাবাবের মতো খাবারগুলো দিতে পারেন। শেষে চা বা কফি বাড়িয়ে দিতে পারে আড্ডার সৌন্দর্য। রাতে অতিথি আপ্যায়নে ভারী খাবার প্রস্তুত রাখতে পারেন। বিরিয়ানি, মাংসের মুখরোচক ভিন্ন ভিন্ন পদ ছাড়াও খাবার শেষে মিষ্টি বা টক দই রাখতে পারেন।