তখন তিনি 'তারকা' নন। নেহাতই আনকোরা। অভিনয়ের অ-আ-ক-খ বুঝতে শুরু করেছেন। ক্যারিয়ারের এমনই সময় চরম অপমানিত হতে হয়েছে তাকে।
প্রায় দু'দশক আগের কথা। ‘কাধাল কোনেদিন’ ছবির শ্যুট করছিলেন ধনুষ। বয়স তখন মেরেকেটে উনিশ-বিশ। চেহারা নিয়ে নানা কটূক্তির শিকার হয়েছিলেন অভিনেতা। সহকর্মীরাই অপমান করতেন তাকে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'শ্যুট চলাকালীন আমার কাছে জানতে চাওয়া হয় ছবির নায়ক কে। আমি কাস্টের অন্য এক সদস্যকে দেখিয়ে দিয়েছিলাম। কারণ আমি আরও অপমানিত হওয়ার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। কিন্তু পরে ওরা সত্যিটা জানতে পারে। আমাকে দেখতে হাসাহাসি করে।'
বিখ্যাত পরিচালক কস্তুরী রাজার ছেলে ধনুষ। সেই সূত্রে তারকা-সন্তান। এই তকমা যদিও তাকে কোন বাড়তি সুবিধা দেয়নি। তার কথায়, 'ব্যঙ্গ করে বলা হয়েছিল, 'এই অটোড্রাইভারটা নাকি নায়ক'। আমি আমার গাড়ির কাছে গিয়ে চিৎকার করে কেঁদেছিলাম। তখন বয়স অনেক কম ছিল। সংযম ছিল না।'
ধনুষ জানান, চেহারার জন্য নানা ভাবে অপমানিত হতে হয়েছে তাকে। ধেয়ে এসেছে ট্রোল-কটাক্ষ। 'অটোড্রাইভার কি নায়ক হতে পারে না?', প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন অভিনেতা।
বর্তমানে দক্ষিণী ইন্ডাস্ট্রি তথা বলিউডের অন্যতম সফল অভিনেতা ধনুষ। অসংখ্য সফল ছবি তার ঝুলিতে। এবার আন্তর্জাতিক প্রোজেক্ট 'দ্য গ্রে ম্যান'-এও দেখা যাবে তাকে।
হিন্দুস্থান টাইমস