আমন ধান রোপণের উপযুক্ত সময় শ্রাবণ মাস। কিন্তু এ সময়ও বৃষ্টির দেখা নেই। ফলে খেত ফেটে চৌচির। মরে যাচ্ছে বীজতলার চারা। বর্ষার মৌসুমেও বৃষ্টিপাত না হওয়ায় নিরুপায় হয়ে কৃষকরা শ্যালো মেশিন দিয়ে পুকুর-বিল থেকে সেচ দিয়ে আমনের চারা রোপণ করেছে। এতে বাড়ছে ধানের উৎপাদন খরচ।
পাইকগাছা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলায় ১৭ হাজার ২৫৩ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এজন্য ৯৫ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হবে।
উপজেলার হিতামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুস সালাম বলেন, আমন ধানের খেত প্রস্তুত ও রোপণ সম্পূর্ণ বৃষ্টির পানির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু ভরা বর্ষা মৌসুমেও বৃষ্টির দেখা নেই। জমিতে পানি না থাকায় আমন ফসলের মাঠ ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। এক দিকে পানির অভাবে জমি প্রস্ত্তত করা যাচ্ছে না, অন্যদিকে পানির অভাবে বীজতলা শুকিয়ে ধানের চারা মরে যাচ্ছে।
আরেক কৃষক আজিবার আ. করিম জানান, অন্যান্য বছর এই দিনে জমিতে আমন ধান লাগানো প্রায় শেষ হয়ে যায়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, ঠিকমতো বৃষ্টি না হওয়ায় আমন বীজতলা তৈরি ও চারা রোপণে কিছুটা দেরি হচ্ছে। বৃষ্টি হলে আমন আবাদ স্বাভাবিক হয়ে যাবে।