বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর উদ্যোগে পালিত হয়ে গেলো বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী। দূতাবাসগুলোতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়।
নয়াদিল্লি, ভারত
নানা আয়োজনে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মদিন পালন করেছে বাংলাদেশ হাই কমিশন, নয়াদিল্লি। দিবসটি উপলক্ষে সকালে দূতাবাসের হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরান এর নেতৃত্বে দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ ও কর্মচারীবৃন্দ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তার সহধর্মিনী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন।
পরে বেগম মুজিবের স্মরণে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু হল মিলনায়তনে হাই কমিশনার মোহাম্মদ ইমরানের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা পরিচালনা করেন দূতালয় প্রধান শাহেদ বিন আজিজ।
কুনমিং, চীন
বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেল কুনমিং, চীনে আজ সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহধর্মিণী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে কনসাল জেনারেল এ এফ এম আমিনুল ইসলাম বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পন করে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। বঙ্গমাতার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে রাষ্ট্রপ্রতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক প্রেরিত বাণী পাঠ করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবন ভিত্তিক একটি প্রামাণ্য চিত্র প্রদর্শন করা হয়।
ব্যাংকক
আজ যথাযোগ্য মর্যাদায় বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী পালন করেছে বাংলাদেশ দূতাবাস, ব্যাংককে। অনুষ্ঠানে দূতাবাসের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
দিনের শুরুতে দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) ফাহাদ পারভেজ বসুনীয়া। এরপর রাষ্ট্রদূত মো. আব্দুল হাই বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁদের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
অনুষ্ঠানে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
মালদ্বীপ
মহীয়সী বঙ্গমাতার চেতনা অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা প্রতিপাদ্য নিয়ে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী মালদ্বীপে বাংলাদেশ হাইকমিশনের হলরুমে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপন করা হয়। পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং প্রধানমন্ত্রীর প্রেরিত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন হাইকমিশনার রিয়ার এডমিরাল এস.এম. আবুল কালাম আজাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, হাইকমিশনের প্রথম সচিব ও চ্যান্সারি প্রধান মো. সোহেল পারভেজ, তৃতীয় সচিব মো. মিজানুর রহমান, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মালদ্বীপ শাখার সভাপতি ও ব্যবসায়ী আলহাজ্ব দুলাল মাদবর।
হ্যানয়, ভিয়েতনাম
‘মহিয়সী বঙ্গমাতার চেতনা; অদম্য বাংলাদেশের প্রেরণা’- প্রতিপাদ্য নিয়ে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য সহধর্মিনী বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের ৯২তম জন্মবার্ষিকী বাংলাদেশ দূতাবাস, হ্যানয়, ভিয়েতনাম-এ যথাযোগ্য মর্যাদায় এবং ভাবগম্ভীর পরিবেশে স্মরণ করা হয়।
দিবসটি স্মরণ ও পালন উপলক্ষে বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব-এর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত এবং বঙ্গমাতার জীবনী নিয়ে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় । দূতাবাসের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ সপরিবারে এবং ভিয়েতনামে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশীগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
স্মরণ সভার শুরুতে রাষ্ট্রদূত সামিনা নাজ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিসংবাদিত নের্তৃত্বের কথা সশ্রদ্ধচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এবং বঙ্গবন্ধুর পরিবারের অন্যান্য শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।