‘সামর্থ্য না থাকলে, এতদূর আসা যায় না’

এমন নয় যে, আগে কখনো অফ ফরমে থাকেননি। ছিলেন, কিন্তু এতটা সময় নয়। প্রায় তিন বছর হতে চলল তার ব্যাট থেকে আসেনি কোনো সেঞ্চুরি। বিরাট কোহলির ক্যারিয়ারে এমন দুঃসময় আসবে তা হয়তো কেউই ভাবেননি। সেঞ্চুরি ও রানের বন্যা বইয়ে দেওয়া এই ব্যাটসম্যান এখন নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন।

সামনেই এশিয়া কাপ। যেখানে কোহলির ওপর নজর থাকবে বেশ ভালোভাবেই। এক মাসেরও বেশি সময় বিশ্রাম কাটিয়ে ব্যাট হাতে জ্বলে উঠবেন, নাকি ব্যর্থতার জালে ঘুরপাক খাবেন—সেটাই দেখার অপেক্ষা। দুঃসময়ে অন্য সবার মতোই সমালোচনা শুনতে হচ্ছে কোহলিকেও। কেউ কেউ আবার তার সামর্থ্য নিয়েও প্রশ্ন তুলেন।

তাদের উদ্দেশে কড়া বার্তাই দিলেন কোহলি, ‘আমি জানি আমার খেলা কোন অবস্থায় রয়েছে। পরিবেশ, পরিস্থিতি ও ভিন্ন ধরনের বোলিং আক্রমণের পালটা জবাব দেওয়ার সামর্থ্য না থাকলে নিজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারকে এতদূর টেনে নিয়ে আসা যায় না।’

দুঃসময় থেকে না পালিয়ে বরং শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে চান কোহলি, ‘অতীতকে অবহেলা করছি না। সেখান থেকে শিখতে চাইছি। এক জন ক্রীড়াবিদ এবং মানুষ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলোকে চিহ্নিত করছি। খেলায় উত্থান-পতন থাকবেই। যখন তা কাটিয়ে উঠবো, তখন আমি জানি কতটা ধারাবাহিক হতে পারি। আমার অভিজ্ঞতা আমার কাছে পবিত্র। এই সময়ে বা আগে যা কিছুর অভিজ্ঞতা হয়েছে, তাতে একটা জিনিস বলতে পারি যে, আমি নিজেকে কখনোই ব্যক্তি হিসেবে মূল্যায়ন করিনি।’

সবশেষ ইংল্যান্ড সফরে নাজুক অবস্থায় ছিলেন কোহলি। সমস্যাটা কোথায় নিজেও বুঝতে পারছেন না, ‘এই মুহূর্তে ঠিক বোঝা যাবে না, সমস্যাটা ঠিক কোথায়। সুতরাং, আমার কাছে সহজ রাস্তা হলো, প্রক্রিয়া মেনে এগিয়ে যাওয়া। আমিও বুঝতে পারছি, কিছু ক্ষেত্রে ভালো ব্যাটিং করছি, ছন্দে ফেরার অনুভূতি হয়েছে। ইংল্যান্ডে সেটা মনে হয়নি। আমাকে আরো পরিশ্রম করতে হবে।’