অনেকদিনের আলস্য ঝেরে নিয়মিত জিমে যাচ্ছেন। করছেন ওয়ার্কআউট। অথচ লক্ষ্য করলেন ওজনটা কমছে না। আরে! জিম করেও যদি ওজন না কমে তাহলে যাবো কোথায়? হতাশ না হয়ে ভাবুন সমস্যা কোথায়।
ফিটনেস ধরে রাখতে সঠিক সময়, সঠিক ব্যায়াম ও সঠিক অভ্যাস অত্যন্ত জরুরি। আপনার কিছু বদভ্যাসের কারণে এত পরিশ্রমের ওয়ার্কআউট বৃথা হতে পারে। কি সেই বদভ্যাস? চলুন জেনে নেই:
ভুল ব্যায়াম করা
জিমে গিয়ে এক্সারসাইজ করলেই সুফল মিলবে এমনটা না। অনেকে কোচের পরামর্শ ছাড়াই গুগল ঘেঁটে ব্যায়াম শিখে নেন। এমনটা করবেন না। ভুল নিয়মে ব্যায়াম করলে শরীর ও মাংসপেশির ক্ষতি হয়। তাই কোচের পরামর্শ নিয়ে সঠিক ব্যায়াম করুন।
খালি পেটে ব্যায়াম করবেন না
এতে আপনার দোষ হয়তো নেই। অনেক বিশেষজ্ঞরাই বলেন খালি পেটে ব্যায়াম করা ভালো। তবে আদৌ কি তা? খালি পেটে ব্যায়াম করলে দ্রুত দুর্বল ভাব কাজ করতে পারে। দেহে সুগারের মাত্রা কমে ও মাংসপেশি থেকে ঘামের মাধ্যমে গ্লাইকোজেন বের হয়ে যায়। সেজন্যে ওয়ার্ক আউটের ৪৫ মিনিট আগে গ্লুকোজ, কলা অথবা লো-ক্যালরির দই খাবেন।
কার্ডিও
অতিরিক্ত ওজন কমাতে কার্ডিও ব্যায়ামের জনপ্রিয়তা অনেক। তবে ৩০ থেকে ৬০ মিনিটের বেশি কার্ডিও করা ঠিক না। এই এক্সারসাইজ আপনার পেশি শক্তিকে দুর্বল করে দেয়। এতে পেশিতে টান ও ব্যথা হতে পারে।
খাদ্যাভ্যাসে ভুল ও অনিয়ম
খাদ্যাভ্যাসে কাটসাট কিংবা অনিয়ম করে ওজন কমানো সম্ভব না। ওয়ার্কআউটে সুফল পাওয়ার জন্যে বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ডায়েট করে নিন। তবে খাবারে কাটসাট করবেন না।
ঘুমহীনতা
পর্যাপ্ত ঘুম না হলে ওয়ার্কআউটের সময় দুর্বল লাগতে পারে। অতিরিক্ত স্ট্রেস ও ব্যায়ামের স্ট্রেস আপনার স্বাস্থ্যের আরো অবনতি ঘটাতে পারে।
ডায়েটে কম প্রোটিন রাখা
ওয়ার্কআউটের পর ডায়েটে প্রোটিন রাখতেই হবে। প্রোটিনসমৃদ্ধ ডায়েট মেটাবোলিজম বাড়াতে সাহায্য করে। তাছাড়া প্রোটিন দীর্ঘক্ষণ পাকস্থলিতে থাকায় অতিরিক্ত খাবার খাওয়া থেকে আপনায় বিরত রাখে। সেজন্যে প্রচুর প্রোটিন সমৃদ্ধ ডায়েট অনুসরণ করুন।
একই ওয়ার্কআউট
একই ওয়ার্কআউটে অভ্যস্ত হয়ে গেলে মাংসপেশি একই জায়গায় আটকে যাবে। এতে আপনার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে না। তাই ওয়ার্ক আউটে বৈচিত্র্য আনুন।