পেরিমেনোপজের ৫ লক্ষণ

সচরাচর নারীদের বয়স ৪০ পেরোলেই মেনোপজ শুরু হয়। এটি একটি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া। তবে সঠিক সময়টির বিষয়ে এখনো কেউ সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। চিকিৎসকরা অবশ্য একমত একটি বিষয়ে ৪০ এর আশপাশে মেনোপজের লক্ষণ ফুটে ওঠার মানেই পেরিমেনোপজ। এটি কবে হবে তা বংশগতির ধারার ওপর খানিকটা নির্ভর করে। সেক্ষেত্রে মেনোপজ শনাক্ত করবেন কিভাবে? 

পেরিমেনোপজে ত্বক ও চুলের শুষ্কতা দেখা দেয়

অনিয়মিত পিরিয়ড

অনিয়মিত পিরিয়ড কথাটিকে একটু বিস্তৃতভাবেই বিচার করতে হবে। কারও মাসে একাধিকবার ব্লিডিং আবার কারও ব্লিডিং কম হওয়া মানেই অনিয়মিত পিরিয়ড। অনেকের ক্ষেত্রে টানা তিন-চার মাস ব্লিডিং বন্ধ থাকে। আবার টানা ১২ মাস পিরিয়ড না হলে মেনোপজ শুরু হয়েছে ধরে নেওয়া যায়। তবে এত দ্রুত সিদ্ধান্তে আসার আগে যারা বিবাহিত তাদের প্রেগন্যান্সি টেস্ট করিয়ে নেওয়া উচিত। 

প্রচণ্ড ঘাম ছুটে ঘুম ভাঙছে

আচমকা রাতে জেগে উঠলেন। চারদিন শুনশান। এদিকে ঘাড় থেকে শুরু করে সারা শরীর অঝোরে ঘামছে। প্রচণ্ড গরমে কান ও মাথা জ্বলছে। এটাও পেরিমেনোপজের লক্ষণ।

মেনোপজের সময় মুড সুইং খুব স্বাভাবিক একটা বিষয়

ত্বক ও চুলের শুষ্কতা

নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নিচ্ছেন তবুও স্বাস্থ্যের উন্নতি নেই। বুঝে নিতে হবে স্ত্রী হরমোনে ঘাটতি আছে। এজন্যেই চুল হচ্ছে রুক্ষ্ম আর ত্বক হারাচ্ছে লাবণ্য। এক্ষেত্রে ব্যায়াম শুরু করুন। হয়তো তাতে স্ত্রী হরমোন বাড়বে না কিন্তু ব্যায়ামে ত্বক ও চুল ভালো থাকে।

যোনিপথে শুষ্কতা

পেরিমেনোপজ শুরু হলে অনেকেরই যোনিপথের আশপাশ শুষ্ক হতে শুরু করে। এতে অনেক সময় যৌনমিলনে অসুবিধা হয়। যদিও অনেকে এই সমস্যা সহজে টের পান না।

শরীরচর্চায় স্ত্রী হরমোন বাড়বে না কিন্তু এতে ত্বক ও চুল ভালো থাকে

মুড সুইং

মেনোপজের সময় মুড সুইং হয় একথা সর্বজনবিদিত। এসময় অনেকেই বিষণ্ণতায় ভোগেন। একথা বলে নেওয়া ভাল। মেনোপজের ফলে শুধু প্রজননক্ষমতা নষ্ট হয়। স্বাভাবিক জীবনে আহামরি পরিবর্তন আসে না।