বাড়িতে কম খাচ্ছেন। অফিসেও নানাভাবে খাবারে নিয়ন্ত্রণ আনতে চেষ্টা করছেন। এদিকে ওজন বেড়েই চলেছে। এমন হলে ব্যালেন্সড ডায়েট জরুরি। অনেকেই লো কার্ব ডায়েট অনুসরণ করতে চান মেদ ঝরাতে। সেটা কিভাবে করবেন? অনেকেই বিষয়টি নিয়ে কনফিউশনে ভোগেন। লো-কার্ব ডায়েট শুরুর আগে যা যা বিষয় জানা প্রয়োজন সেগুলো নিয়েই আজকের এই আলোচনা।
প্রথমে জেনে নেই, লো-কার্ব ডায়েট কি?
লো-কার্ব বলতে মূলত শর্করার পরিমাণ কমিয়ে প্রোটিন ও ফ্যাট জাতীয় খাবার খাদ্যতালিকায় যুক্ত করাকে বোঝায়। তবে অনেকে একে কিটো ডায়েটের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। লো-কার্ব ডায়েটের অনেক ধরণ আছে। প্রতিটি ধরনেই নিয়ম আলাদা। কতটুকু শর্করা খাবেন তা আপনার ডায়েটের ধরণের ওপর নির্ভর করে।
লো-কার্ব ডায়েট অনুসরণে কি খাবেন আর কি খাবেন না?
ডায়েট করার প্রথমেই সবার প্রশ্ন থাকে কি কি খাবার খাবেন না। উত্তরটা অবশ্য জানাই। চিনি খাওয়া বাদ দিন। দেহে চিনির পরিমাণ বাড়লে মেদ জমে। চিনির জন্যেই দেহে বাড়তি মেদ জমে। এছাড়াও পাউরুটি, ভাত, আলু, পাস্তা, নুডলস নিয়মিত খেলে বাদ দিতে হবে।
তাহলে কি খাবেন? এই উত্তরটাও সহজ। মাংস, মাছ, সবুজ শাকসবজি, মাখন, মিষ্টি আলু, ব্রাউন রাইস, বাদাম ও শস্যবীজ, অলিভ অয়েল, বিভিন্ন ফল যেগুলোতে মিষ্টি তুলনামূলক কম, পনির ইত্যাদি।
খাবারের পরিমাণ কেমন হবে?
এটি আপনার ডায়েটের ধরণের ওপর নির্ভর করে। তবে আমরা কিছু বদভ্যাসের কারণে বেশি খেয়ে ফেলতে পারি। সেজন্যে খাবারে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিন। আস্তেধিরে চিবিয়ে চিবিয়ে খান। যখন মনে হবে ক্ষুধা মিটেছে, খাওয়া বন্ধ করুন। এও মনে রাখতে হবে, পেট পুরোপুরি ভরাট করবেন না।
কতটুকু সুফল মিলবে?
এ বিষয়ে রায় দেওয়া মুশকিল। দৈনিক আপনার কত ক্যালরি খরচ হচ্ছে তার ওপর ভিত্তি করে বলা যেতে পারে। অনেকে মনে করেন লো-কার্ব ডায়েটে শুধু ওজন কমে। কিন্তু আদৌ কি তা? না। লো-কার্ব ডায়েট ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ও ওবেসিটির ঝুঁকি কমায়।